চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা। গ্রেপ্তার এক মহিলা সহ ২ জন। গুনধর ধৃতরা হল প্রশান্ত গড়াই, অভিজিৎ মৌলিক ও মিতা দাশগুপ্ত।
অভিযোগ, ধৃতরা জলপাইগুড়ি, কোচবিহার সহ বিভিন্ন এলাকার লোকজনের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছে।যার অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিনি হলেন জলপাইগুড়ি শহরের নয়াবস্তির বাসিন্দা সাম্য সাহা। সাম্যবাবুর অভিযোগ, তাঁর কম্পিউটার সেন্টারের আসা বিভিন্ন ছাত্রছাত্রীর কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার নাম করে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা নিয়েছে প্রশান্ত। বারবার বলা সত্ত্বেও টাকা ফেরত দেয়নি। বুধবার রাতে দিশারি মোড় থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে অভিজিৎ ও মিতাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রশান্তর বাড়ি বাঁকুড়ার বিষ্ণপুরে। অভিজিৎ নদিয়ার বাসিন্দা। মিতা কলকাতার। ধৃতরা প্রত্যেকেই নিজেদের নির্দোষ বলে দাবি করেছে। প্রশান্ত পুলিশকে জানিয়েছে, ২০১৪ সালে চাকরি দেওয়ার নাম করে কিছু ছেলেমেয়ের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল সে। কিন্তু, পরে সেই টাকা ফেরত দিয়েছে। অন্যদিকে মিতা বলে, “আমি নির্দোষ। আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে।” সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা মিতার ছবি তুলতে গেলে হুমকির সুরে বলে, “আমি কমিশনারের বাড়ির বউ। ভদ্রঘরের মহিলা। কেন আমার ছবি তোলা হচ্ছে ?”
জলপাইগুড়ি থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার বলেন, “সাম্য সাহার অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছি। এরা চাকরি দেওয়ার নাম করে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি জেলার যুবক যুবতিদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নিয়েছে বলে অভিযোগ। ধৃতদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।”


No comments:
Post a Comment