‘ফুটবলের মানু’ উপাধি চাইলেন মেসি - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 1 September 2018

‘ফুটবলের মানু’ উপাধি চাইলেন মেসি

সদ্য অবসর নেওয়া মানু জিনোবিলিকে সবাই চেনেন ‘বাস্কেটবলের মেসি’বলে। মানু জিনোবিলির যা কীর্তি-অর্জন তাতে ‘বাস্কেটবলের মেসি’ উপাধিটা তার নামের সঙ্গেই যায়।
তার সম্পর্কে আর্জেন্টাইন তারকা মনে করেন, এইখানে আসলে কিংবদন্তি মানুর যথাযথ সম্মান প্রদর্শন হয় না! স্বদেশিকে সম্মান জানাতে মেসিই বরং ‘ফুটবলের মানু’হতে চাইলেন। বললেন, মানুষের উচিত তাকেই ফুটবলের ‘মানু’বলে ডাকা!
তাহলেই মানুর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা হবে। মেসির ভাষায়, মানু যে উঁচু মানের খেলোয়াড় তাতে অন্যের নামের উপাধি তার সঙ্গে ঠিক মানায় না! তার নামেই বরং অন্যদের সম্মান করা উচিত। তাই স্বদেশিকে জানানো বিদায়ী শুভেচ্ছা বার্তায় মেসি সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তাকেই ‘ফুটবলের মানু’বলে ডাকার।
এক টুইটার বার্তায় মেসি লিখেছেন, এটা শুনে আমি খুবই গর্বিত যে, তাকে সাংবাদিকরা বাস্কেটবলের মেসি বলে ডাকে। কিন্তু আমি মনে করি, তাদের উচিত আমাকেই ফুটবলের মানু বলে ডাকা।
গত সোমবার দীর্ঘ ২৩ বছরের পেশাদার ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন ৪১ বছর বয়সী মানু। তার আগে মানু নিজের নামটা লিখে নিয়েছেন বাস্কেটবলের ইতিহাসের পাতায়। ইতিহাসের দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে জিতেছেন ইউরোপ লিগ, এনবিএ চ্যাম্পিয়নশিপ এবং অলিম্পিক সোনার পদক।
এই অলিম্পিক সোনার পদক জয়ের সময় থেকেই কিংবদন্তি মানুর সঙ্গে মেসির প্রথম পরিচয়। ২০০৮ বেইজিং অলিম্পিকে মেসি আর্জেন্টিনাকে ফুটবলে সোনার পদক জিতিয়েছিলেন। আর মানু দেশকে সোনা জিতিয়েছিলেন বাস্কেট বলে।
সেই থেকেই মানুর প্রেমে পড়েন মেসি। মানুও স্বদেশির মুদ্ধ। মানুর ক্যারিয়ারের শুরুটা দেশ আর্জেন্টিনা ও ইতালিয়ান বাস্কেট লিগে খেলে ১৯৯৫ সালে। এই দুই দেশের লিগ মাতানোর পর ১৯৯৯ সালে যোগ দেন বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাস্কেট বল লিগ যুক্তরাষ্ট্রের এনবিএ চ্যাম্পিয়নশিপে।
সেই থেকে গত ১৯ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের এনবিএ চ্যাম্পিয়নশিপেই খেলে আসছিলেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নিজের নামটা ইতিহাসের পাতায় খোদাই করে নিয়েছেন। নামের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া ‘বাস্কেটবলের মেসি’ উপাধি অনুসারে তিনি ক্যারিয়ারের শেষ দিকে মেসির ’১০ নম্বর’ পরেই খেলতেন।
বর্ণাঢ্য এই ক্যারিয়ারের ইতি টানার পর স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ব ক্রীড়া ব্যক্তিত্বরা বিশেষভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন মানুকে। আর্জেন্টাইন ফুটবল ঈশ্বর ডিয়েগো ম্যারাডোনা থেকে শুরু করে হালের তারকা পাওলো দিবালারাও বাদ জাননি। তবে মানু হয়তো বেশি পুলকিত পছন্দের মেসির বাণী শুনেই।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad