দিন দিন বেড়েই চলেছে বিশ্বের জনসংখ্যা। আগামী ছয় বছরের মধ্যে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৮০০ কোটিতে। এছাড়া ২০১৮ সালে বিশ্বে ষাটোর্ধ্ব মানুষের সংখ্যা ১০০ কোটি ছাড়াবে। জাতিসংঘের বাৎসরিক জনসংখ্যা জরিপে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বিশ্বের ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই বৃদ্ধি পাবে আফ্রিকার সাব-সাহারা অঞ্চলে। বাকি অর্ধেক আসবে নয়টি দেশ থেকে। এসব দেশের মধ্যে তালিকায় প্রথমেই রয়েছে ভারত। এরপর রয়েছে যথাক্রমে: নাইজেরিয়া, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, পাকিস্তান, ইথিওপিয়া, তানজানিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, উগান্ডা এবং ইন্দোনেশিয়া।
২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে জনসংখ্যাবহুল ২০টি দেশেই হবে আফ্রিকা মহাদেশের। বিপরীতে বিপুল সংখ্যক অভিবাসী না নিলে জনসংখ্যা কমবে ইউরোপের দেশগুলোর।
জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিষয়ক বিভাগের পরিচালক জন উইলমথ বলেন, ‘কম জনসংখ্যা উৎপাদনকারী দেশগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রাথমিক উৎস হবে অভিবাসীদের আগমন। অনেক ক্ষেত্রে তারাই জনসংখ্যা কমে যাওয়া রোধ করতে পারবে।’
স্বল্প জনসংখ্যার কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যা পড়বে পূর্ব-ইউরোপের দেশগুলো। বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, রোমানিয়া, সার্বিয়ার মতো দেশগুলোতে ১৫ শতাংশ জনসংখ্যা কমে যাবে।
এতে বলা হয়েছে, বিশ্বের ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই বৃদ্ধি পাবে আফ্রিকার সাব-সাহারা অঞ্চলে। বাকি অর্ধেক আসবে নয়টি দেশ থেকে। এসব দেশের মধ্যে তালিকায় প্রথমেই রয়েছে ভারত। এরপর রয়েছে যথাক্রমে: নাইজেরিয়া, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, পাকিস্তান, ইথিওপিয়া, তানজানিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, উগান্ডা এবং ইন্দোনেশিয়া।
২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে জনসংখ্যাবহুল ২০টি দেশেই হবে আফ্রিকা মহাদেশের। বিপরীতে বিপুল সংখ্যক অভিবাসী না নিলে জনসংখ্যা কমবে ইউরোপের দেশগুলোর।
জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিষয়ক বিভাগের পরিচালক জন উইলমথ বলেন, ‘কম জনসংখ্যা উৎপাদনকারী দেশগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রাথমিক উৎস হবে অভিবাসীদের আগমন। অনেক ক্ষেত্রে তারাই জনসংখ্যা কমে যাওয়া রোধ করতে পারবে।’
স্বল্প জনসংখ্যার কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যা পড়বে পূর্ব-ইউরোপের দেশগুলো। বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, রোমানিয়া, সার্বিয়ার মতো দেশগুলোতে ১৫ শতাংশ জনসংখ্যা কমে যাবে।
No comments:
Post a Comment