‘গায়ের ছেলে হীরুর গায়ে যদি হাত পড়ে তাহলে বাংলার প্রত্যেকটা গ্রাম
কিন্তু জ্বলে যাবে।আইলভইউর গায়ে যদি হাত পড়ে তাহলে প্রত্যেকটা মহিলা গর্জে উঠবে’। সোমবার
নদীয়া জেলার দত্তফুলিয়া হাই স্কুল মাঠে এক জনসভাতে দাঁড়িয়ে তৃণমূলকে করা হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি নেতা
জয় বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি বলেন, ‘ক্ষমতা থাকলে আমার গায়ের লোমটা ধরে দেখাক’।বিগত ৩৪
বছর ধরে জ্যোতি বাবুর সাদা ধুতি,বুদ্ধদেব বাবুর সাদা ধুতি ও সাদা চুলে বাংলা
রসাতলে।এরপরে আসলো সাদা শাড়ি।সাদা শাড়িতে বাংলা দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসে পর্বতের
চূড়ায় উঠে বসেছে।পর্বতের চূড়া থেকে মানুষ চিৎকার করে বলছে ‘বিজেপিকে আনো বিজেপিকে
আনো’, ‘আমাদের বাঁচাও,আমাদের বাঁচাও’।তাই আমরা প্রত্যেকটা নেতা কর্মী পায়ে চাকা
লাগিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করছি এই প্রান্ত থেকে ওই প্রান্ত দৌড়াচ্ছি যাতে খুব তাড়াতাড়ি
এই সন্ত্রাসকে ছুঁড়ে ফেলে একটা নতুন বাংলা তৈরি করা যায়,বিজেপিকে প্রতিষ্ঠা করা
যায়’।বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্য জানান, তৃণমূলের মার সহ্য করতে কিন্তু বেশি সহ্য করতে না।
উক্ত মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ,নদীয়া সভাপতি আশুতোষ পাল,যুব সভাপতি ভাস্কর বোস সহ প্রমুখ।
উক্ত মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ,নদীয়া সভাপতি আশুতোষ পাল,যুব সভাপতি ভাস্কর বোস সহ প্রমুখ।
জয় বলেন,তিনি অত্যন্ত সহজ সরল মানুষ।তিনি রাজনৈতিক মহল থেকে অনেক দূরে
থাকলেও ২০১৪ সালের পরে তিনি সোজা বিজেপিতে এসে যোগদান করেন।তিনি আরও বলেন,‘গতবার
অক্লান্ত পরিশ্রম করার পরও সমীক্ষায় দেখলেন মোটা লোকটাই জিতেছেন।আর যদি অপকর্ম বা
কুকর্মের জন্য কেউ পুরস্কার পায় তাহলে আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি ওই মোটা
লোকটাই প্রথম পুরস্কার পাবেন’। পাশাপাশি জয় বন্দোপাধ্যায় ঈদের দিন সংখ্যালঘু মুসলিমদেরও বিজেপি দলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
No comments:
Post a Comment