বেইজিং, ২৪ এপ্রিল- চীনের শানজি প্রদেশের রাজধানী জিয়ানের মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে কনডম বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে খোদ সরকারি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সিদ্ধান্তটির বাস্তবায়ন আপাতত শিক্ষার্থীদের বাবা-মা ও শিক্ষাবিদদের আপত্তির মুখে পড়ে স্থগিত রয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমস।
বৃহস্পতিবার শানজির একটি দৈনিক; হুয়াশাং নিউজ, এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশ করে। জানা যায়, প্রাদেশিক স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কমিশন মাধ্যমিক স্কুলে কনডম বিক্রয়ের এ সিদ্ধান্ত নেয়। উক্ত কমিশন এর সপক্ষে যুক্তি প্রদর্শন করেছে।
কমিশনের ভাষ্যমতে, বিগত ২০ বছরের তুলনায় শুধুমাত্র ২০১০ থেকে ২০১৩ এর মধ্যেই চীনের শানজি প্রদেশে এইডস আক্রান্তের আনুপাতিক হার ৮০ শতাংশ বেড়ে গেছে। ২০১৩ সালের অক্টোবর মাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১ হাজার ১১০ জন এইডস আক্রান্ত চিহ্নিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, এই নব্য আক্রান্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কিশোর-কিশোরী রয়েছে। আর এটিই হাইস্কুলে কনডম বিক্রয়ের উদ্যোগ নেয়ার প্রধানতম কারণ। যেন অল্পবয়েসী ছেলেমেয়েদের কোন অসতর্ক মুহুর্তে মারাত্মক এইডস ঝুঁকির মুখে পড়তে না হয়।
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কমিশনের কর্তব্যরত এক স্বাস্থ্য অফিসার নাম প্রকাশ না করে বলেন, এর মাধ্যমে উঠতি বয়েসের ছাত্রছাত্রীদের যৌনতায় উৎসাহিত করা হচ্ছে না। বরং সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থেই তাদের সচেতনতাকে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, কনডম তাদের মাঝে বিতরণও করা হবে না, এটাকে বুথের মাধ্যমে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হবে, যেন একান্ত মুহূর্তে এইডসের হতাশাজনক সংক্রমণ থেকে অন্তত পরস্পরকে বাঁচাতে পারে তারা।
বৃহস্পতিবার শানজির একটি দৈনিক; হুয়াশাং নিউজ, এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশ করে। জানা যায়, প্রাদেশিক স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কমিশন মাধ্যমিক স্কুলে কনডম বিক্রয়ের এ সিদ্ধান্ত নেয়। উক্ত কমিশন এর সপক্ষে যুক্তি প্রদর্শন করেছে।
কমিশনের ভাষ্যমতে, বিগত ২০ বছরের তুলনায় শুধুমাত্র ২০১০ থেকে ২০১৩ এর মধ্যেই চীনের শানজি প্রদেশে এইডস আক্রান্তের আনুপাতিক হার ৮০ শতাংশ বেড়ে গেছে। ২০১৩ সালের অক্টোবর মাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১ হাজার ১১০ জন এইডস আক্রান্ত চিহ্নিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, এই নব্য আক্রান্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কিশোর-কিশোরী রয়েছে। আর এটিই হাইস্কুলে কনডম বিক্রয়ের উদ্যোগ নেয়ার প্রধানতম কারণ। যেন অল্পবয়েসী ছেলেমেয়েদের কোন অসতর্ক মুহুর্তে মারাত্মক এইডস ঝুঁকির মুখে পড়তে না হয়।
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কমিশনের কর্তব্যরত এক স্বাস্থ্য অফিসার নাম প্রকাশ না করে বলেন, এর মাধ্যমে উঠতি বয়েসের ছাত্রছাত্রীদের যৌনতায় উৎসাহিত করা হচ্ছে না। বরং সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থেই তাদের সচেতনতাকে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, কনডম তাদের মাঝে বিতরণও করা হবে না, এটাকে বুথের মাধ্যমে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হবে, যেন একান্ত মুহূর্তে এইডসের হতাশাজনক সংক্রমণ থেকে অন্তত পরস্পরকে বাঁচাতে পারে তারা।
No comments:
Post a Comment