আমরা সকলেই মজা করতে ভালবাসি, কিন্তু কি হবে, যদি এই মজাই এক মর্মান্তিক সত্য হয়ে দাঁড়ায়? বা এমনকিছু যাকে আর কখোনই পূর্বাবস্থায় ফেরানো যাবে না। যদিও সব হাসি-তামাসার ফলাফলই মৃত্যু বা অন্য কোন ভয়াবহ পরিণতি হয় না, তবুও এমন কিছু ঘটনা রয়েছে যা আপনাকে হতচকিত করে দেবে। আপনি যদি ভাবছেন যে আমরা কি বলছি, তবে মানুষের মৃত্যুর সবচেয়ে অকল্পনীয় কারণগুলি জানতে পড়তে থাকুন।
এই মৃত্যুগুলি তখন হয়েছিল, যখন মানুষগুলি অন্য কিছু করার প্রচেষ্টা করছিলেন। কিন্তু শেষমেশ তারা মৃত্যুর কবলে পরে যান। প্যারাসুটের পোশাক পরীক্ষা করতে আইফেল টাওয়ার থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু থেকে উন্মত্ত সহবাস, মানুষ সবচেয়ে অবিশ্বাস্য কিছু কারণে তাদের জীবন হারিয়েছেন। তাই, পড়ে দেখুন কিছু অসম্ভাব্য কারণ যাতে, মানুষেরা তাদের প্রাণ হারিয়েছেন।

অত্যাধিক পরিমানে পুডিং খেয়ে ফেলায় মৃত্যুঃ ১৭৭১ সালের ১২-ই ফেব্রুয়ারি, সুডেনের রাজা অ্যাডলফ ফ্রেডেরিক স্থির করেন যে তিনি ১৪ বাটি সেমলা খাবেন। সেমলা হল একধরণের ক্রীম ভরা পেস্ট্রি। তার পাচনতন্ত্র বিকল হয়ে পরে ও সেই দিনেই তার মৃত্যু হয়।

লম্বা স্কার্ফ পরার কারণে মৃত্যুঃ মরালগ্রীবা নর্তকী ইসাডোরা ডানকান ছিলেন একজন অপরূপা সুন্দরী। এবং তিনি তার স্কার্ফ বা ওড়নাকে হাওয়ায় ওড়াতে ভালবাসতেন। এক অভাগা দিনে, তিনি তার লম্বা স্কার্ফ পরে একটি স্পোর্টস কারে বসে যাচ্ছিলেন এবং স্কার্ফটি উড়তে উড়তে গাড়ির পিছনের চাকায় জড়িয়ে যায়। এটি তার গলাকে দুই টুকরো করে ফেলে এবং সাথে সাথেই তার মৃত্যু হয়।

সেগওয়ে তে করে পাহাড়ের চূড়া থেকে লাফ দেওয়ার কারণে মৃত্যুঃ জেমস ডাব্লিউ. হেসেল্ডন ছিলেন, গাড়ি নির্মাতা কম্পানি সেগওয়ে ইংক এর মালিক। কিন্তু, দুর্ভাগ্যবশত তিনি সেগওয়ে চালাবার সময় পাহাড়ের চূড়া থেকে লাফ দিয়ে দেন। এটাকে মর্মান্তিক ঘটনা বলুন বা তার অদৃষ্ট, এইভাবেই তার মৃত্যু হয়।

অত্যাধিক জোড়ে গান শোনার কারণে মৃত্যুঃ ইসাইয়াহ ওটেইনো হয়তো কখনো ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেন নি যে, গান শুনতে শুনতে পথচলা তার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াবে। কানে হেডফোন দিয়ে গান শুনতে এতটাই মগ্ন ছিলেন যে তিনি শুনতেই পাননি, বিকট আওয়াজ করে গোটা একটা হেলিকপ্টার তার ওপর ভেঙে পরছে। সেইমুহুর্তেই, পাইলট ও যাত্রী সমেত তারও মৃত্যু হয়।

আইফেল টাওয়ার থেকে লাফিয়ে পরার কারণেঃ ১৯১২ সালের ৪-ঠা ফেব্রুয়ারি, ফ্রাঞ্জ রেশেল্ট নামের এক ফরাসি দরজি, স্থির করেন তিনি হাওয়াবাজদের জন্য পরিধান করা যায় এমন প্যারাসুট বানাবেন। প্রথমে ঠিক করা হয়েছিল যে একটি ডামি পুতুল ব্যবহার করে এই পোশাকটির কার্যকারীতা পরীক্ষা করা হবে। কিন্তু তিনি জেদ করতে থাকেন যে প্রথম পরীক্ষাটি তিনি নিজেই করবেন। এবং আপনি জানেন, ঠিক এর পর মুহুর্তেই তিনি তার মৃত্যু-ঝাঁপটি দেন।

অত্যাধিক পরিমানে ভিডিও গেম খেলার দরুন মৃত্যুঃ গেম ওভার! ভিডিও গেমে আসক্ত লি সিয়াং সিওপ, ভিডিও গেম খেলায় এতোটাই সমর্পিত ছিলেন যে তিনি তার চাকরি ছেড়ে দিয়ে একটি কফি শপে ভিডিও গেম খেলতে থাকতেন। তিনি টানা ৫০ ঘন্টা ধরে ভিডিও গেম খেলতে থাকেন এবং মাঝে শুধু টয়লেট যাওয়া ও হাল্কা কিছুক্ষণের ঘুমের জন্য বিরতি নিয়েছিলেন। হৃদরোগে ও ডিহাইড্রেশনে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়।

সেক্স ও ভায়াগ্রার অতিরিক্ত সেবনে মৃত্যুঃ এটা হয়তো মৃত্যুর সবচেয়ে নির্বোধ একটি কারণ যা কোন মানুষ কখনো ভেবে থাকবে। ২৮ বছরের সারগে টুগানভ, ৩০০০ ডলার বাজি ধরেছিলেন দুই মহিলার সাথে, যারা দাবি করেছিলেন যে সারগে কোনমতেই তাদের দুজনের সাথে একটা গোটা দিন ধরে সহবাস করতে পারবে না। ১ বোতল ভায়াগ্রার সাথে সে ঐ চ্যালেঞ্জটি নিয়ে ফেলে, আর ১২ ঘন্টা পরেই হার্ট অ্যাটাকের কারণে তার মৃত্যু হয়।
এই মৃত্যুগুলি তখন হয়েছিল, যখন মানুষগুলি অন্য কিছু করার প্রচেষ্টা করছিলেন। কিন্তু শেষমেশ তারা মৃত্যুর কবলে পরে যান। প্যারাসুটের পোশাক পরীক্ষা করতে আইফেল টাওয়ার থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু থেকে উন্মত্ত সহবাস, মানুষ সবচেয়ে অবিশ্বাস্য কিছু কারণে তাদের জীবন হারিয়েছেন। তাই, পড়ে দেখুন কিছু অসম্ভাব্য কারণ যাতে, মানুষেরা তাদের প্রাণ হারিয়েছেন।
অত্যাধিক পরিমানে পুডিং খেয়ে ফেলায় মৃত্যুঃ ১৭৭১ সালের ১২-ই ফেব্রুয়ারি, সুডেনের রাজা অ্যাডলফ ফ্রেডেরিক স্থির করেন যে তিনি ১৪ বাটি সেমলা খাবেন। সেমলা হল একধরণের ক্রীম ভরা পেস্ট্রি। তার পাচনতন্ত্র বিকল হয়ে পরে ও সেই দিনেই তার মৃত্যু হয়।
লম্বা স্কার্ফ পরার কারণে মৃত্যুঃ মরালগ্রীবা নর্তকী ইসাডোরা ডানকান ছিলেন একজন অপরূপা সুন্দরী। এবং তিনি তার স্কার্ফ বা ওড়নাকে হাওয়ায় ওড়াতে ভালবাসতেন। এক অভাগা দিনে, তিনি তার লম্বা স্কার্ফ পরে একটি স্পোর্টস কারে বসে যাচ্ছিলেন এবং স্কার্ফটি উড়তে উড়তে গাড়ির পিছনের চাকায় জড়িয়ে যায়। এটি তার গলাকে দুই টুকরো করে ফেলে এবং সাথে সাথেই তার মৃত্যু হয়।
সেগওয়ে তে করে পাহাড়ের চূড়া থেকে লাফ দেওয়ার কারণে মৃত্যুঃ জেমস ডাব্লিউ. হেসেল্ডন ছিলেন, গাড়ি নির্মাতা কম্পানি সেগওয়ে ইংক এর মালিক। কিন্তু, দুর্ভাগ্যবশত তিনি সেগওয়ে চালাবার সময় পাহাড়ের চূড়া থেকে লাফ দিয়ে দেন। এটাকে মর্মান্তিক ঘটনা বলুন বা তার অদৃষ্ট, এইভাবেই তার মৃত্যু হয়।
অত্যাধিক জোড়ে গান শোনার কারণে মৃত্যুঃ ইসাইয়াহ ওটেইনো হয়তো কখনো ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেন নি যে, গান শুনতে শুনতে পথচলা তার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াবে। কানে হেডফোন দিয়ে গান শুনতে এতটাই মগ্ন ছিলেন যে তিনি শুনতেই পাননি, বিকট আওয়াজ করে গোটা একটা হেলিকপ্টার তার ওপর ভেঙে পরছে। সেইমুহুর্তেই, পাইলট ও যাত্রী সমেত তারও মৃত্যু হয়।
আইফেল টাওয়ার থেকে লাফিয়ে পরার কারণেঃ ১৯১২ সালের ৪-ঠা ফেব্রুয়ারি, ফ্রাঞ্জ রেশেল্ট নামের এক ফরাসি দরজি, স্থির করেন তিনি হাওয়াবাজদের জন্য পরিধান করা যায় এমন প্যারাসুট বানাবেন। প্রথমে ঠিক করা হয়েছিল যে একটি ডামি পুতুল ব্যবহার করে এই পোশাকটির কার্যকারীতা পরীক্ষা করা হবে। কিন্তু তিনি জেদ করতে থাকেন যে প্রথম পরীক্ষাটি তিনি নিজেই করবেন। এবং আপনি জানেন, ঠিক এর পর মুহুর্তেই তিনি তার মৃত্যু-ঝাঁপটি দেন।
অত্যাধিক পরিমানে ভিডিও গেম খেলার দরুন মৃত্যুঃ গেম ওভার! ভিডিও গেমে আসক্ত লি সিয়াং সিওপ, ভিডিও গেম খেলায় এতোটাই সমর্পিত ছিলেন যে তিনি তার চাকরি ছেড়ে দিয়ে একটি কফি শপে ভিডিও গেম খেলতে থাকতেন। তিনি টানা ৫০ ঘন্টা ধরে ভিডিও গেম খেলতে থাকেন এবং মাঝে শুধু টয়লেট যাওয়া ও হাল্কা কিছুক্ষণের ঘুমের জন্য বিরতি নিয়েছিলেন। হৃদরোগে ও ডিহাইড্রেশনে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়।
সেক্স ও ভায়াগ্রার অতিরিক্ত সেবনে মৃত্যুঃ এটা হয়তো মৃত্যুর সবচেয়ে নির্বোধ একটি কারণ যা কোন মানুষ কখনো ভেবে থাকবে। ২৮ বছরের সারগে টুগানভ, ৩০০০ ডলার বাজি ধরেছিলেন দুই মহিলার সাথে, যারা দাবি করেছিলেন যে সারগে কোনমতেই তাদের দুজনের সাথে একটা গোটা দিন ধরে সহবাস করতে পারবে না। ১ বোতল ভায়াগ্রার সাথে সে ঐ চ্যালেঞ্জটি নিয়ে ফেলে, আর ১২ ঘন্টা পরেই হার্ট অ্যাটাকের কারণে তার মৃত্যু হয়।
No comments:
Post a Comment