আমি তার ওষ্ঠ ও উরুতে মুখ গুঁজে/ জানাই সেই খবর” - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, 9 May 2017

আমি তার ওষ্ঠ ও উরুতে মুখ গুঁজে/ জানাই সেই খবর”


“নিছক ভদ্রতাবশে নিভিয়ে দিই আলো/ তারপর শুরু হয় শিল্পকে ভাঙার এক বিপুল উৎসব/ আমি তার ওষ্ঠ ও উরুতে মুখ গুঁজে/ জানাই সেই খবর”... নারী যখন কবির কাছে শিল্প হয়ে ওঠে, কবি হয়ে ওঠেন শিল্পী, তাঁর নিপুণ তুলির টানে ভেঙে যায় সব আগল। পড়ে থাকে শুধু আগুন। এই আগুন প্রেয়সীর শরীরে সবসময় চেয়ে এসেছে প্রেমিক। যুগযুগ ধরে। তবে সে আগুন তো আর এমনি এমনি জ্বলে ওঠে না। তাকে জ্বালাতে হয়। জ্বালাতে জানতে হয়।


আগুন কিন্তু লুকিয়েই থাকে প্রেয়সীর শরীরে। হিমশৈলের মতো। ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে প্রেয়সী চায় তার সেই হিমশৈলকে উথালপাথাল করে দিক প্রেমিক। শীতল হিমশৈল তরল হোক আলিঙ্গনের উষ্ণতায়। উষ্ণতা ছড়িয়ে পডুক গোটা শরীরে- পরিপূর্ণতা পাক উদ্দামতায়। কিন্তু, উদ্দামতা চাইলেই তো আর আসে না। নারী চায় তার শরীরের বিশেষ কিছু জায়গায় প্রেমিকের প্রবল পরশ থাকুক। পরিচিত কিছু স্পট (স্তন, গোপনাঙ্গ) ছাড়াও শরীরের আরও কিছু স্থান আচম্বিতে জেগে উঠুক সে পরশে।
   

সেক্স সাইকো থেরাপিস্ট ভানীসা মারিনের মতে- নারী শরীরে রয়েছে এমন সাতটি জায়গা যা প্রেমিক পরশে প্রেয়সীর শরীরে আগুন জ্বালিয়ে দিতে পারে।



নিতম্বের  নিম্নাংশ  : উরুর শেষ ও নিতম্বের শুরু। এই জায়গাটি নাকি খুবই স্পর্শকাতর। স্নায়বিক দিক থেকেও এটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে ঘনিষ্ঠমুহূর্তে (ফোর প্লে চলাকালীন) এখানে পেলব পরশ, হালকা চুমু-প্রেয়সীকে উত্তেজিত করে তুলতে পারে। 


স্তনের  নিম্নাংশ : স্তন, স্তনবৃন্তের পাশাপাশি এই জায়গাটিও প্রেয়সীকে আনন্দ দিতে পারে। হালকা আঙুলের ছোঁওয়ায়, চুম্বনে পুলকিত হতে পারে প্রেয়সী।


হাঁটুর  পিছনের  দিক : এই জায়গাটি যে সংগমের সময় আনন্দ পেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে, তা জানে না অনেকেই। এই অংশটি দীর্ঘক্ষণ ধরে হালকা ছোঁওয়া পেলে উত্তেজিত করে তুলতে পারে প্রেয়সীকে। 

কনুইয়ের  ভিতর  দিক : প্রেয়সীর হাতের মধ্যবর্তী এই অংশটি ফোর প্লে-র জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেক্স সাইকো থেরাপিস্ট মারিনের মতে, এই অংশে হালকা চুম্বন ও চাপড়ে যৌনানন্দের সাগরে ভেসে যেতে পারবে প্রেয়সী।
   

ল্যাবিয়া  :  ল্যাবিয়া (যোনির ঠোঁট)। মারিন বলছেন, সংগমের সময় এই অংশটিকে গুরুত্ব দেয় না অনেকেই। অধিকাংশ পুরুষই ক্লিটকে ঢিট করতে তৎপর। কিন্তু সেই তাড়াহুড়োয় হারিয়ে যায় ল্যাবিয়ার উপর মনোসংযোগ।  প্রেয়সীর শরীরে কামোত্তেজনা জাগাতে এর নাকি জুড়ি মেলা ভার। এই অংশে প্রেমিকের আঙুলের পরশ নারী শরীরের আগুনকে অন্যমাত্রায় নিয়ে যায়। 


কান ও কানের লতি :  ফোর প্লে-র সময় যখন নারী চায় আরও কিছু, আরও বেশি কিছু-তখন প্রেমিকের উচিত, তার প্রেয়সীর এই অংশটিতে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া। ফল মিলবে হাতেনাতে ।

পায়ের পাতা ও আঙুল :যৌনক্রিয়ার সময় পায়ের পাতায় হালকা স্পর্শ, সুড়সুড়ি, চুম্বন প্রেয়সীকে আনন্দের শিখরে পৌঁছে দিতে পারে। এরসঙ্গে পায়ের আঙুলে হালকা গরম মালিশ শরীরের আগুনে ঘি দেয়। তাই প্রেমিক যদি প্রেয়সীর শরীরে আরও আগুন চায়, তাহলে এই পদ্ধতি কাজে আসতে পারে। 


কোমরের টোল : কোমর যেখানে শেষ, নিতম্বের শুরু, সেখানে দেখা যায় ছোট্ট দুটি গর্ত মতো অংশ। গালের টোল যেমন নারীসৌন্দর্য অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়, যৌন বিশেষজ্ঞরা বলেন, কোমরের এই টোল নারীকে যৌনসুখের শিখরে পৌঁছে দিতে পারে। কোমরের এই গর্তগুলিকে বলে ডিম্পল অফ ভেনাস বা ভেনাস হোলস। নারী চায়, এখানে ছুঁয়ে যাক প্রেমিকের উদ্দামতা। নারী চায়, এই অংশে পুরুষ নখের তীক্ষ্ণতা অনুভব করতে। যে তীক্ষ্ণতায় তীব্রতার অনুভব আছে, কিন্তু ব্যথা নেই।

ঘাড় : প্রেয়সীর এই অংশটি মারাত্মকভাবে যৌন স্পর্শকাতর। স্থানটির স্পর্শ পেতে প্রেমিককে বেশি কাঠখড়ও পোড়াতে হয় না। ঠোঁট, মুখাবয়ব, গলার পাশাপাশি প্রেয়সীর নরম ঘাড়েও মনোযোগ দিতে প্রেমিককে পরামর্শ দিয়েছেন মারিন। ঘাড় থেকে শুরু হয়ে প্রেয়সীর মেরুদণ্ড বরাবর নেমে আসুক প্রেমিকের নরম ঠোঁট। পৌঁছে যাক গভীরে। আরও গভীরে।

অতএব, প্রেয়সীর শরীরের এই গোপন-গভীর স্থানগুলি ঋতু-কাল নির্বিশেষে যৌবনে স্পর্ধা এনে দিক। বকুলমালার তীব্র গন্ধ এসে বলে দিক, “নীরা আজ খুশি।”


ঋণ- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় 

সংগৃহীত : ইনাডুবাংলা

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad