ফোনে খুনের লাইভ ! বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে বাঁচার ইচ্ছে শেষ হল বৌয়ের প্রেমিকের হাতে খুন হয়ে - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 27 May 2017

ফোনে খুনের লাইভ ! বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে বাঁচার ইচ্ছে শেষ হল বৌয়ের প্রেমিকের হাতে খুন হয়ে
























 জানাগেছে, ঘটনার দিন  মঙ্গলবার অফিস থেকে রাত আটটা  নাগাদ তিন বন্ধুসহ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় অনুপম ।অনুপমের স্ত্রী বারাসাত পুরসভা কর্মী অসুস্থতার কারনে কিছুদিন  শ্বশুরবাড়ি থাকতেন অনুপম বাবুর স্ত্রী। প্রতিদিন রাতে নবপল্লীর শ্বশুরবাড়িতে খেয়ে হৃদয়পুরের নিজের বাড়িতে ঘুমাতে যেতেন অনুপম। রাতে ফোন করে সাড়া না মেলায় বুধবার সকালে এসে আত্মীয়রা দেখতে পান হৃদয়পুরে পুর্বায়নের বাড়ীর ঘরের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে অনুপম। পুলিশ তদন্তে নেমে ঘর থেকে লোহার রড বাজেয়াপ্ত করে।প্রাথমিক অনুমান মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করে মারা হয়েছে। মৃতদেহ ময়না তদন্তে পাঠান হয়েছে। বছর খানেক আগে বিবাহিত অনুপমকে কে বা কারা কি উদ্দেশ্যে খুন করল তার রহস্যভেদ করতে ঘটনাস্থলে আসেন উঃ ২৪ পরগনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।



তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিক সুত্রের খবর, খুনের পর অনুপমের স্ত্রী মানুয়ার স্বাভাবিক আচারন পুলিশের নজরে আসে। খুনের ঘটনা স্হলে এমন কোনও প্রমাণ রাখেনি বুবাই ও মানুয়া যা থেকে পুলিশ খুনের কিনারা করতে পারে। মানুয়ার সঙ্গে অনুপমের সম্পর্ক জানতে অনুপমের বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলেও কিছুই জানতে না পেরে শেষমেষ মনুয়ার ফোনে আড়ি পাতে পুলিশ। দুজনের আট ঘন্টার বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তায় প্রথম দিনেই কিস্তি মাত করে পুলিশ। তবে নিশ্চিত হতে পারছিল না পুলিশ। কারণ, মনুয়া বুবাই পুলিশকে বিভ্রান্ত করতেই খুন কে করল? পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তের গাফিলতি এনে অভিযোগের মত ইত্যাদি কথা তারা বলছিল। নাছোড় পুলিশও ওঁত পেতে থাকে মনুয়ার ফোনে। এক সময় মনুয়া যাবতীয় বিভ্রান্তির নাটকের কথা বার্তা থেকে সরে এসে বুবাইকে বলে, ম্যায়নে জীবন সাথী চুনলিয়া। বুকের ওপর থেকে পাথর সরে গেছে। এখন খুব হাল্কা লাগছে। এমএ পাশ মনুয়া পিএইচডি করার স্বপ্ন দেখে। বাবা মা জামাইয়ের মৃত্যুতে কান্নাকাটি করলে বাবা মাকে তিরস্কারও করত মনুয়া। আঁড়ি পেতে শোনা কথাগুলো পুলিশকে বিভ্রান্তির ঘোর কাটায়। এরপর পুলিশ মনুয়া ও বুবাইকে গ্রেফতার করে। পুলিশের কাছে মনুয়া জানিয়েছে, বাবা মা তাকে জোর করে বিয়ে দেয় অনুপমের সঙ্গে। কয়েকমাস আগে অনুপম পরকীয়া সম্পর্কের কথা জানতে পারে। তখন অনুপম আত্মহত্যার কথা জনায় স্ত্রীকে। অনুপমের ওই সিদ্ধান্তে সমাজ ও পরিবারের কাছে হেরে যেতে হত। তাই প্রেমিককে দিয়ে স্বামীর স্বাদ পুরণ করতে খুন করেছে মনুয়া। 





পুলিশ আগেই জানিয়েছে, অনুপমকে খুন করতে স্ত্রী মনুয়া আগে থেকেই ঘটনারদিন প্রেমিক অজিতকে ঘরে ঢুকিয়ে বাইরে থেকে তালা বন্ধ করে আসে। অনুপম ঘরে ঢুকতেই অজিত অনুপমের মাথায় ক্রমাগত লোহার রড দিয়ে আঘাত করে সে। উত্তর চব্বিশ পরগনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, খুনের পর অজিত টোটো নিয়ে মনুয়ার পাড়ায় যায়। পুলিশ অনুপমের বাড়ি থেকে মৃত দেহের বাইরে একটা লোহার রড ও আংটি উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে। লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করলে রক্ত ছিটকে অজিতের শরীরে মাখার কথা। এমনকি, মুখের মধ্যে রড ঢুকিয়ে খুঁচিয়ে মনুয়াকে মৃত্যু যন্ত্রণার গোঙানি শুনিয়েছিল অজিত। অনুপমকে খুন করার নৃশংসতা  ছিল বিভৎস। মাথা এবং মুখের অংশ এতটাই বিকৃত ছিল যে অনুপমকে চেনার উপায় ছিল না । এমনকি মেঝেতে যে ভাবে রক্ত ছড়িয়েছে তাতে গোটা ঘটনার সময়ও অনুপমের রক্ত অজিতের শরীরে বা পোশাকে লাগার কথা।  রক্তমাখা পোশাক পরে স্বাভাবিক ভাবে রাস্তায় বের হল কি করে অজিত?  তাহলে কি পোশাক বদল করেছিল অজিত। না কি অনুপমকে খুন করতে ব্যবহার করা হয়েছিল পেশাদার খুনি? কারন, পুলিশ অনুপমের ঘরের বাইরে থেকে ছবি তুলতে দিয়েছিল সংবাদ মাধ্যমকে। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে ঘরের একটা অংশের মেঝেতে রক্ত ছড়িয়েছে। জখম অনুপম বাঁচার তাগিদে এদিক সেদিক করলে রক্ত ঘরের সর্বত্র থাকত। এখানেই উঠেছে প্রশ্ন  ,তাহলে কি অনুপম খুনের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত! যে খুনের সময় সাহায্য করেছিল অজিতকে । পুলিশ সূত্রের দাবি, খুন যে ভাবে করা হয়েছে তা পেশাদারের মতই। ঠান্ডা মাথায় খুন করতে কি শুধুই লোহার রড ব্যবহার হয়েছিল। 


















অতিরিক্ত পুলিস সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়  জানিয়েছেন, গেছে ঘটনার দিন দুপুরে মনুয়ার প্রেমিক অজিত রায় অশোকনগরের বাড়ি থেকে থেকে বারাসতে এসে মনুয়ার কর্মস্থলে গিয়ে   দেখা করে অজিত। ছুটি হতে অফিস থেকে বেরিয়ে পড়ে তারা এবং দুজনে আলাদা আলাদাভাবে পৌঁছায় অনুপম সিংহের বাড়িতে। অজিত কাগজে মুড়ে নিয়ে যায় ঘাতক লোহার রড। সেখানে তারা দীর্ঘক্ষণ ধরে একান্তে সময় কাটায় । অনুপমকে কিভাবে খুন করা হবে, কিভাবে তাকে আঘাত করা হবে তা নিয়ে দুজনে ছক কষে। অজিতের যাতে কোনও সমস্যা না হয় তারজন্য বাড়ির কোন কোন লাইট অফ করে রাখা হবে সেই পরিকল্পনাও তারা দুজনে বসে ঠিক করে। পরিকল্পনার পর দুজনের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও হয়। প্রেমিকের হাতে স্বামীকে খুন করার দ্বায়িত্ব দিয়ে বাড়ি থেকে বাপের বাড়িতে ফেরে মনুয়া। বেরোনোর সময় বাইরে থেকে ঘরের তালা লাগিয়ে দেয় মনুয়া। ঘরের মধ্যে থেকে যায় অজিত। 





পুলিস জানিয়েছে ওইদিন অনেক রাতে বাড়িতে ফেরে অমুপম। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকতেই  লোহার রড দিয়ে লাগাতার অনুপমের মাথায় আঘাত করে অজিত। অনুপমকে খুন করে  ঠাণ্ডা মাথায় ওই ঘর থেকে বেরিয়ে মনুয়ার বাড়ির সামনে টোটো ভাড়া করে যায় অজিত। ফোনে কথা বলতে বলতে মনুয়ার সাথে গিয়ে দেখা করে সে। তাকে যাতে কেউ সন্দেহ না করে সেজন্য অনুপমের অন্ত্যেষ্টিতেও উপস্থিত ছিল অজিত। শুধু তাই নয় তদন্তের মোড় ঘুরিয়ে দিতে অনুপম যে ভ্রমণ ও মানি এক্সচেঞ্জ অফিসে কাজ করত সেখানে কারো সাথে গণ্ডগোল বা টাকা পয়সা নিয়ে গোলমালের কারণে অনুপম খুন হয়ে থাকতে পারে বলে পুলিসকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল অজিত। কিন্তু শেষমেশ পুলিসের সন্দেহ থেকে রেহাই পায়নি মনুয়া ও অজিত। পুলিসের জালে ধরা পড়ে দুজনেই। জেরায় খুনের কথাও স্বীকার করে তারা। 













স্বামী অনুপমকে খুন করতে প্রেমিক অজিতকে নিয়ে একাধিকবার ট্রায়াল দেন খুনি বৌ মনুয়া। পরকীয়া সম্পর্ক, কেরিয়ার পিপাশু এবং বেহিসাবী জীবন যাপনে লোভী মনুয়াকে  বিয়ের পর থেকেই অনুপম তাঁর ওপর অত্যাচার করতেন l ফেসবুক সহ কোনও সোশ্যাল সাইটে চ্যাট করা নাকি পছন্দ করতেন না অনুপম l তাঁর প্রিয় বিষয় নাচেও স্বামী বাঁধা দিয়েছিলেন বলে দাবি করে মনুয়া l চাকরি করতেও বাঁধা দেন বলে মনুয়া পুলিশকে জানিয়েছেন l আর এরপরই প্রেমিক অজিতের সঙ্গে মিলে অনুপমকে খুনের ছক করেন মনুয়া lদশ দিনের পুলিশ হেপাজতে অনুপম সিংহ হত্যা মামলায় এমনটাই জানিয়েছে স্ত্রী মনুয়া। মনুয়াদের এই জবাবে সন্তুষ্ট নয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। 










প্রেমিক অজিতের সংসার ভেঙেছেন মনুয়া। বারাসতে অনুপম সিংহ খুনের ঘটনার পর অভিযুক্ত অজিতের ছেড়ে যাওয়া স্ত্রী মুক্তি এমন দাবি করেছেন মুক্তি আরও বলেন, স্বামীকে খুন না করে মনুয়া আমার মত অনুপমকে ছেড়ে দিতে পারত । খুন করে কি লাভ হল । বুধবার প্রাক্তন স্বামী অজিত এবং মনুয়া সর্ম্পকে একথা বলেন মুক্তি । অর্থাত মনুয়ার সঙ্গে অনুপমের বিয়ের অনেক আগে থেকেই ঘনিষ্ট সর্ম্পক ছিল অজিতের । শান্ত স্বভাবের অনুপমের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ আনা মনুয়া বখাটে বেকার এবং সব ধরনের নেশায় অভ্যস্ত অজিতকে কেন পছন্দ করত মনুয়া সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও পায়নি পুলিশ । পুলিশের একাংশের অনুমান, বিয়ের অনেক আগে থেকেই অনুপমকে বিয়ে করে খুন করে সম্পত্তি হাতানোর পরিকল্পনা করে থাকতে পারে মনুয়া ও অজিত ।

অশোকনগরের কয়াডাঙার বাসিন্দা অজিত পরকীয়া,মদ,যৌনপল্লীর নেশায় পটু  থাকলেও কাজ করায় ছিল প্রচন্ড অনিহা এমনটাই দাবি করেছেন অজিতের মা ।অজিতের মা জানিয়েছেন অনুপমকে খুন করার দিন সকালে সে পঞ্চাশ টাকা মায়ের থেকে নিয়েছিল । ওইদিন আর বাড়ি ফেরে নি । পুলিশের দাবি, অনুপমকে খুন করে সোজা যৌনপল্লীতে যায় অজিত । সেদিনের খরচ যুগিয়েছিল মুনিয়া ।অজিত এলাকার দুস্কৃতিদের সঙ্গে মিশে চাকরীর প্রলোভন দিয়ে বেকারদের থেকে টাকা আদায় করত ।এভাবেই চাতুরী করা টাকা দিয়ে চকচকে পোশাক পরত অজিত । দরমা টালির ঘরের ছেলে অজিতের পোশাক দেখে সকলেই বোকা বনে যেত ।পুলিশের বড় কর্তা থেকে মন্ত্রী সকলের সঙ্গে তার ওঠাবসার গালগুপ্পা মারত অজিত ।




মাসতুতো ভাই বিশ্বজিত সরকারের সঙ্গে সর্ম্পক ছিল বন্ধুর মত৷ অনেক কথা বলতে চেয়েও তাঁকে বলে উঠতে পারেন নি শান্ত ও লাজুক স্বভাবের অনুপম৷ তবে গত নয় মাস ধরে স্বামী অনুপমের সঙ্গে মনুয়ার দাম্পত্ব সর্ম্পক ছিল না৷ বেশির ভাগ সময় মনুয়া বাপের বাড়িতেই থাকত৷ দিনে অনুপমের বাড়িতে একাধিক পুরুষ নিয়ে আমোদ প্রমোদ করতো মনুয়া৷ মায়ের মদতে রাতে বাপের বাড়িতে থাকার সুযোগ নিয়ে মাসের পর মাস ফোনে চলত রঙ্গ রসিয়া উত্তেজক কথা বার্তা  ৷এমনকি স্বামী অনুপম সিংহ জন্ম সূত্রে বাংলাদেশী হওয়ায় অনুপমের চাল চলন, খাওয়া পরা এবং রুচি নিয়েও কটাক্ষ করত স্ত্রী মনুয়া৷ বাপের বাড়ি থাকা থেকে স্বামীকে হেও করা সবেতেই মনুয়াকে সঙ্গে দিত মনুয়ার মা৷



এদিকে তদন্তকারী অফিসাররা মনুয়ার ৩ প্রেমিকের খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ৷ অজিত ছাড়াও একধিক পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন মনুয়া৷ অনুপম বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর এক একদিন এক একজনকে বাড়িতে নিয়ে যেতেন মনুয়া৷ সেখানেই চলত হই হুল্লোড়৷এমনকি মনুয়া নাকি তাঁর বেশ কিছু আপত্তিকর ছবি, অর্ধনগ্ন ছবি তাঁর প্রেমিকদের পাঠাতেন৷ যা এর ওর মোবাইলে সম্প্রতি ঘুরেত শুরু করে৷ সেই ছবিই নাকি হঠাত অনুপমের হাতে এসে পড়ে৷ যা নিয়েই দুজনের মধ্যে অশান্তি চরমে ওঠে গত মাসে৷ মনুয়ার বাড়িতে যাতে অনুপম কিছুতেই ওই ছবি না দেখাতে পারেন, সেই চেষ্টাতেই ছিলেন মনুয়া৷অনুপমের ২টি মোবাইল ফোনের খোঁজ পুলিশ এখনও পায়নি৷ ওই ফোনের মধ্যেই কি মনুয়ার সেই সমস্ত ছবি রয়েছে, যা থেকে তাঁদের মধ্যে বচসার সূত্রপাত? আর ওই ফোনের সন্ধান পেলেই কি খুনের কিনারা করতে পারবে পুলিশ, এমন প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে৷








অনুপমের মাসতুতো ভাই বিশ্বজিৎ সরকার জানিয়েছে, মনুয়া বেহিসাবী জীবনে যাপনের জন্য প্রতিমাসে মোটা টাকা ব্যয় করত স্বামী অনুপম। এমনকি গত নয় মাসের বেশির ভাগ সময় বাবার বাড়িতে  অনুপমকে ছাড়া  রাত কাটিয়েছে মনুয়া। এসময় তাদের দাম্পত্য সম্পর্ক ফিকে হয়। বিরক্ত হলেও স্ত্রী মনুয়ার প্রতি কর্তব্য করতে কসুর করেনি অনুপম। নৃত্য শিল্পী, চাকুরিজীবী মনুয়া স্বামীর অর্থ বিত্ত ছেড়ে এইট পাশ, বেকার বকাটে মদ ও যৌনপল্লীতে আসক্ত অজিতকে কেন বেছে নিল ? অনুপমকে কেনইবা খুন করল সেই রহস্য এখনও পুরো পরিস্কার নয় পুলিশের কাছেও । অনুপমের যৌন জীবন এবং বদ মেজাজির কারনেই বিরক্ত ছিল মনুয়া। পাশাপাশি আরও পড়াশোনা করে উজ্জ্বল কেরিয়ার গড়তে চেয়েছিল মনুয়া। মনুয়ার এই ইচ্ছায় বাঁধা ছিল বিয়ে এবং স্বামী অনুপম। এমনটাই পুলিশকে জানিয়েছে মনুয়া। অজিতের আত্মীয় পরিবার এবং বন্ধুদের দাবি , বিয়ে দিয়েছিল মনুয়ার বাবা মা। আর অজিত তো অনুপমের থেকে অনেক বেশি খারাপ। দুষ্কৃতিদের সঙ্গে ওঠাবসা থেকে অশিক্ষিত সব খারাপ গুন অজিতের মধ্যে আছে। এমনকি তারা অনুপমকে মেরে একত্রে সংসার করার চিন্তা ভাবনা শুরু করেছিল বলে পুলিশকে জানিয়েছে। অনুপম খুনের কারণ হিসাবে মনুয়ার দাবিগুলো বিক্ষিপ্ত এবং পরস্পর বিরোধী। অনুপমের বন্ধুদের দাবি, পুলিশকে বিভ্রান্ত করে শুধু অজিতকে ফাঁসিয়ে রাজসাক্ষী হয়ে কম শাস্তির ফন্দি এঁটে থাকতে পারে মনুয়া। এদিকে পুলিশ যতটুকু সংবাদ মাধ্যমকে বলছে সেখানেও খুনের কারণ এবং অনুপমের প্রতি তীব্র আক্রোশের কারণ স্পষ্ট নয়। 









এদিকে  অজিত ও মনুয়ার আঙ্গুলের ছাপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বারাসত আদালত । শুক্রবার বিকেলে অনুপমের বাড়ি থেকে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা নমুনা সংগ্রহ করে। অনুপম সিংহ হত্যাকাণ্ডে এবার অজিত ও মনুয়ার আঙ্গুলের ছাপ নেবে পুলিশ । শনিবার চোদ্দ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি অনুমোদন দিল বারাসাত আদালত । দশদিন পুলিশি হেফাজতের পরে শনিবার বারাসাত আদালতে মনুয়া অজিত কে আদালতে হাজির করায় পুলিশ ।সকাল থেকে আদালত প্রাঙ্গণের সামনেই ছিলেন পাড়ার লোকজন যারা  বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন অভিযুক্ত দের  ফাঁসি চেয়ে । এরপরে সি জে এম সন্দীপ কর্মকারের এজলাসে অভিযুক্তদের   তোলা হলে  পুলিশের আবেদন ক্রমে চোদ্দ দিনের জেল  হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয় অভিযুক্ত মনুয়া অজিতকে ।








No comments:

Post a Comment

Post Top Ad