জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রকাশ্যে বাড়ির উঠোনে রমরমিয়ে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গাড়িতে ভরে দিচ্ছেন গ্রামের এক গৃহবধূ। এমন নজির বিহীন ঘটনা ঘটেছে হাবড়া থানার বেড়গুম পঞ্চায়েতের কৃষ্ননগর মধ্যপাড়া এলাকায়।
প্রতিবেশীদের কেউ কিচ্ছু বলার সাহস দেখান না। কারণ ওই গৃহবধূ এক প্রাক্তন সেনার স্ত্রী।
রাজ্যের বিভিন্ন শহর গ্রামে পুলিশের মদতেই রমরমিয়ে চলে অবৈধ গ্যাসের ব্যাবসা।রান্নার সিলিন্ডার গ্যাস থেকে গাড়ির সিলিন্ডারে গ্যাস ভরার মেশিনও বিক্রি হয় বাজারে। পুলিশ প্রশাসন এসব দেখেও দেখেন না। এই ব্যবসা মুলত এলাকার ডাকাবুকো ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায়
থাকা সমাজ বিরোধীরা করে থাকেন। কারণ, পুলিশকে খুশি না করে এই ব্যবসা করা যায় না।
এই প্রথম বাংলার কোনও গৃহবধূ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাটা গ্যাসের ব্যবসা করতে দেখা গেল। উত্তর চব্বিশ পরগনার হাবড়া থানার বেড়গুম পঞ্চায়েতের কৃষ্ননগর মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা অবসর প্রাপ্ত সেনাকর্মী গোবিন্দ সরকারের স্ত্রী বন্ধনা সরকার এই ব্যাবসা করেন নিজের বাড়িতে। যা পুরোটাই অবৈর্ধ। গ্যাস নিজে দিলে ৯৫০ টাকা করে নেন। আর যদি গাড়ির মালিক গ্যাস নিয়ে আসে তাহলে কারেন্টের মটরের সাহায্যে ভরে দিয়ে পার গ্যাসের সিলিন্ডার ৬০ টাকা করে নেন।
স্বামী গোবিন্দ সরকার বর্তমানে কলকাতার একটি বেসরকারি কম্পানিতে কর্মরত। জানাগেছে বন্দনা সরকারের মত কাটা গ্যাস ব্যবসায়ীদের জন্যই রান্নার গ্যাস পেতে দেরি হয়। এমনকি এই কাজে যখন তখন বড়োসড়ো বিপদ হতে পারে। সুএ মারফত যানা গেছে পুলিশকে মাসোহারা দিয়েই এই কাজ হয়। উত্তর চব্বিশ পরগনায় শতাধিক কাটা গ্যাসের ব্যবসা করছেন বেআইনী ব্যবসায়ীরা।
পুলিশ আর কতদিন এই অবৈধ ব্যবসায় মদত দেবে এখন সেটাই দেখার ।
No comments:
Post a Comment