হস্তমৈথুন থেকে মুক্তি লাভের উপায় - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 28 June 2017

হস্তমৈথুন থেকে মুক্তি লাভের উপায়

 Image result for masturbation




হস্তমৈথুন বর্তমানে যুবকদের সবচেয়ে বড় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। এই সমস্যার জন্য ব্যক্তির থেকে সমাজ বেশি দায়ী । বর্তমান পুঁজিবাদী সমাজ 'Late Marriage ' কে বেশি গুরুত্ব দেয়ায় এই সমস্যা আরো প্রকট হয়েছে। 

 BRAIN SCIENCE OF MASTURBATION :

" মানুষের Main Sex Organ কোনটি ?" এই প্রশ্নের উত্তরে বেশিরভাগ মানুষই বলবে- " পুরুষাঙ্গ ও স্ত্রীর যৌনাঙ্গ " । এই উত্তরটা ভুল । মানুষের প্রধান Sex Organ হল মানুষের মস্তিষ্ক । কারণ মস্তিষ্কের কিছু Neurotransmitter মানুষের ' Sexual Process ' এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

যখন একজন ব্যক্তি হস্তমৈথুন করতে উদ্যত হয় তখন সে "Funnel Of Sexual Process" এর মধ্য দিয়ে যায়। । হস্তমৈথুন করার জন্য সে যৌন উত্তেজক কিছু দেখে বা কল্পনা করে। যৌন উত্তেজক কিছু দেখা বা কল্পনা করার ফলে তার শরীরে ' Testosterone ' এর নিঃসরণ বেড়ে যায় । ' Testosterone ' ব্যক্তিকে Sexually arouse করে এবং তাকে এই ফানেলে ঢুকিয়ে দেয়।

এরপর শক্তিশালী কিছু Neurochemicals নিঃসরিত হয় ব্রেনে। যেমন-Dopamine ,Endorphins । এখানে Dopamine হল একধরনের নিউরোট্রান্সমিটার আর এর কারণেই আমরা 'Sexual Plesure ' অনুভব করি। মূলত Dopamine এর কারণেই মানুষে হস্তমৈথুনে নেশাগ্রস্থ হয় ।

ব্যক্তি যখন ফানেলে প্রবেশ করে তখন এই কেমিক্যালগুলো ব্রেনে নিঃসরিত হয় আর এই কেমিক্যালগুলোর উদ্দেশ্য হল ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ উত্তেজনার অবস্থায় পৌঁছানো অর্থাৎ Orgasm । এই কেমিক্যালগুলো খুবই পাওয়ারফুল আর এই কারণেই যখন ব্যক্তি ফানেলের গভীরে চলে যায় তখন সে যেকোন উপায়ে Orgasm করতে চায় ,বলা যায় এই কেমিক্যালগুলো ব্যক্তিকে এই কাজ করতে বাধ্য করে।

উদাহরণ হিসেবে Dopamine এর কথা বলা যায় । Dopamine এর অন্যতম কাজ হল যৌনসংগীর উপর ব্যক্তির মনোযোগ বৃদ্ধি করা ও অন্যান্য বিষয়ের উপর থেকে মনোযোগ সরিয়ে নেয়া। অর্থাৎ এটা আপনার ব্রেনকে যৌক্তিকভাবে অন্যান্য বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে বাধা দেয় এবং ব্যক্তিকে Orgasm এ পৌঁছাতে ব্যস্ত রাখে। আর এই কারণে যখন কেউ "Funnel Of Sexual Process" এর খুব ভিতরে ঢুকে পড়ে তখন যুক্তি খুব ধীরে কাজ করে।

এই নেশা থেকে মুক্তি পাবার কিছু উপায় ---

 বিয়ে :
 বিয়ে ব্যতীত হস্তমৈথুনের অন্য কোন 'Quick Cure' নেই। বলা যায় বিয়েই একমাত্র উপায় যা কিনা একজন পুরুষকে হস্তমৈথুনের নেশা থেকে পুরোপুরি মুক্তি দিতে সক্ষম।

দৃষ্টি সংযত রাখা :
এই বিষয়ে অনেকে যুবকই অসচেতন । একটা কথা আপনাকে মনে রাখতে হবে যে 'Sincerity ' ছাড়া কখনোই আপনি এই নেশা থেকে মুক্তি পাবেন না। আর 'Sincerity ' এর পরীক্ষায় আপনাকে পাশ করতে হলে অবশ্যই যখন আপনাকে আপনার দৃষ্টিকে সংযত রাখতে হবে। অনেকে আছে যারা বেগানা নারীর দিকে এক নজরে তাকিয়ে থাকে হোক তা বাস্তবে বা টিভিতে অথবা কম্পিউটার স্ক্রিনে।

কোন মেয়েকে একনজরে দেখার পর আপনার প্রধান Sex Organ ব্রেন , ইনপুট হওয়া ডাটা এনালাইজ করা শুরু করে । যেহেতু আপনি বিপরীত লিংগকে দেখেছেন সেহেতু আপনার শরীরে অল্প হলেও 'Testosterone ' নিঃসরিত হবে , কতটা নিঃসরিত হবে তা নির্ভর করে ডাটার আকর্ষণীয়তার উপর । আর এইভাবেই যদি আপনি কয়েকজনকে দেখেন তাহলে আপনার ব্রেন সেই ইমেজগুলো অল্পসময়ের জন্য হলেও সেভ করে রাখবে আর এই ইমেজগুলোই আপনার অন্তরে লুকিয়ে থাকা কামনাগুলোকে জাগ্রত করে দিবে এবং আপনার শরীরের সেক্সুয়াল মোড অন করে দিবে যার ফলাফল হতে পারে হস্তমৈথুন।

তাই অশ্লীল মুভি , পর্ণগ্রাফী, অশ্লীল অনুষ্ঠান ও বেপর্দা নারীদের দিকে দৃষ্টিপাত করা থেকে আপনাকে বিরত থাকতে হবে নাহলে হস্তমৈথুন থেকে মুক্তি লাভ করা আর আকাশ-কুসুম কল্পনা করা একই কথা হবে।


 অবাধ মেলামেশা:

অবাধ মেলামেশাও পুরুষের সেক্সুয়াল মোড অন করে। পুরুষ যখন কোন নারীর সাথে ইন্টারেকশন করে তখনও তার শরীরের ভিতর 'Testosterone ' নিঃসৃত হয় এবং তাকে সেই নারীর সাথে সঙ্গম করার জন্য প্রস্তুত করে।
আর 'Testosterone ' নিঃসরণের লেভেল যদি high হয় তাহলে ব্যক্তি Orgasm এর প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভব করে। তাই অবাধ মেলামেশা থেকে আপনাকে বিরত থাকতে হবে।


 বন্ধু নির্বাচন :
 খারাপ চরিত্রের বন্ধুদের সাথে মেলামেশা একেবারেই কমিয়ে দিতে হবে। আপনার ৫ জন বন্ধুর মধ্যে যদি ৪ জনই সেক্স এডিক্ট হয় , তাহলে আপনার সেক্স এডিক্ট হবার পসিভিলিটি খুব বেশি।



হস্তমৈথুনের নেশা থেকে মুক্তি পাবার জন্য আপনাকে টাইম ম্যানেজমেন্ট করা শিখতে হবে। আর কলকব্জার ঘড়ি দেখে টাইম  ম্যানেজ করলে হবে না বরং টাইম ম্যানেজ করতে হবে আপনার বায়োলজিক্যাল কন্ডিশন অনুযায়ী । এই বিষয়েই আমি আলোচনা করব  ।

Biological Body Clock  ও টাইম ম্যানেজমেন্ট : 

আমাদের শরীরে একটা বিল্ট-ইন ঘড়ি আছে যা আমাদের  Physically , mentally   এবং behaviourally প্রভাবিত করে। একে 'Internal Biological time-keeping system '  বলে। আমাদের ব্রেনের হাইপোথ্যালামাসে    Suprachiasmatic nucleus (SCN)  নামক একটা অংশ আছে । এই অংশটিই মূলত আমাদের ইন্টারনাল ক্লককে নিয়ন্ত্রণ করে।

যেমন- Body Clock অনুযায়ী  সন্ধ্যা ৭টায় আমাদের শরীরের তাপমাত্রা সর্বোচ্চ হয়, আবার ভোর ৪ টা ৩০ মিনিটে তাপমাত্রা সর্বনিম্ন  হয়ে যায় । এইভাবে Body Clock এর  পুরো ২৪ ঘন্টার  একটা চার্ট আছে যেখানে প্রতি ঘন্টায় আমাদের শরীরের রক্তচাপ কিরকম থাকে, ব্লাড প্রেসার কেমন থাকে, হরমোনাল ব্যালেন্স কেমন থাকে ইত্যাদি বর্ণনা করা থাকে। 

তেমনিভাবে Body Clock  অনুযায়ী একটা নির্দিষ্ট সময় পুরুষের যৌন উত্তেজনা খুব বৃদ্ধি পায় । এই ঘটনাটা কখন ঘটে তা আপনার জানতে হবে এবং সেই সময় খুব সর্তক থাকতে হবে কারণ এই সময়টাতে হস্তমৈথুন করার পসিভিলিটি বেড়ে যায় ।  আর এই সময়টা হল সকাল ৮টা থেকে  ৯ টা । কারণ এই সময় পুরুষের যৌন হরমোন Testosterone এর নিঃসরণ বেড়ে যায় ।

 স্পার্মের সংখ্যাও বেড়ে যায় এই সময় । এছাড়া রাতে বিশ্রাম নেওয়ার কারণে পুরুষাঙ্গে Blood Circulation বেড়ে যায় ফলে সকালের এই সময়টাতে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ  Sexuallu arouse হয় ।

সেক্স থেরাপিস্টরা সকালের এই  সময়টাকে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করার  সেরা সময় বলে চিহ্নিত করেছেন। কারণ হল এই সময়ই পুরুষ সবচেয়ে বেশি Horny হয়ে যায় অর্থাৎ পুরুষের Sexual Urge খুব পাওয়ারফুল হয়।

সেক্স থেরাপিস্ট Arlene Goldman এই সম্পর্কে বলেন  --

" Many men are at their horniest first thing in the morning. "

আর এইজন্যই সকালে একজন পুরুষ একটা তীব্র চাপ অনুভব করে এবং তার শরীর তাকে Ejaculate (বীর্যপাত )  করতে  তীব্র ভাবে  Force করে অসতর্কতার কারণে যার ফলাফল হতে পারে   হস্তমৈথুন ।

সকালের এই ঘটনা কিন্তু সব বয়সের  পুরুষদের হয় না। মূলত যারা মাত্র বালেগ হয়েছে বা যাদের বয়স ১৬ এর কম তারা  এই চাপটা অনুভব করে না বা খুব কম করে । কারণ হল অল্প বয়সে  Testosterone এর নিঃসরণ কম হয় ।  পুরষের দেহে Testosterone  এর নিঃসরণের  পরিমাণ বয়সের সাথে সাথে বাড়তে থাকে এবং ৩০ বছর বয়সের পর  প্রতি বছর ২% করে এই হরমোনের উৎপাদন কমতে থাকে।

 ১৭-১৮  বছর হলেই একজন  ছেলে Danger Zone এ প্রবেশ করে।

আর  ছেলেরা যখন এই জোনে প্রবেশ করে তখন  হঠাৎ এই চাপ অনুভব করে, ফলে অনেকেই ঝামেলায় পড়ে গিয়ে হস্তমৈথুনের পথটাকেই বেছে নেয় ।

এখানে আরেকটা বিষয় বলা দরকার যে, অনেকে আবার সকালের এই সময়টাতে প্রেসার অনুভব করে না কারণ তাদের বডি ক্লক ন্যাচারালি কাজ করে না। যেমন ধরুন কেউ যদি সারা রাত জাগে তাহলে সকালে তার ব্রেন খুব ক্লান্ত হবে , তখন  ব্রেনের প্রধান কাজ হবে শরীরকে বিশ্রাম দেয়া । রাত জাগার কারণে হরমোনের ভারসাম্যহীনতাও দেখা দেয় , ফলে সকালে সে এই প্রেসারটা পায় না আর এইসব কারণে রাত জাগাও ঠিক না । কিন্তু অন্য একটা সময় এই প্রেসারটা  ঠিকই উঠে আর সে সময়টা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হয় রাতে।












সকালবেলার এই সময়টা (অথবা যে সময়টাতে আপনি নিয়মিত প্রেসার অনুভব করেন সেই সময়টা )


  • একা কাটাবেন না   
  • এই সময়টা ভাল বন্ধুদের সাথে কাটাতে পারেন  ,
  • খেলাধুলা করতে পারেন  ,
  • আর যদি একাই থাকতে হয় তাহলে ভালো বই পারেন। কিন্তু এই সময়টাতে একাকী থেকে অন্য কিছুতে মনোযোগ দিতে পারবেন  না কারণ আপনার ব্রেন আপনাকে Ejaculate করতে  ফোর্স করবে । কিন্তু বন্ধুদের সাথে থাকলে ব্রেনকে অন্যান্য কাজে মনোযোগ দিতে হবে ফলে  Ejaculation এর দিকে  ব্রেনের ফোকাসিং কমে যাবে আর আপনি প্রেসারটা টেরই পাবেন না!  
যদি আপনি দুঃশ্চিন্তাগ্রস্থ হন ,কোন বিষয় নিয়ে যদি Depression এ থাকেন তাহলে আপনি হয়তো হস্তমৈথুন করতে উদ্যত হতে পারেন।এছাড়ারাতে ঘুমানোর সময় পুরুষদের  যৌনাঙ্গ কয়েকবার erected হয়। একে বলা হয় 'Nocturnal Penile Tumescence' । এই erection এর কারণেও অনেকে উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং হস্তমৈথুন করে।    তাই রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়াই ভাল হবে আপনার জন্য।  

একটা কথা মনে রাখবেন , যেভাবেই হোক  ৮টা  থেকে ১০টা -এই সময়টাতে নিজেকে অন্য কোন কাজে ব্যস্ত রাখবেন ।




হস্তমৈথুন ও Diet Meal Plans: -

কিছু কিছু খাদ্য দ্বারা আমাদের Libido (desire for sexual activity )  নিয়ন্ত্রিত হয় । এই বিষয়ে Cynthia Sass (author of S.A.S.S Yourself Slim)  বলেন --

"Studies show that certain foods or nutrients do play a role in boosting libido and supporting a healthy sex life." [1]

 যেসব খাবার Libido বাড়ায় তাদের বলা হয় Aphrodisiac Foods বলে। Aphrodisiac Foods   মানুষের  Libido  বাড়াতে সাহায্য করে, এই জন্য একে Foods of Love ও বলা হয়  । অপরদিকে  Anti-aphrodisiac বা Anaphrodisiac Foods মানুষের  Libido   কমাতে সাহায্য করে । তাই আপনার ফুড প্ল্যানে যদি Aphrodisiac Foods বেশি থাকে তাহলে আপনার Sexual Urge ঘন ঘন হতে পারে এবং পাওয়ারফুলও হতে পারে। তাই হস্তমৈথুন রোধে আপনাকে একটা ব্যালেন্সড ডায়েট মেনে চলতে হবে যেখানে Aphrodisiac Foods  এর পরিমাণ অতিরিক্ত হবে না ।

Anti-aphrodisiac foods গুলো আমি খেতে বলব না কারণ এইগুলোর খারাপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে।তাই এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভাল হয় যদি   Aphrodisiac Foods  খাওয়া কমিয়ে দেয়া হয়  । আমি কিছু Aphrodisiac Foods এর নাম বলছি ব্যাখ্যাসহ এবং  Anti-aphrodisiac এর সম্পর্কেও কিছু তথ্য দিব ।

Aphrodisiac Foods :-

Fruits:-

Watermelon (তরমুজ ) :- 

তরমুজের একটা টুকরো sweet libido-booster হিসেবে কাজ করতে সক্ষম । Texas A&M  Fruit and Vegetable improvement Center এর রিসার্চাররা ২০০৮ সালে  এক আর্টিকেলে বলেন যে, তরমুজের কিছু উপাদান আছে যা মানুষের শরীরে Viagra- like effects  দিতে সক্ষম।  তরমুজ একধরণের Phytonutrient  উপাদান ধারণ করে যার নাম হল Citruline । এই Citruline  কে আমাদের শরীর  arginine নামক অ্যামিনো এসিডে কনভার্ট করে । আর এই arginine আমাদের শরীরে নাইট্রিক এসিডের লেভেল বাড়ায় যার ফলে আমাদের Blood vessel গুলো relaxed হয় ।আর Viagra মেডিসিনও এই একই পদ্ধতিতে কাজ করে থাকে।

তাই যখন এই ফলের সিজন আসবে তখন অবিবাহিতদের জন্য এই ফলটা একটু কম খাওয়াই ভাল হবে।

Mango (আম ) :-

Vitamin E এর ভাল প্রাকৃতিক উৎস হল  আম । এই Vitamin E কে বলা হয় sex vitamin । এইজন্য আম হল একটা Aphrodisiac Fruit ।

Banana (কলা ) :- 

কলা হল B-group Vitamin ও পটাশিয়ামের দারুণ উৎস। এই দুটি পুষ্টি উপাদান  সেক্স হরমোন প্রোডাকশনে ব্যবহৃত হয় । এছাড়া কলা 'Bromelain ' নামক এনজাইম প্রডুস করে , ধারণা করা হয় এই এনজাইম  male  libido বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

Apple (আপেল) :-

  আপেলে  'Quercetin' নামক  একধরনের antioxidant থাকে ।'Quercetin' এর কারণেই একে  Aphrodisiac Fruit  বলে গণ্য করা হয়। এছাড়া বেরি , কাল-আংগুর , চেরিতেও 'Quercetin' থাকে ।

Animal-Based Protein:-

Egg (ডিম) :-

ডিম হল হাই প্রোটিনযুক্ত খাদ্য। আর প্রোটিন Aphrodisiac  effect  বাড়ায় ।    এছাড়া  ডিম হল L-arginine নামক অ্যামিনো এসিডের ভাল উৎস । আর এই  L-arginine  যৌন রোগ erectile dysfunction  এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় ।

তাই বিবাহিত ভাইয়েরা বেশি বেশি ডিম খান আর অবিবাহিতরা ডিম খাওয়া কমিয়ে দিন ।

Meat (মাংস ) :-

বিফ ও চিকেনে Carnitine  ও L-arginine  নামক অ্যামিনো এসিড থাকে আর থাকে জিংক । Carnitine  ও L-arginine রক্তপ্রবাহ ইম্প্রুভ করে  এবং সেক্সুয়াল Function এর জন্যও এরা গুরুত্বপূর্ণ । জিংকও সেক্সুয়াল Function  এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

Vegetables:-

Tomato (টমেটো :-

Love Apple নামে পরিচিত টমেটোতে প্রচুর ভিটামিন-এ থাকে । আর এই ভিটামিন-এ টেস্টোস্টেরন উৎপাদনে Vital Role পালন করে।

Carrot (গাজর):-

গাজরকে ভায়াগ্রার ভেজিটেবিল ভার্সন  বলা যায়।কারণ  গাজরে ভিটামিন-এ ও ভিটামিন-ই দুইটাই থাকে  যা সেক্স  হরমোনকে পজিটিভলি ইফেক্ট করে থাকে ।

Chilies (মরিচ ) :-

মরিচে থাকা  Capsaicin  হার্টবিট বাড়ায় এবং endorphin রিলিজ করতে সাহায্য করে যা কিনা  Libido  বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে ।

Others:-

Honey (মধু) :-

মধুতে প্রচুর ভিটামিন-বি থাকে যা টেস্টোস্টেরন উৎপাদনের জন্য প্রয়োজন হয়।

Garlic (রসুন ) :-

রসুনে  ' Allicin '  নামক পদার্থ থাকে । ' Allicin ' সেক্সুয়াল অর্গানগুলোতে রক্তপ্রবাহ বাড়ায়  যা কিনা  Libido বৃদ্ধিতে সহায়ক ।

এছাড়া আরো Aphrodisiac Foods আছে। আমি শুধু যেগুলো সহজলভ্য সেগুলোর নামই উল্লেখ করেছি ।

Anti-Aphrodisiac Foods  :-  

প্রাচীন যুগ থেকেই Anti-Aphrodisiac   এর খোঁজ শুরু হয়ে ছিল । মধ্যযুগে যৌন চাহিদা কমানোর জন্য সাধুরা Chaste Tree এর Berry খেত ।যদিও এখন Anti-Aphrodisiac  হিসেবে এটা ব্যবহৃত হয় না।

বেশির ভাগ Anti-Aphrodisiac  এর ব্যাড ইফেক্টস আছে কিছু ।কারণ কিছু  Anti-Aphrodisiac  টেস্টোস্টেরনের লেভেল একেবারে  কমিয়ে দেয় ।আর টেস্টোস্টেরন পুরুষের দেহ গঠনে ও রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেমে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। Anti-Aphrodisiac Drug এর কাজ হল ভায়াগ্রার বিপরীত যাকে Anti-Viagra বলা হয় । আর এই ড্রাগগুলো সাধারণত জেলে থাকা  বন্দীদের দেয়া হয়  যাতে বন্দীদের যৌন উত্তেজনা প্রশমিত হয় ।এছাড়া যাদের Over-active Sexual Drive আছে  তারাও ডাক্তারের পরামর্শে এই ধরনের ড্রাগ  নিয়ে থাকেন।

আমি শুধু দুইটা পয়েন্ট দিব Anti-Aphrodisiac সম্পর্কে --

১) Rice :- ভাত খাওয়ার  মাধ্যমে টেস্টোস্টেরনের লেভেল কমানো যায় ।[2]  কারণ ভাতে ফ্যাট কম থাকে ।  আর এর  সাইড ইফেক্টসও নেই ।   

২) Green and Yellow Vegetables :- সবুজ এবং হলুদ শাক-সবজিও  ভাল Anti-Aphrodisiac হিসেবে কাজ করে ।

ডায়েট যেভাবে করবেন :- 

Aphrodisiac Food গুলোর বড় লিস্ট দেখে হয়তো অনেকে ভাবছেন  যে, "আরে ভাই সব খাবারের নামই তো দিয়ে দিলেন ? তাহলে আমরা খাব টা কি ? "

আসলে আমি Aphrodisiac Food  খেতে নিষেধ করি নি। আমি বলতে চাচ্ছি যে আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যেন Aphrodisiac Food গুলো কম থাকে। যেমন ধরুন--কেউ সকালে পুরো অর্ধেক একটা তরমুজ খেয়ে টিফিন করল, দুপুরে চিকেন খেল , বিকালের  টিফিনে কলা ও আম খেল , আবার রাত্রে বিফ ও ডিম খেল! তাহলে  এটা হয়ে যাবে  Aphrodisiac Based  Diet Plan ।তাই  আপনাকে যেটা করতে হবে সেটা হল প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই ধরনের খাবার কমিয়ে রাখা  ,একেরবারেই ছেড়ে দিতে হবে এমন কোন কথা নেই। কারণ Aphrodisiac  খাদ্যগুলোর মধ্যে কিছু আছে যা স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভাল ।

আর সবচেয়ে ভাল হয় Plant Based Diet করলে । কারণ গবেষণায় দেখা যায় যে , Plant Based Diet মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা  বাড়ায় । তাই শাক-সবজি বেশি খাবেন আর Animal-Based খাদ্য যেমন - বিফ ,চিকেন এগুলো কম খাবেন।

আর আপনি যদি হস্তমৈথুন থেকে একেবারেই মুক্তি পেয়ে যান তাহলে এই ডায়েট Plan  স্ট্রিকলি ফলো করার দরকার নেই ।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad