নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: তৃণমূল রাজ্যে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করছে বললেন বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার বারাসতে এসে বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বলেন, চাই’।মুখ্যমন্ত্রী হল্যান্ড থেকে ফিরে রথযাত্রার শুভেচ্ছা না জানিয়ে সোজা ঈদ মুবারক জানিয়েছেন,নামাজ পড়েছেন।জয় বন্দ্যোপাধ্যায় একজন ব্রাহ্মণ পরিবারের পুত্র,তিনি সংখ্যালঘু পাড়ায় বড় হয়েছেন কিন্তু তিনি তো কোনোদিনই নামাজ পড়তে যান না।জয় বলেন, মা একটা হয়,বাবা একটা হয় তেমননি ধর্মও কিন্তু একটা হয়।সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরা তো আমাদের পূজোর অঞ্জলি দিতে আসেন না ফলে আমরা কেন নামাজ পড়ব?মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন ব্রাহ্মণ পরিবারের সদস্য হয়ে তিনি ইফতার করছেন,নামাজ পড়ছেন এসব মেনে নেওয়া যায় না। পাশাপাশি সরস্বতী পূজো বন্ধ,মুর্শিদাবাদে রথযাত্রা,দুর্গা ঠাকুর ভাসান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।সব জেনেও মুখ্যমন্ত্রী চুপ; প্রশাসন নিশ্চুপ।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সব রীতি-রেওয়াজ, নিয়ম-কানুন মেনে চলছেন।ফলে জনগণের কাছে খুবই পরিষ্কার তৃণমূল সাম্প্রদায়িক বিভেদ ও জাতিগত বিভেদ তৈরি করেছে।বিজেপি নয়। সমস্ত সম্প্রদায়,পার্টি থেকে শুরু করে জেএনএলএফ ও হারখাবাদও এখন একই ছত্র ছায়ায়।কিছু দিনের মধ্যে দেখা যাবে জঙ্গলমহলেও ঝামেলা শুরু হয়ে গেছে। তখন আবারও তৃণমূল সংকটে পড়বে।ফলে এক এক করে সব জায়গাতেই তৃণমূল সংকটের মুখে পড়ছে।আর তার থেকে বাঁচতে গেলে,পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে,হাসাতে গেলে ‘মোদী সরকারকে’ চাই।‘বিজেপিকে চাই’।
তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সিপিএম চলে যাওয়ার যে প্রতিচ্ছবি দেখা গিয়েছিল তার ঠিক একই প্রতিচ্ছবি দেখা যাচ্ছে বর্তমানে।‘তৃণমূল যাচ্ছে বিজেপি আসছে’।দার্জিলিং এর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দার্জিলিংএ গিয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে যে ভাগাভাগি করেছেন, ফলে সম্প্রদায় যে কটা দলে ভাগ দেখা যাচ্ছে তা সব এখন একটাই ছাতার তলায় ‘গোর্খাল্যান্ড’।দার্জিলিঙকে হাসতে বললে,দার্জিলিং এখন কাঁদছে।মুখ্যমন্ত্রী যাকে পাহাড় সামলানোর দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলেন তিনি সভাতেই বিভিন্ন আর্টিস্ট নিয়ে আসার কাজে দক্ষ।কারণ তিনি যাত্রাটাই ভালো পারেন।তিনি দার্জিলিংএর মতোন স্পর্শকাতর জিনিস দেখেন নি কোনোদিনও।জয় বলেন,তৃণমূলের অপদার্থতার জন্যই দার্জিলিং জ্বলছে।পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ‘সব কে সাথ সবকে বিকাশ’। মোদীজির বার্তাকে অনুসরণ করে বিজেপি ১২৫ কোটি জনগণের উপকার করার ধর্মে নেমেছেন।বিজেপি পিছিয়ে পড়া মানুষদের এগিয়ে নিয়ে আসার কাজে উন্মুগ্ধ হয়েছেন।
Read in English translator...
No comments:
Post a Comment