নবদ্বীপে কসাইখানা হতে চলেছে।বিভিন্ন তীর্থস্থানের পাশে কিভাবে
কসাইখানা হতে পারে?তার অনুমতি কিভাবে রাজ্য সরকার দেন?এই নিয়ে ওখানকার স্থানীয়
লোকেরা খুবই চিন্তিত।মন্দিরে যারা পুরোহিত তারাও খুব চিন্তিত এই বিষয়ে।এর মধ্যে তারা
বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।তারা আন্দোলনও শুরু করেছে।কসাইখানা তৈরির ব্যাপারে
রাজ্য সরকারের অন্য জায়গায় অনুমতি দেওয়া উচিত।কিন্তু কোথায় দেবেন সেটা তাঁরা ভাবুন!যদি
তা না হয় তাহলে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের যা পরিস্থিতি, তার থেকে আরও ব্যাপকতম হবে
ভবিষ্যতে।চরম অশান্তির সৃষ্টি হবে।কসাইখানা নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের
কড়া হুঁশিয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
পাশাপাশি সেই একই বিষয়ে বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়
বলেন, নবদ্বীপে তিন কোড়ি ঘোসাই নামে এক বৈষ্ণব এর সমাধিস্থলে এবং তাঁর আশ্রমের
পাশে তৃণমূল কাউন্সিলর ও পৌরসভা মিলে এক কসাইখানা তৈরি করছে।সেখানকার
সাধু,মহারাজরা এ বিষয়ে জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নালিশ করেছিলেন।এছাড়াও ডিএম এর কাছে
গিয়েও নালিশ করেছিলেন।তাদের দাবী, যেখানে বৈষ্ণবধর্ম পালন করা হয়,আমিষ খাওয়াই হয় না
সেখানে কিভাবে কসাইখানা তৈরি করা হচ্ছে?জয় বলেন, উত্তরপ্রদেশে কসাইখানা বন্ধ হয়ে
যাওয়ার দরুণ পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় কসাইখানা তৈরি করা হচ্ছে।বাদুড়িয়াতে
কয়েকজন মুসলমান যেমন ঝামেলা করেছিল ঠিক তেমনি কিছু সংখ্যালঘুরা হিন্দুদের ডেকে
বাড়িতে রান্না করে খাইয়িছে।তিনি বলেন,তিনি সংখ্যালঘু অঞ্চলে বড় হয়েছেন,তাঁর গাড়ির
চালকও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের।কিন্তু তারা যুদ্ধ,ঝামেলা চায় না তারা শান্তি চায়।তিনি
আরও বলেন,যে সমস্ত সংখ্যালঘুরা ঝামেলা করছে তারা সবাই বিদেশী মদতে পুষ্ট।তাদের
ব্রেন ওয়াশ করানো হচ্ছে।জয় বাঙালি হিন্দু,মুসলিমদের আহ্বান করে বলেছেন, বাঙালি
হিন্দু,মুসলিমরা ভ্রাতৃত্ববোধ,শান্তি বজায় রেখে,পশ্চিমবঙ্গকে উন্নতি করার জন্য এক
হোন।পাশাপাশি মোদীজির ‘সবকা সাথ,সবকা বিকাশে’ অংশগ্রহণ করুন।
No comments:
Post a Comment