তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, কালো, সাদা সন্তান হলে মা যেমন সাদা সন্তান খেতে দিলে কালো সন্তানকেও খেতে দেন, তার মধ্যে যেমন ভেদাভেদ নেই ঠিক তেমনি হিন্দু মুসলিমের মধ্যেও নেই। তিনি ধর্ম নিয়ে বলেন,কেউ কোরাণ পড়েন, কেউ এিপিটক পড়েন,কেউ মহাভারত পড়েন, কেউ বাইবেল পড়েন। রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ, রাধাকৃষ্ণ, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু, নজরুল ইসলাম সকলেই এই মাটিতে জন্ম নেন ফলে সব ধর্মই সমান। তিনি ঈদের প্রসঙ্গ টেনে বলেন,ঈদ, বকরি ঈদ সারা পৃথিবীর উৎসব কিন্ত আমাদের জাতীয় উৎসব দূর্গাপূজা তবে এখন তা বিশ্ব পুজোয় পরিনত হয়েছে। এরপর আসবে ছট পূজো, কালীপুজো। আর মহরম নিয়ে বলেন, দিন বিসর্জনের দিন এক হলে তাঁর কিছু করার নেই । আমরা গত ৫ বছর ধরে বকরি ঈদ ও দুর্গাপূজো একসঙ্গে পালন করেছি। মহরম দুখের আর দূর্গাপূজা আনন্দের।তিনি বলেন, দশমীর দিন সিঁদুরখেলা হবে, বিজয়া করবেন কিন্ত একাদশীতে বিসর্জন করা হয়না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন একটা দিন ওদেরকে ছাড়তে অথাৎ মহরম দিন নিয়েই বলেন তিনি। পূজো ও মহরম একসঙ্গে হবে তবে গণপতি, মহরম একসঙ্গে পূজো হয় না মহারাষ্ট্রতে।তিনি উচ্চস্বরে গর্ববোধ করে বলেন, একমাত্র যা পশ্চিমবঙ্গে পালন করা হয়। তিনি বলেন, একারণে কোনো দাঙ্গা যাতে না হয় তা দেখার দ্বায়িত্ব তাঁর (মুখ্যমন্ত্রীর) ।
পাশাপাশি নাম না করে বিজেপিকে একহাত নিয়ে বলেন, যাদের কাজ দাঙ্গা লাগানো, দেশলাই কাঠি জ্বালানো তারা তো জ্বালাবেই। তিনি বলেন, ভেদাভেদ নিয়ে চক্রান্ত না করে মহরমকে মানতে। উদাহরণ দিয়ে বলেন নানা ধরনের কালীপুজো করা হয় এমনকি লক্ষ্মীপূজোর দিনেও আমরা কালীপুজো করি তাহলে একটা দিন মুসলিমদের জন্য ছাড়লে কি এমন যায় আসবে।



No comments:
Post a Comment