মুর্শিদাবাদের নশীপুরের জঙ্গলী কালী বয়স ৫০০ বছর অনেক আগেই পেড়িয়েছে। গোটা এলাকা এখনও গা ছমছমে ভাব। জঙ্গলের মাঝে ছিল মায়ের মন্দির বছর ৩০ আগেও জন বসতি ছিল না এই এলাকায়।এখানে কালী মায়ের কোন মুর্তি নেয়। এর পেছনে রয়েছে এক প্রাচীন কাহিনী। প্রাচীন কালে এই দেবীকেই পুজো করে ডাকাতি করতে বেড়োত ডাকাত দল। কথিত আছে একবার ডাকাত দল ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে কালী মাকে বলেন ব্যার্থ হলে তোকে এসে শাস্তি দেব। তখনই মা রাগে গিয়ে সেখন থেকে পাশের একটি কুয়োতে ঝাপ দেয়। কিন্তু তার পায়ের ছাপ থেকে যায় বেদিতে। প্রাচীন কালের সেই পায়ের ছাপ আজও বর্তমান। সেই পদযুগলকেই পুজো করা হয় কয়েকশো বছর ধরে।প্রাচীন কালে এখানে নরবলি দেওয়া হত। পুজো উপলক্ষে বাংলা ও বাংলার বাইরে থেকে মানুষরা এখানে আসেন মায়ের পুজো দেখতে। এছাড়াও শনি ও মঙ্গলবার বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয় এই প্রাচীন মন্দিরে।
মুর্শিদাবাদের নশীপুরের জঙ্গলী কালী বয়স ৫০০ বছর অনেক আগেই পেড়িয়েছে। গোটা এলাকা এখনও গা ছমছমে ভাব। জঙ্গলের মাঝে ছিল মায়ের মন্দির বছর ৩০ আগেও জন বসতি ছিল না এই এলাকায়।এখানে কালী মায়ের কোন মুর্তি নেয়। এর পেছনে রয়েছে এক প্রাচীন কাহিনী। প্রাচীন কালে এই দেবীকেই পুজো করে ডাকাতি করতে বেড়োত ডাকাত দল। কথিত আছে একবার ডাকাত দল ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে কালী মাকে বলেন ব্যার্থ হলে তোকে এসে শাস্তি দেব। তখনই মা রাগে গিয়ে সেখন থেকে পাশের একটি কুয়োতে ঝাপ দেয়। কিন্তু তার পায়ের ছাপ থেকে যায় বেদিতে। প্রাচীন কালের সেই পায়ের ছাপ আজও বর্তমান। সেই পদযুগলকেই পুজো করা হয় কয়েকশো বছর ধরে।প্রাচীন কালে এখানে নরবলি দেওয়া হত। পুজো উপলক্ষে বাংলা ও বাংলার বাইরে থেকে মানুষরা এখানে আসেন মায়ের পুজো দেখতে। এছাড়াও শনি ও মঙ্গলবার বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয় এই প্রাচীন মন্দিরে।
No comments:
Post a Comment