মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য
নিজস্ব প্রতিনিধি,বনগাঁঃ গোপালনগরে যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো এলাকায়।মৃত যুবকের নাম মাধব দাস (২৩)। বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয় তারপর থেকে আর বাড়ি ফেরেনি। বৃহস্পতিবার সকালে গোপালনগরের আকাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কাছে একটি গাছে গলায় দড়ি লাগানো অবস্থায় মৃতদেহ দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দারা । এরপর গোপালনগর থানায় ফোন করলে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে বনগাঁ হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায় । মৃত যুবক, স্বপন দাস নামে এক ব্যক্তির ডেকরেটার্স ও লাইট মাইক-এর দোকান কাজ করত। মৃতের বাবার বলেন,"মৃত মাধবের মা স্বপনের কাছে টাকা পেত এবং মাধব দীর্ঘদিন ধরে ওর দোকানে কাজ করা সত্তেও কোন টাকা দেয় না। টাকা না দেওয়ার কারনে ৭-৮দিন কাজে যাচ্ছিল না । সেই পাওনা টাকা চাওয়া নিয়ে মাধবকে খুনের হুমকি দেয় সেই ব্যাক্তি। এই কারনে মাধবকে খুন করেছে স্বপন"।
বুধবার রাতে মাধবকে ফোন করে স্বপন, বলে কাজ আছে আয়। রাতে বাড়িতে আসতে দেরি হয় দেখে মাধবকে ফোন করলে বলে আসতে দেরি হবে । বৃহস্পতিবার সকালে পথচলতি মানুষের চোখে পড়ে ঝুলন্ত দেহ । খবর দেওয়া হয় গোপালনগর থানায় । ঘটনার তদন্তে নেমেছে গোপালনগর থানার পুলিশ। মৃত্যুর সঠিক কারন নিয়ে রয়েছে ধোয়াশা।
নিজস্ব প্রতিনিধি,বনগাঁঃ গোপালনগরে যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো এলাকায়।মৃত যুবকের নাম মাধব দাস (২৩)। বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয় তারপর থেকে আর বাড়ি ফেরেনি। বৃহস্পতিবার সকালে গোপালনগরের আকাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কাছে একটি গাছে গলায় দড়ি লাগানো অবস্থায় মৃতদেহ দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দারা । এরপর গোপালনগর থানায় ফোন করলে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে বনগাঁ হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায় । মৃত যুবক, স্বপন দাস নামে এক ব্যক্তির ডেকরেটার্স ও লাইট মাইক-এর দোকান কাজ করত। মৃতের বাবার বলেন,"মৃত মাধবের মা স্বপনের কাছে টাকা পেত এবং মাধব দীর্ঘদিন ধরে ওর দোকানে কাজ করা সত্তেও কোন টাকা দেয় না। টাকা না দেওয়ার কারনে ৭-৮দিন কাজে যাচ্ছিল না । সেই পাওনা টাকা চাওয়া নিয়ে মাধবকে খুনের হুমকি দেয় সেই ব্যাক্তি। এই কারনে মাধবকে খুন করেছে স্বপন"।
বুধবার রাতে মাধবকে ফোন করে স্বপন, বলে কাজ আছে আয়। রাতে বাড়িতে আসতে দেরি হয় দেখে মাধবকে ফোন করলে বলে আসতে দেরি হবে । বৃহস্পতিবার সকালে পথচলতি মানুষের চোখে পড়ে ঝুলন্ত দেহ । খবর দেওয়া হয় গোপালনগর থানায় । ঘটনার তদন্তে নেমেছে গোপালনগর থানার পুলিশ। মৃত্যুর সঠিক কারন নিয়ে রয়েছে ধোয়াশা।

No comments:
Post a Comment