ডেঙ্গু নিয়ে রাজনীতি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।কড়া ভাষাতেই
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়।সোনামুখী ২ নং গ্রামীণ
মন্ডল এলাকায় বিজেপির বিরাট এক জনসভাতে দাঁড়িয়ে জয় বাবু বলেন,পশ্চিমবঙ্গে দিন দিন ডেঙ্গু
মহামারি আকারে বেড়ে চলেছে।আর তা না দেখে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেশ-বিদেশ ঘুরে ঘুরে
চিৎকার করে বেড়াচ্ছেন।আর কোন রাজ্যে কত লোক মারা গেছেন তার হিসেবে করে চলেছে।অথচ পশ্চিমবঙ্গে
যে দিনের পর দিন ধরে মানুষ মরে চলেছে তার হিসেব রাখছেন না।তাঁর হিসেবে সব রাজ্যের তুলনায়
ডেঙ্গুতে মৃত্যু সংখ্যা কম বলে মনে হচ্ছে।পাশাপাশি হাসপাতালগুলিতে ডেঙ্গুতে মারা গেলে
রোগীদের ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গু লেখা যাবে না।কারণ ডেঙ্গু লিখলে মুখ্যমন্ত্রীর রোষের
মুখে পড়তে হবে।ফলে চিকিৎসকরা ডেঙ্গু রোগের নামটি লেখে না।সেটাকে অজানা জ্বর বলে চালানো
হয়।
পাশাপাশি জয়বাবু বলেন,আজকাল আর তৃণমূলকে আন্দোলনের দল বলা যায় না,সেটা বলা যেত ২০১১ সালের আগে।এখন তৃণমূলকে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের দল বলা হয়।সন্ত্রাস করেই ভোটে জিতে এসেছে।হলদিয়া,কুপার্স ভোটে তা স্পষ্ট দেখা গেছে।গুন্ডাবাহিনী নিয়ে,সন্ত্রাস করে ভোট জোর জবরদস্তি ভোটে জিতেছে।জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,তিনি যখন ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন তখন তো তাঁকে মাঠে নামতেই দেয়নি,তাহলে খেলবে কিভাবে?তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীরা একাই মাঠে নেমে রেফারি,গোলকিপার,ফুটবলার হয়ে গোল দিয়েছে।
পাশাপাশি জয়বাবু বলেন,আজকাল আর তৃণমূলকে আন্দোলনের দল বলা যায় না,সেটা বলা যেত ২০১১ সালের আগে।এখন তৃণমূলকে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের দল বলা হয়।সন্ত্রাস করেই ভোটে জিতে এসেছে।হলদিয়া,কুপার্স ভোটে তা স্পষ্ট দেখা গেছে।গুন্ডাবাহিনী নিয়ে,সন্ত্রাস করে ভোট জোর জবরদস্তি ভোটে জিতেছে।জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,তিনি যখন ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন তখন তো তাঁকে মাঠে নামতেই দেয়নি,তাহলে খেলবে কিভাবে?তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীরা একাই মাঠে নেমে রেফারি,গোলকিপার,ফুটবলার হয়ে গোল দিয়েছে।
No comments:
Post a Comment