মুকুল রায়কে শোকজ় করল আলিপুরদুয়ার আদালত। ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কোনও মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল আদালতের তরফে। কিন্তু, তারপরও তিনি কেন অভিষেককে নিয়ে মন্তব্য করলেন ? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চেয়ে মুকুলকে শোকজ় করল আদালত। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাঁকে উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কিন্তু, ২৫ নভেম্বর BJP-র রাজ্য দপ্তরে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুকুল। সেখানে অভিষেকের বিরুদ্ধে অসম্মানজনক মন্তব্য করার অভিযোগ তুলে ফের আদালতের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তার প্ররিপ্রেক্ষিতেই মুকুলকে শোকজ় করে আদালত।
১০ নভেম্বর রানি রাসমণি রোডের সভা থেকে বিশ্ববাংলা ইস্যুতে অভিষেকের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মুকুল। বলেন, “বিশ্ববাংলা সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়। কম্পানি। যার মালিক অভিষেক।” কিছুক্ষণ পর রাজ্যের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, বিশ্ববাংলা সরকারি ব্র্যান্ড। এর ব্যক্তিগত মালিকানা নেই।
রপর ১৩ নভেম্বর মুকুল রায়কে আইনি নোটিস পাঠান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চার পাতার ওই নোটিসে বলা হয়, অভিষেক বিশ্ববাংলা বা জাগোবাংলার মালিক নন। মিথ্যাচার করছেন মুকুল। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলা হয় তাঁকে। না হলে মানহানির মামলা করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়। তারপর ১৫ নভেম্বর মুকুল রায়ের আইনজীবী সোম মণ্ডল অভিষেককে পালটা নোটিস পাঠান। সেখানে বলা হয়, সাতদিনের মধ্যে নোটিস প্রত্যাহার না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকী এই বিষয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন। ওই নোটিস পাওয়ার পরই ২১ নভেম্বর আলিপুরদুয়ার আদালতে মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন অভিষেক। সেই মামলার শুনানিতে বিচারক বলেন, আগামী ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কিত কোনও বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে পারবেন না মুকুল রায়।

No comments:
Post a Comment