কয়েকদিন আগেই বীরভূমে দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল বিরোধী দলদের হুমকি দিয়েছিলেন চোখ তুলে নিয়ে পাথরের চোখ লাগিয়ে দেওয়ার। আর এরপরই বিরোধী দলগুলির মধ্যে শুরু হয়েছে শোরগোল।এই প্রসঙ্গে বর্ধমানে বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,যদি অনুব্রত বাবু চোখ তুলে পাথরের চোখ লাগানোর কথা ভাবেন তাহলে সেটি হবে না, পাথরের জায়গায় অনুব্রত মণ্ডলের চোখ লাগানো হবে।জয় বলেন, অনুব্রত মণ্ডল ভাগ্যিস সিপিএম কটা খুন করেছে তার কথা বলেছেন আর যদি বিজেপির কথা বলত তাহলে এবার আর বিজেপিরা চুপ থাকত না। কারণ এটা হল ২০১৭-২০১৮ এর বিজেপি ২০১৫-২০১৬ এর নয়। বিজেপির দিকে হাত বাড়ালে তাঁর হাত ভেঙ্গে, মুচড়ে দেওয়া হবে।পাশাপাশি অনুব্রত মণ্ডল নাকি জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা বলে দাবী করেন জয় বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি তাঁকে ফোন করে গুরু গুরু বলে সম্বোধন করেন। তবে জয় বাবু বলেন, তিনি কোনও দিনই তাঁকে ফোন করেননি। যদি তাঁর ফোনে কললিস্টে জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের নম্বর দেখাতে পারে তাহলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেন।
জয় বলেন, তিনি দুইজন মানুষকেই গুরু বলে মনে করেন, এক নরেন্দ্র মোদী ও দ্বিতীয় অমিতাভ বচ্চন। পাশাপাশি জয় বলেন,ধর্মতলায় রানী রাসমণি রোডে সদ্য দলত্যাগী মুকুল রায় তৃণমূলকে নিয়ে একের পর এক ধামাকা ফাঁটিয়েছিলেন বিজেপি জনসভাতে।গোপন ফাইল নিয়ে অভিযোগের তির মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। আর এরপরই গেরুয়া শিবিরের নেতা নেত্রীরা মুকুল রায়ের অভিযোগের উপর ভিত্তি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধছেন। বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় এক জনসভায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে পদ ছেড়ে সিনেমা, নাচাগানা করতে। তাতেই ওনাকে ভালো মানাবে। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ হল একজন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার। ফলে তিনি ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া মানুষদের না বাঁচিয়ে তিনি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল করে চলেছেন। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে বলেন, কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করছেন ভাইপো, পিসি মিলে। তার প্রমাণও কাল মিলেছে ফলে বোঝাই যাচ্ছে কিভাবে সাধারণ মানুষের টাকা আত্মসাৎ করছেন তারা। তাই তিনি মশকরা করে বলেন, তৃণমূল চলে গেলে মাটি খুঁড়লে খালি টাকা পাওয়া যাবে।
জয় বাবু মোদীজির প্রশংসা করে বলেন, নরেন্দ্র মোদী যখন বাইরের দেশের এক সভাতে গিয়েছিলেন তখন তাঁকে আলাদা মর্যাদা দিয়ে বরণ করে মঞ্চে উঠিয়েছিলেন তারা। কেনকি একমাত্র নরেন্দ্র মোদীজিই ছিলেন যে গরীব থেকে শুরু করে নারী জাতির দু:খ বুঝেছিলেন। তাই তিনি ঘরে ঘরে শৌচালয়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন, যাতে ভোরে মাঠে গিয়ে শৌচ না করতে হয়।এছাড়াও গ্রামের প্রতিটি ঘরে বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস এনে দিয়েছেন।


No comments:
Post a Comment