প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে গেরুয়া শিবিরে যোগদান করার আহ্বান জানালেন বিজেপি নেতা তথা সুনামা অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়।বীরভূমে বিজেপির সভায় জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ৫০০ তৃণমূল সিপিএম কর্মীরা যোগদান করেন। জয় বলেন,বীরভূমে তিনি ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন কিন্ত অনুব্রত মণ্ডলের সন্ত্রাসে সে হেরেছে।তাকে সাধারণ মানুষ হারায়নি। কারণ তিনি হলেন সাপের খোলসের মতন ভোটের আগে তিনি লুকিয়ে থাকেন, ভোট হলে বেরিয়ে আসেন।জয় বলেন,বীরভূম নেতা অনুব্রত মণ্ডল বিরোধী দলদের হুমকি দিয়েছিলেন চোখ তুলে নিয়ে পাথরের চোখ লাগিয়ে দেওয়ার। আর এরপরই বিরোধী দলগুলির মধ্যে শুরু হয়েছে শোরগোল।এই প্রসঙ্গে বর্ধমানে বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,যদি অনুব্রত বাবু চোখ তুলে পাথরের চোখ লাগানোর কথা ভাবেন তাহলে সেটি হবে না, পাথরের জায়গায় অনুব্রত মণ্ডলের চোখ লাগানো হবে।জয় বলেন, অনুব্রত মণ্ডল ভাগ্যিস সিপিএম কটা খুন করেছে তার কথা বলেছেন আর যদি বিজেপির কথা বলত তাহলে এবার আর বিজেপিরা চুপ থাকত না। কারণ এটা হল ২০১৭-২০১৮ এর বিজেপি ২০১৫-২০১৬ এর নয়। বিজেপির দিকে হাত বাড়ালে তাঁর হাত ভেঙ্গে, মুচড়ে দেওয়া হবে।পাশাপাশি অনুব্রত মণ্ডল নাকি জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা বলে দাবী করেন জয় বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি তাঁকে ফোন করে গুরু গুরু বলে সম্বোধন করেন। তবে জয় বাবু বলেন, তিনি কোনও দিনই তাঁকে ফোন করেননি। যদি তাঁর ফোনে কললিস্টে জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের নম্বর দেখাতে পারে তাহলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেন।
জয় বলেন, তিনি দুইজন মানুষকেই গুরু বলে মনে করেন, এক নরেন্দ্র মোদী ও দ্বিতীয় অমিতাভ বচ্চন।
জয় বলেন, তৃণমূল নাকি কর্পোরেট ব্যবসা আনবেন কিন্ত আসল বেলায় চপ, মুড়ির মতন হয়ে যায়। কাজের বেলায় শিল্পের বেলায় আর খুঁজে পাওয়া যায়না তাদের। শিল্পের জায়গায় সিন্ডিকেটের, সন্ত্রাসবাদের,গুন্ডাগিরির দল করে তুলেছে তৃণমূল। সেখানে বেকারদের চাকুরি নয়, সোনার বাংলা নয় হপ্তা তোলা, পকেটে টাকা ঢুকানোর ব্যবস্থা করেছে তৃণমূলের লোকেরা।

No comments:
Post a Comment