রাজ্যসভায় বিরোধী বেঞ্চে না বসে শাসক দলের মন্ত্রী হিসাবে জায়গা করে নিতে চলেছেন মুকুলবাবু । কিন্তু রাজনীতির অঙ্কে মুকুল রায় রাজ্যসভার ট্রেজারি বেঞ্চ ছাড়ার সময় তিনি যে মন্ত্রকের মাথায় ছিলেন, এবার তিনি সেই জায়গাতেই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে বসতে পারেন।দিল্লিতে ২০১২ সালে ইউপিএ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়েও তিনি ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ, রেলমন্ত্রী।কিন্তু তারপর তৃনমূল ততকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর থেকে সমর্থন তুলে নিলে দলের পাশাপাশি তিনিও মন্ত্রীত্ব থেকে ইস্তফা দেন।তারপর থেকেই রাজ্যসভার বিরোধী বেঞ্চেই জায়গা হয়েছিল তৃনমূলের।কিন্তু এবার রাজনীতির পেক্ষাপটে মুকুলবাবুর ভূমিকা একটু অন্যরকম।তৃণমূলের মুকুল একন বিজেপি নেতা মুকুল রায় কেন্দ্রীয় সরকারের এক মন্ত্রী, অার সেই হিসাবেই রাজ্যসভায় মুকুলকে মোকাবিলা করবে তৃণমূল।
সূত্রের খবর,আগামী এপ্রিল মাসেই রাজস্থান থেকে মুকুল রায়কে জিতিয়ে রাজ্যসভায় পাঠাতে চলেছে বিজেপি নেতৃত্ব।মূলত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও চাইছে মুকুল রায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে তার আক্রমণের ঝাঁঝ আরো বাড়াক।যাতে শুধু এরাজ্যেই নয় সংসদের উভয়কক্ষেই তৃনমূলকে চাপে রাখা যাবে। কারন বিজেপির অন্যতম বিরোধী তৃনমূলকে দমাতে তাঁদের প্রধান অস্ত্র যে মুকুল রায়’ই তা একপ্রকার স্পষ্ট বিজেপি নেতৃত্বের কাছে।যদিও বিজেপিরই আর একটা শিবির মনে করছে রাজস্থানে থেকে রাজ্যসভায় বিজেপি তার দুইজন সাংসদকে পাঠাবে,সেখানেই জায়গা হতে পারে মুকুল রায়। কিন্তু তৃতীয় আসনের সাংসদ পদের জন্য ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের অভিষেক মনু সিংভির নাম শোনা যাচ্ছে।কিন্তু মুকুল যদি রাজ্যসভায় আসে তাহলে নিশ্চিত রুপে ধাক্কা দেওয়া যাবে তৃণমূলকে।যদিও মুকুলের এই পদের জন্য মাস পাঁচেক অপেক্ষা করতে হবে।কিন্তু বিজেপি শীষনেতৃত্ব যে চুপ করে বসে নেই তা তাঁদের পদক্ষেপ থেকেই স্পষ্ট।সাংসদের জন্য অপেক্ষা না করেই নয়াদিল্লি শীঘ্রই তাঁকে মন্ত্রী করতে তোড়জোড় শুরু করেছে। সুত্রের খবর,এবারও রেলমন্ত্রকেই জায়গা হবে বঙ্গীয় বিজেপির এই নেতার।যদিও আর এক শিবির মনে করছে এখন পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্বে বসবেন না মুকুল।তাকে সম্ভবত প্রতিমন্ত্রীর চেয়ারেই বসতে হবে।নিয়ম অনুযায়ী মন্ত্রী হওয়ার ছয়মাসের মধ্যে যেকোন জায়গা থেকে জিতে সংসদে যেতে হয় মন্ত্রীকে।তাই মুকুলবাবু যদি বিজেপির মন্ত্রী হয়ও তাহলে ছয়মাসের মধ্যেই রাজস্থান থেকে জিতে সংসদে ফিরতে তার অসুবিধা হবে না।মুকুলকে মন্ত্রী করে যেমন বাংলার রাজনীতিতে তার গুরুত্ব বাড়বে,তেমনই জাতীয় রাজনীতিতে চাপে পড়বে তৃনমূল।এমনটাই মনে করছেন রাজনিতিকদের একটা বড়ো অংশ।এখন মুকুলের জোড়া ফোলা কি করে সালাম দেবে জোড়াফুলের সাংসদরা সেটাই ভাবাতে শুরু করেছে তৃনমূল নেতৃত্বকে।
সূত্রের খবর,আগামী এপ্রিল মাসেই রাজস্থান থেকে মুকুল রায়কে জিতিয়ে রাজ্যসভায় পাঠাতে চলেছে বিজেপি নেতৃত্ব।মূলত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও চাইছে মুকুল রায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে তার আক্রমণের ঝাঁঝ আরো বাড়াক।যাতে শুধু এরাজ্যেই নয় সংসদের উভয়কক্ষেই তৃনমূলকে চাপে রাখা যাবে। কারন বিজেপির অন্যতম বিরোধী তৃনমূলকে দমাতে তাঁদের প্রধান অস্ত্র যে মুকুল রায়’ই তা একপ্রকার স্পষ্ট বিজেপি নেতৃত্বের কাছে।যদিও বিজেপিরই আর একটা শিবির মনে করছে রাজস্থানে থেকে রাজ্যসভায় বিজেপি তার দুইজন সাংসদকে পাঠাবে,সেখানেই জায়গা হতে পারে মুকুল রায়। কিন্তু তৃতীয় আসনের সাংসদ পদের জন্য ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের অভিষেক মনু সিংভির নাম শোনা যাচ্ছে।কিন্তু মুকুল যদি রাজ্যসভায় আসে তাহলে নিশ্চিত রুপে ধাক্কা দেওয়া যাবে তৃণমূলকে।যদিও মুকুলের এই পদের জন্য মাস পাঁচেক অপেক্ষা করতে হবে।কিন্তু বিজেপি শীষনেতৃত্ব যে চুপ করে বসে নেই তা তাঁদের পদক্ষেপ থেকেই স্পষ্ট।সাংসদের জন্য অপেক্ষা না করেই নয়াদিল্লি শীঘ্রই তাঁকে মন্ত্রী করতে তোড়জোড় শুরু করেছে। সুত্রের খবর,এবারও রেলমন্ত্রকেই জায়গা হবে বঙ্গীয় বিজেপির এই নেতার।যদিও আর এক শিবির মনে করছে এখন পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্বে বসবেন না মুকুল।তাকে সম্ভবত প্রতিমন্ত্রীর চেয়ারেই বসতে হবে।নিয়ম অনুযায়ী মন্ত্রী হওয়ার ছয়মাসের মধ্যে যেকোন জায়গা থেকে জিতে সংসদে যেতে হয় মন্ত্রীকে।তাই মুকুলবাবু যদি বিজেপির মন্ত্রী হয়ও তাহলে ছয়মাসের মধ্যেই রাজস্থান থেকে জিতে সংসদে ফিরতে তার অসুবিধা হবে না।মুকুলকে মন্ত্রী করে যেমন বাংলার রাজনীতিতে তার গুরুত্ব বাড়বে,তেমনই জাতীয় রাজনীতিতে চাপে পড়বে তৃনমূল।এমনটাই মনে করছেন রাজনিতিকদের একটা বড়ো অংশ।এখন মুকুলের জোড়া ফোলা কি করে সালাম দেবে জোড়াফুলের সাংসদরা সেটাই ভাবাতে শুরু করেছে তৃনমূল নেতৃত্বকে।

No comments:
Post a Comment