নিজস্ব সংবাদদাতাঃ বাগদার বিধায়ক দুলাল বরকে নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। সম্প্রতি গোপন বৈঠকের পর দুলালের হাবভাবে অনেকটা ইঙ্গিত মিলছে যে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানের বদল ঘটতে চলেছে। এবং সেটা যে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে তা স্পষ্ট। সূত্রের খবর, কিছুদিন আগে কলকাতার নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের যে কোর কমিটির বৈঠক হয়ে গেল, সেখানে দুলাল হাজির থাকার ডাক পেয়েছিলেন। সুব্রত বক্সি নাকি তাঁকে মৌখিকভাবে ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলেছেন। ্তিনি গেলেও ভেতরে ঢোকেন নি বলে সূত্রের খবর। তার সাথে এটাও জানা গেছে যে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশের উপস্থিতিতে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সাথেও দেখা করেছেল দুলাল। তিনি তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকে ডাক পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও, উপস্থিত ছিলেন কিনা ভাঙতে চান নি। দিলীপ ঘোষের প্রসঙ্গে বলেছেন, "দিলীপবাবুর সাথে আমার সুসম্পর্ক আছে। বিধানসভায় আমি সবার সঙ্গে কথা বলি। ভালো সম্পর্ক রাখার চেষ্টা করি। একটা ব্যক্তিগত কাজে দিলীপ ঘোষের কাছে গেছিলাম। সেই সময় শিবপ্রকাশজি ছিলেন। সেই জন্য আলাপ হয়েছে"। তাহলে পাকাপাকিভাবে শিবির বদল কবে? দুলালবাবুর উত্তর, "রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু হয় না। বাগদার মানুষ আমাকে নির্বাচিত করেছেন। এক্ষেত্রে তাদের মতামত বিশেষ জরুরি। বাগদার মানুষ যে সিদ্ধান্ত নেবে আমি সেটাই করব। ততদিন এলাকার উন্নয়ন করাটাই লক্ষ্য"। গোটা বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপি নেতৃত্ব কোনো মন্তব্য করতে নারাজ।
নিজস্ব সংবাদদাতাঃ বাগদার বিধায়ক দুলাল বরকে নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। সম্প্রতি গোপন বৈঠকের পর দুলালের হাবভাবে অনেকটা ইঙ্গিত মিলছে যে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানের বদল ঘটতে চলেছে। এবং সেটা যে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে তা স্পষ্ট। সূত্রের খবর, কিছুদিন আগে কলকাতার নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের যে কোর কমিটির বৈঠক হয়ে গেল, সেখানে দুলাল হাজির থাকার ডাক পেয়েছিলেন। সুব্রত বক্সি নাকি তাঁকে মৌখিকভাবে ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলেছেন। ্তিনি গেলেও ভেতরে ঢোকেন নি বলে সূত্রের খবর। তার সাথে এটাও জানা গেছে যে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশের উপস্থিতিতে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সাথেও দেখা করেছেল দুলাল। তিনি তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকে ডাক পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও, উপস্থিত ছিলেন কিনা ভাঙতে চান নি। দিলীপ ঘোষের প্রসঙ্গে বলেছেন, "দিলীপবাবুর সাথে আমার সুসম্পর্ক আছে। বিধানসভায় আমি সবার সঙ্গে কথা বলি। ভালো সম্পর্ক রাখার চেষ্টা করি। একটা ব্যক্তিগত কাজে দিলীপ ঘোষের কাছে গেছিলাম। সেই সময় শিবপ্রকাশজি ছিলেন। সেই জন্য আলাপ হয়েছে"। তাহলে পাকাপাকিভাবে শিবির বদল কবে? দুলালবাবুর উত্তর, "রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু হয় না। বাগদার মানুষ আমাকে নির্বাচিত করেছেন। এক্ষেত্রে তাদের মতামত বিশেষ জরুরি। বাগদার মানুষ যে সিদ্ধান্ত নেবে আমি সেটাই করব। ততদিন এলাকার উন্নয়ন করাটাই লক্ষ্য"। গোটা বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপি নেতৃত্ব কোনো মন্তব্য করতে নারাজ।

No comments:
Post a Comment