নিজস্ব সংবাদদাতা: ‘নিঃসন্তান’ হওয়ায় দম্পতিকে বাড়ি ছাড়া হতে হল। এই মধ্যযুগীয় ঘটনা ২০১৭তেই। স্থান শান্তিনিকেতন সংলগ্ন সুরুল গ্রাম। বিচার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে হয়েছে ওই দম্পতিকে। গৃহহীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুর বাড়িতেই থাকতে হচ্ছে তাকে। শান্তিনিকেতন থানার সুরুল গ্রামের দক্ষিন পাড়ার রাজু ও ঝুমা বাগদীর বিয়ের চার বছর পেরিয়েছে, এখনো নিঃসন্তান তারা। এনিয়ে সমস্যা নেই স্বামী বা স্ত্রীর কারো। সমস্যা ছেলের বাড়ির বাকী সকলের। তাই ছেলের ডিভোর্স দিয়ে আবার বিয়ে দেবার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছিল। এজন্য ঝুমার উপর ডিভোর্সের জন্য চাপ শুরু হয়। কিন্তু বেঁকে বসে রাজু। স্ত্রীর পাশে দাঁড়ায় সে। এনিয়েই বাড়িতে সমস্যা আরো বেড়ে যায় বলে অভিযোগ। দুজনের উপর শুরু হয় মানসিক নির্যাতন ও অকথ্য গালিগালাজ। সম্প্রতি সেই মানসিক নির্যাতন চরমে পৌঁছয় বলে অভিযোগ। পেশায় দিন মজুর রাজুর সঙ্গে ২০১৩ সালে সামাজিক ভাবেই বিয়ে হয় ওই গ্রামেরই ঝুমার। “বিয়ের একবছর পর থেকে শুরু হয় গঞ্জনা। কেন আমাদের বাচ্ছা হচ্ছে না, এনিয়ে প্রথমে ফিসফাস পড়ে সবয়ার সামনে নানা কুকথা বলে অপমান করতে শুরু করে আমার শাশুড়ি ও বাড়ির বাকী সদস্যারা। আমার স্বামী আমার পাশে সবসময় দাঁড়িয়েছে,” বললেন ঝুমা। “আমাদের কোন সন্তান না হওয়ায় গত দুই বছর ধরে আমার বাড়ির লোক ঝুমাকে ডিভোর্স দেবার জন্য চাপ দিচ্ছে। আমি রাজী হইনি। আমরা আর পাঁচটা দম্পতির মত এই সমাজে সুস্থ ভাবে, শান্তিতে বাঁচতে চাই। আমার বাড়ির লোক সেটা হতে দিচ্ছে না,” বলে জানালেন তার স্বামী রাজু। তিনি আরো অভিযোগ করেন গত শুক্রবার সন্ধ্যায় তাদের বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য করা নয়, নাহলে ঝুমাকে প্রানে মেরে ফেলার জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছিল। বর্তমানে বাপের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন ঝুমাদেবী ও তার স্বামী রাজু। পুরো ঘটনা জানিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় শান্তিনিকেতন থানায় অভিযোগ দায়ের করে তারা যেন সুস্থ ভাবে বাঁচতে পারে সেই জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান। অভিযোগ করা হয়েছে ঝুমার শাশুড়ি মাধবী বাগদী, ননদ রাজেশ্বরী বাগদী, ভাসুর বিশ্বনাথ বাগদী ও তার স্ত্রী চন্দনা বাগদীর নামে। বোলপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অম্লান কুসুম ঘোষ জানান, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। প্রশাসনের তরফ থেকে ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে বিষয়টি বুঝিয়ে সমস্যা মিটিয়ে এই দম্পতি যেন নিরাপদে, সুস্থ ভাবে জীবন যাপন করতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হবে।”
নিজস্ব সংবাদদাতা: ‘নিঃসন্তান’ হওয়ায় দম্পতিকে বাড়ি ছাড়া হতে হল। এই মধ্যযুগীয় ঘটনা ২০১৭তেই। স্থান শান্তিনিকেতন সংলগ্ন সুরুল গ্রাম। বিচার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে হয়েছে ওই দম্পতিকে। গৃহহীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুর বাড়িতেই থাকতে হচ্ছে তাকে। শান্তিনিকেতন থানার সুরুল গ্রামের দক্ষিন পাড়ার রাজু ও ঝুমা বাগদীর বিয়ের চার বছর পেরিয়েছে, এখনো নিঃসন্তান তারা। এনিয়ে সমস্যা নেই স্বামী বা স্ত্রীর কারো। সমস্যা ছেলের বাড়ির বাকী সকলের। তাই ছেলের ডিভোর্স দিয়ে আবার বিয়ে দেবার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছিল। এজন্য ঝুমার উপর ডিভোর্সের জন্য চাপ শুরু হয়। কিন্তু বেঁকে বসে রাজু। স্ত্রীর পাশে দাঁড়ায় সে। এনিয়েই বাড়িতে সমস্যা আরো বেড়ে যায় বলে অভিযোগ। দুজনের উপর শুরু হয় মানসিক নির্যাতন ও অকথ্য গালিগালাজ। সম্প্রতি সেই মানসিক নির্যাতন চরমে পৌঁছয় বলে অভিযোগ। পেশায় দিন মজুর রাজুর সঙ্গে ২০১৩ সালে সামাজিক ভাবেই বিয়ে হয় ওই গ্রামেরই ঝুমার। “বিয়ের একবছর পর থেকে শুরু হয় গঞ্জনা। কেন আমাদের বাচ্ছা হচ্ছে না, এনিয়ে প্রথমে ফিসফাস পড়ে সবয়ার সামনে নানা কুকথা বলে অপমান করতে শুরু করে আমার শাশুড়ি ও বাড়ির বাকী সদস্যারা। আমার স্বামী আমার পাশে সবসময় দাঁড়িয়েছে,” বললেন ঝুমা। “আমাদের কোন সন্তান না হওয়ায় গত দুই বছর ধরে আমার বাড়ির লোক ঝুমাকে ডিভোর্স দেবার জন্য চাপ দিচ্ছে। আমি রাজী হইনি। আমরা আর পাঁচটা দম্পতির মত এই সমাজে সুস্থ ভাবে, শান্তিতে বাঁচতে চাই। আমার বাড়ির লোক সেটা হতে দিচ্ছে না,” বলে জানালেন তার স্বামী রাজু। তিনি আরো অভিযোগ করেন গত শুক্রবার সন্ধ্যায় তাদের বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য করা নয়, নাহলে ঝুমাকে প্রানে মেরে ফেলার জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছিল। বর্তমানে বাপের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন ঝুমাদেবী ও তার স্বামী রাজু। পুরো ঘটনা জানিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় শান্তিনিকেতন থানায় অভিযোগ দায়ের করে তারা যেন সুস্থ ভাবে বাঁচতে পারে সেই জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান। অভিযোগ করা হয়েছে ঝুমার শাশুড়ি মাধবী বাগদী, ননদ রাজেশ্বরী বাগদী, ভাসুর বিশ্বনাথ বাগদী ও তার স্ত্রী চন্দনা বাগদীর নামে। বোলপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অম্লান কুসুম ঘোষ জানান, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। প্রশাসনের তরফ থেকে ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে বিষয়টি বুঝিয়ে সমস্যা মিটিয়ে এই দম্পতি যেন নিরাপদে, সুস্থ ভাবে জীবন যাপন করতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হবে।”

No comments:
Post a Comment