মুকুল হল তৃণমূলের জন্মদাতা। তৃণমূলের নাভি ছিল মুকুল রায় এমনটাই দাবী জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি বলেন, মুকুল রায় প্রথম থেকে তৃণমূলের সঙ্গে ছিল ফলে তৃণমূলের খারাপ ভালো সব জানে। তাই তাঁকে তৃণমূল আজ ভয় পাচ্ছে। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নিয়ে বলেন, রাজ্য জুড়ে ধর্ষণ হচ্ছে তাতে মুখ্যমন্ত্রী কালো পতাকা, আন্দোলন, প্রতিবাদ করছেন না, ধর্ণায় বসছেন না। আজও একটি মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে মেয়েটি লজ্জায় গায়ে আগুন দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে। কই এই বিষয়ে তো মুখ্যমন্ত্রীর উচ্চ বাচ্য নেই?প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে। তবে রাজস্থানে মুসলিম মারা গেছেন বলে সেখানে দলবল নিয়ে হাজির হয়েছেন তিনি। এখানেই বোঝা যাচ্ছে তিনি ধর্ম নিয়ে কি শুরু করছেন! হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে ঝামেলা মুখ্যমন্ত্রী যে বাঁধাতে চাইছেন তা বুঝতে দ্বিধা নেই জয়ের কথায়।
পাশাপাশি জয় বলেন, আমাদের বিজেপিতে দলবাজী, সন্ত্রাসবাজীর কোনো ঠাঁই নেই, কোনো দুর্নীতির জায়গা নেই। কেউ দুর্নীতি করলে তাঁকে বা তাদের পিছনে লাথি মেরে তাড়িয়ে দেওয়া হবে দল থেকে। জয় বলেন,গেরুয়া রঙে অর্থাৎ বিজেপিতে কোনো দাগ নেই পরিষ্কার বললেন বিজেপি তারকা নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, লালে তো দাগ ছিলই, সবুজ তো কলঙ্ক করে দিল রাজ্য টাকে তবে গেরুয়াতে কোনো দাগ পাওয়া যাবে না ভবিষ্যতে। তাঁর গ্যারান্টি জয় বন্দ্যোপাধ্যায় দিলেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, গেরুয়া হল ত্যাগের প্রতীক। বিজেপি খালি ত্যাগ করতেই জানে, মানুষকে ভালোবাসতে জানে। যদি তৃণমূলের কাউকে বলা হয় আপনি ৫ লক্ষ টাকা নেবেন, নাকি ৫জন গরীবের চাকরি করিয়ে দেবেন? তখন সেই তৃণমূল নেতা বলবেন না আমি ৫ লক্ষ টাকাই নেবো। আর যদি বিজেপিকে বলা হয় তাহলে তারা ৫জন গরীবকেই চাকরি দেবেন। এই হল বিজেপি।জয় তৃণমূলকে বিঁধে বলেন তিনি সাদা জিনিস পড়া ছেড়ে দিয়েছেন কারণ সাদাতে কলঙ্ক, যদিও তাঁর সাদা গাড়ি তা খুব তাড়াতাড়িই পরিবর্তন করবেন। কিন্ত জ্যোতিবাবুর সাদা ধুতি থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাদা শাড়িতে আতঙ্ক গোটা রাজ্যের মানুষের এমনটাই দাবী জয়ের। তিনি আরও বলেন,তৃণমূলকে আনার আগে জনগণ ভেবেছিল সিপিএম নামক চোর টাকে সরিয়ে রাজ্যে ভালো কাজ করবে তৃণমূল কিন্ত তা না হয়ে রাজ্যে তৃণমূল নামক ডাকাতকে আনা হয়েছে। দাবী বিজেপি রাজ্য নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

No comments:
Post a Comment