বুধবার নদীয়ার কৃষ্ণনগরে বিজেপির একটি সভায় দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্যনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,মুকুল রায় ছিলেন তৃণমূলের স্রষ্টা। তৃণমূল যখন জন্মে ছিল তখন নাভিটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নয় মুকুল রায় কেটে ছিলেন। এটা মনে রাখা দরকার। মুকুল রায় তৃণমূলের অন্দর মহলের লোক। তিনি তৃণমূলের ভালোটাও যেমন জানেন। তেমনি খারাপটাও জানেন। সবে একটা ফাইল বেরিয়েছে বিশ্ববাংলা। তাতেই কম্পন শুরু হয়ে গিয়েছে। এরপর যখন আরও ফাইল বের হবে। তখন তৃণমূল নেতা নেত্রীরা দৌড়ে কুল পাবেনা। ইঁদুরের মত গর্তে ঢুকে যাবে। যখন আরও ফাইল বের হবে তখন এই ঝগড়া কালিঘাট পর্যন্ত পৌঁছে যাবে।পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীকে একহাত নিয়ে বলেন, পিসি বলবে ভাইপোকে তোর দোষে পার্টিটা গেল। ভাইপো বলবে পিসিমা তোমার দোষে পার্টিটা গেল। কিছু দিনের মধ্যে এটাই হতে চলেছে।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বিজেপির রাজ্যনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দিদি সব ঘাটের জল একবারে খাওয়া যায়না।
বিজেপি ধর্মবিদ্বষী নয়, বিজেপি বরং হিন্দু ও মুসলমানদের একসারিতে রাখে। তা নাহলে গুজরাতে বিজেপিরাজ হত না, সেখানে কংগ্রেসরাজ হত। গুজরাতের মানুষ জানে কংগ্রেস কি করেছিল সংখ্যালঘুদের সাথে। তারা সংখ্যালঘুদের দেশ থেকে তাড়াতে চেয়েছিল কিন্ত মোদীজি তা চায় নি।আর তা গুজরাতের মানুষ জেনেই ভোট দিয়েছে মোদী সরকারকে। ঠিক একইভাবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষও ভোট দেবে বিজেপিতে। ২০১৮ সালে বিজেপি জিতবে কারণ সাধারণ মানুষ জানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভরা পেটে রোজা, ইফতার করেন। যা সংখ্যালঘু ধর্মের জন্য অন্যায়।তাই তারা পরিষ্কার আর দিদি তাদের সাথে থাকবেন না। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরাও থাকবে না।



No comments:
Post a Comment