বড়দিনের উৎসবে সেজে উঠেছে পার্কস্ট্রিট সহ গোটা রাজ্য। পাশাপাশি বড়ো দিনের আনন্দকে ওদের সাথে ভাগ করে নিল হাওড়ার কিছু কলেজপড়ুয়া। প্রতি বছরের মতো এই বছরের বড়ো দিনে নিজেরাই আনন্দে মাতোয়ারা না হয়ে সেই আনন্দ শেয়ার করে নিলো ওদের সাথে। ওরা জাদের কাছে বড়ো দিনের দিনটাও কাটে আর পাঁচটা দিনের মতো। সেই বস্তিবাসী শিশুদের বড়ো দিনের খুশিতে শামিল করল হাওড়ার কিছু কলেজপড়ুয়া। নিজেদের পকেটমানি বাঁচিয়ে সেই পয়সায় লিলুয়ার পটুয়াপাড়ার বস্তিকে সাজিয়ে তুলল বেলুন প্রভৃতি নানান জিনিস দিয়ে। বস্তির শিশুদের সাথে কাটল কেক, তুলে দিল নানান উপহার শিশুদের হাতে। কলেজ পড়ুয়া সুমন, ডোনা, সাগরিকা, তন্ময়রা সকালেই চলে আসে পটুয়াপাড়ার বস্তিতে। শিশুদের সাথে নানান সাজানোর জিনিশ দিয়ে সাজিয়ে তোলে গোটা বস্তি। তারপরে কেকে কাটা শেষে ছোট ছোট শিশুদের হাতে নানান উপহার তুলে দেয় তারা। এই ভাবে নিজেদের বড়োদিনের আনন্দ ওইসব শিশুদের সাথে ভাগ করে নিয়ে ভীষণ খুশি তারা এমনটাই জানাল কলেজপড়ুয়ার দল।
এ ছাড়াও বালীর একটি ক্লাবের উদ্দোগে সান্টাক্লজ বাসে, ট্রেনে উঠে ছোট বড় সবার হাতে বড়োদিনের উপহার তুলে দিল। এমনকি একটি হোমের শিশুদের হাতে খেলনা, ড্রয়িংবুক, রঙপেন্সিল প্রভৃতি উপহারও তুলে দিলো সান্টাবুড়ো। বড়োদিনের সকালে হাতের কাছে সান্টাকে পেয়ে আট থেকে আশি আনন্দে মাতল সবাই চলল সেলফি তোলাও।
হাওড়ার বোটানিক্যাল গার্ডেনে নামল মানুষের ঢল। বিশাল মানুষের আনন্দে যাতে কোনও বাঁধা না আসে তাই গার্ডেনের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা জোরদার করতে গার্ডেনের নিজস্ব নিরাপত্তা রক্ষীদের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিস বাহিনী।
বড়দিনের ছুটির আমেজ নিতে এদিন হাওড়ার বেলুড় মঠে সকাল থেকেই মানুষের ঢল নামে। শীতের আমজ নিতে সেখানে হাজির হন বহু মানুষ। বিভিন্ন জায়গা থেকে বেলুড় মঠে ভীর জমিয়েছেন তারা। শীতের ছুটি তারা তাড়িতে তাড়িয়ে উপভোগ করছেন। শুধু শীতের আমেজ উপভোগ নয় তাঁদের রথ দেখা এবং কলা বেচা দুই কাজই হল একসঙ্গে। বেলুড় মঠে আসা দর্শনার্থীদের অনেকেই এসে বেলুড় মঠ দর্শন করলেন। এরই সঙ্গে তারা গ্রহণ করল বড়দিনের বিশেষ প্রসাদ। এদিন বেলুড় মঠে আগত দর্শনার্থীদের মধ্যে অন্যতম অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন সারা বছরই কাজের চাপ থাকে। বড়দিনে বছরের এই একটা দিন তারা খুবই মজা করছেন। বেলুড় মঠ প্রাঙ্গনে অনেককেই সেলফি তুলতে দেখা গেছে। এদিন দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে ঘাটের কাছে যাওয়া নিষেধ ছিল। সেখানে দর্ধনার্থীদের যেতে দেওয়া হচ্ছিল না। এর পাশাপাশি হাওড়া সিটি পুলিশের পক্ষ থেকে বেলুড় মঠ এবং মঠ চত্তর নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল। যান নিয়ন্ত্রণের জন্য জিটি রোডে ট্রাফিক পুলিশ বেশি মোতায়োন করা হয়েছিল। ছিল পুলিশি ব্যবস্থা। ছিল সিসিটিভি ক্যামেরাও।
এ ছাড়াও বালীর একটি ক্লাবের উদ্দোগে সান্টাক্লজ বাসে, ট্রেনে উঠে ছোট বড় সবার হাতে বড়োদিনের উপহার তুলে দিল। এমনকি একটি হোমের শিশুদের হাতে খেলনা, ড্রয়িংবুক, রঙপেন্সিল প্রভৃতি উপহারও তুলে দিলো সান্টাবুড়ো। বড়োদিনের সকালে হাতের কাছে সান্টাকে পেয়ে আট থেকে আশি আনন্দে মাতল সবাই চলল সেলফি তোলাও।
হাওড়ার বোটানিক্যাল গার্ডেনে নামল মানুষের ঢল। বিশাল মানুষের আনন্দে যাতে কোনও বাঁধা না আসে তাই গার্ডেনের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা জোরদার করতে গার্ডেনের নিজস্ব নিরাপত্তা রক্ষীদের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিস বাহিনী।
বড়দিনের ছুটির আমেজ নিতে এদিন হাওড়ার বেলুড় মঠে সকাল থেকেই মানুষের ঢল নামে। শীতের আমজ নিতে সেখানে হাজির হন বহু মানুষ। বিভিন্ন জায়গা থেকে বেলুড় মঠে ভীর জমিয়েছেন তারা। শীতের ছুটি তারা তাড়িতে তাড়িয়ে উপভোগ করছেন। শুধু শীতের আমেজ উপভোগ নয় তাঁদের রথ দেখা এবং কলা বেচা দুই কাজই হল একসঙ্গে। বেলুড় মঠে আসা দর্শনার্থীদের অনেকেই এসে বেলুড় মঠ দর্শন করলেন। এরই সঙ্গে তারা গ্রহণ করল বড়দিনের বিশেষ প্রসাদ। এদিন বেলুড় মঠে আগত দর্শনার্থীদের মধ্যে অন্যতম অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন সারা বছরই কাজের চাপ থাকে। বড়দিনে বছরের এই একটা দিন তারা খুবই মজা করছেন। বেলুড় মঠ প্রাঙ্গনে অনেককেই সেলফি তুলতে দেখা গেছে। এদিন দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে ঘাটের কাছে যাওয়া নিষেধ ছিল। সেখানে দর্ধনার্থীদের যেতে দেওয়া হচ্ছিল না। এর পাশাপাশি হাওড়া সিটি পুলিশের পক্ষ থেকে বেলুড় মঠ এবং মঠ চত্তর নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল। যান নিয়ন্ত্রণের জন্য জিটি রোডে ট্রাফিক পুলিশ বেশি মোতায়োন করা হয়েছিল। ছিল পুলিশি ব্যবস্থা। ছিল সিসিটিভি ক্যামেরাও।

No comments:
Post a Comment