দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচতে লরি সহ অন্যান্য যানের চালকদের নিয়ে এক অভিনব পদ্ধতি গ্রহণ করল হুগলি গ্রামীন পুলিশ।বিশেষত তারকেশ্বর ও আরামবাগ এলাকায় এই কর্মসূচী ব্যাপক হারে সাফল্য পেয়েছে বলে দাবি পুলিশের। গত তিন চার দিন ধরে রাজ্য সড়কের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন মোড়ে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।যা দেখে রীতিমত আনন্দিত গাড়ির চালক সহ অন্যান্য কর্মীরা। তারকেশ্বর চাঁপাডাঙ্গা মোড়ে ও আরামবাগের কালিপুর মোড়ে নাকা চেকিং ও দুর্ঘটনা এড়াতে রাত বারোটার পর থেকে চালকদের গাড়ি থামিয়ে জল ও চা কফি পরিবেশন করেন পুলিশ কর্মীরা। ঘুমের চোখে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি দুর্ঘটনা এড়াতে। চোখে মুখে জল দিয়ে চা ও কফি খেয়ে কিছুক্ষণ চেকপোষ্টে বিশ্রাম নিয়ে পুনরায় যাত্রা শুরু করেন চালকরা।রাতে লরির বা যে কোন দূরপাল্লার গাড়ির চালকদের অসতর্কতা, দেহে ক্লান্তি ভাব থাকায় গাড়ি চলা কালীন চালকরা অনেক সময়ে ঘুমিয়ে পড়েন। যার ফল মারাত্মক হয়ে যায়।জীবন বিয়োগ হয়। এমন ঘটনা প্রায়শই ঘটে। তাই এই দুর্ঘটনা বন্ধ করতে ও চালকদের ক্লান্তি ভাব কাটাতে তাদের পাশে দাঁড়ালেন পুলিশ আধিকারিক থেকে শুরু করে পুলিশ কর্মীরা।এই অভিনব উদ্যোগ ইতি মধ্যে চালু করেছে তারকেশ্বর ও আরামবাগ থানার পুলিশ আধিকারিকরা।
দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচতে লরি সহ অন্যান্য যানের চালকদের নিয়ে এক অভিনব পদ্ধতি গ্রহণ করল হুগলি গ্রামীন পুলিশ।বিশেষত তারকেশ্বর ও আরামবাগ এলাকায় এই কর্মসূচী ব্যাপক হারে সাফল্য পেয়েছে বলে দাবি পুলিশের। গত তিন চার দিন ধরে রাজ্য সড়কের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন মোড়ে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।যা দেখে রীতিমত আনন্দিত গাড়ির চালক সহ অন্যান্য কর্মীরা। তারকেশ্বর চাঁপাডাঙ্গা মোড়ে ও আরামবাগের কালিপুর মোড়ে নাকা চেকিং ও দুর্ঘটনা এড়াতে রাত বারোটার পর থেকে চালকদের গাড়ি থামিয়ে জল ও চা কফি পরিবেশন করেন পুলিশ কর্মীরা। ঘুমের চোখে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি দুর্ঘটনা এড়াতে। চোখে মুখে জল দিয়ে চা ও কফি খেয়ে কিছুক্ষণ চেকপোষ্টে বিশ্রাম নিয়ে পুনরায় যাত্রা শুরু করেন চালকরা।রাতে লরির বা যে কোন দূরপাল্লার গাড়ির চালকদের অসতর্কতা, দেহে ক্লান্তি ভাব থাকায় গাড়ি চলা কালীন চালকরা অনেক সময়ে ঘুমিয়ে পড়েন। যার ফল মারাত্মক হয়ে যায়।জীবন বিয়োগ হয়। এমন ঘটনা প্রায়শই ঘটে। তাই এই দুর্ঘটনা বন্ধ করতে ও চালকদের ক্লান্তি ভাব কাটাতে তাদের পাশে দাঁড়ালেন পুলিশ আধিকারিক থেকে শুরু করে পুলিশ কর্মীরা।এই অভিনব উদ্যোগ ইতি মধ্যে চালু করেছে তারকেশ্বর ও আরামবাগ থানার পুলিশ আধিকারিকরা।

No comments:
Post a Comment