তা নিয়েই বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় সরব হয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও সম্প্রতি একটি নতুন ঘাট তৈরি হয়। সেই ঘাটটি বৈধ না অবৈধ তার কাগজপত্র দেখতে চেয়েছিলেন রানীগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মনীশা রায় এবং বল্লভপুর পঞ্চায়েতের সদস্য উজ্জ্বল ধীবর। অভিযোগ কাগজপত্র তাদের না দেখিয়ে দেওয়া হয়৷ পুলিশ এসে পঞ্চায়েত সদস্যকে বলপূর্বক তাড়িয়ে দেয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে রানীগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত কুমার মাহাতোর কাছে নিজেদের ইস্তফা পত্র দিয়েছেন ওই দুই পঞ্চায়েত সদস্য। তাদের দাবি কিছু স্থানীয় নেতার প্রভাবেই এই বালিঘাট গুলি চলছে। অভিযোগ বিধায়ক কে জানিয়েও লাভ হয়নি। তাই প্রশ্ন উঠছে বিধায়কের বালি নিয়ে প্রতিবাদ কেবলই কি শুধুই "আই ওয়াশ"? এ ঘটনার পর রাণিগঞ্জের বল্লবপুর এলাকায় তৃণমূলের দল ছাড়ার হিড়িক পড়েছে কর্মীদের।


No comments:
Post a Comment