বাজেট নিয়ে বিশেজ্ঞদের মতামত - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 24 January 2018

বাজেট নিয়ে বিশেজ্ঞদের মতামত


রাজস্বের বেশিরভাগটাই বেরিয়ে যাচ্ছে ঋণ শোধ দিতে। নোট বাতিলের ধাক্কায় থমকে ক্ষুদ্র  মাঝারি শিল্প। কেন্দ্রীয় প্রকল্পেও ব্যাপক কাঁটছাঁট। এই পরিস্থিতিতেও উন্নয়ন  সামাজিক প্রকল্পগুলি চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার রাজ্য বাজেটে। বেশ কয়েকটি সামাজিক প্রকল্পের ব্যয় বরাদ্দ বাড়ল। কর আদায় কমলেও বাড়ানো হল সামাজিক প্রকল্পের বরাদ্দ।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের দাবিরাজ্যে বৃদ্ধির হার .২৭ শতাংশ হতে পারে।নোট বাতিলের ধাক্কা সামলাতে - বছর লাগবে। নোট বাতিলে একের পর এক শিল্পক্ষেত্রে আঘাত এসেছে। এতকিছুর পরেও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সরছে না রাজ্য। প্রয়োজনে ঋণ নিয়েও চালানো হবে সামাজিক প্রকল্প।
এক নজরে দেখে নিন কেমন হল রাজ্য বাজেট,
নোট বাতিলের জেররাজ্যে কমল কর আদায়
অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র বলেন, ‘কর আদায়ের পরিমাণ ৪৮ হাজার ৯২৬ কোটি  গতবারের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ কম  নোট বাতিলের প্রভাবেই কর আদায় কমেছে  ২০১০-১১ সালের তুলনায় বাড়বে মূলধনী ব্যয়  আগের সরকারের ঋণ বেড়ে দাঁড়াবে ৪৭ হাজার কোটি  
কর্মসংস্থান
বাজেট ভাষণে অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র বললেন, ‘ বছরে ১৩ লক্ষ কর্মসংস্থান রাজ্যে  পরিকল্পনাখাতে ৬৪ হাজার ৭৩৩ কোটি বাজেট বরাদ্দ  ২০১৭-১৮ আর্থিক বছরে বাজেট বরাদ্দ অর্থমন্ত্রীর 
বাণিজ্য কর আদায়ে নয়া উদ্যোগ রাজ্যের-
রাজ্যে নয়া ৪টি নতুন বাণিজ্য কর অফিস হবে আলিপুরদুয়ারদিঘারাজারহাট  কসবায় 
রাজ্য নয়া  মেডিক্যাল কলেজ,রাজ্যে বাড়ছে MBBS আসনও
রাজ্যে আরও ৫টি মেডিক্যাল কলেজ  কোচবিহাররায়গঞ্জপুরুলিয়ারামপুরহাটডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতাল উন্নীত হবে মেডিক্যাল কলেজে  বরাদ্দ বেড়ে হল ৭৫৭.৩৯ কোটি টাকা  রাজ্যে বাড়ছে ৫০০ MBBS আসনও  সবার জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা দেবে রাজ্য সরকার 
বাড়ি কেনায় বিশেষ সুবিধা-
স্ট্যাম্প ডিউটির উপর বিশেষ সুবিধা  স্ট্যাম্প ডিউটি  শতাংশ থেকে কমে  শতাংশ করা হল   বছরের বাকি স্ট্যাম্প ডিউটিতে ছাড়  সেল এগ্রিমেন্টের সময়  শতাংশ দিলেই চলবে  বাড়ি তৈরির একবছরের মধ্যে রেজিস্ট্রিতে ২০ শতাংশ ছাড় বাজেট ভাষণে বললেন অমিত মিত্র 
পরিবেশ বন্ধু’ রাজ্য বাজেট
রাজ্যে করমুক্ত পরিবেশবান্ধব সামগ্রী  সেসমুক্ত থাকছে শিক্ষা-গ্রামীণ কর্মসংস্থান  পরিবেশবান্ধব সামগ্রীতে ভ্যাট মকুব করা হচ্ছে  আরও  বছর মকুব করা হল শিক্ষা সেস  গ্রামীণ কর্মসংস্থানেও সেস মকুবের প্রস্তাব করছি  ভ্যাটমুক্ত হচ্ছে সোলার ওয়াটার হিটার  ভ্যাটমুক্ত হচ্ছে বায়ো ডিজেলকেরোসিন স্টোভশালপাতার থালা  প্লেটে টেরাকোটার টালিহেয়ার ব্যান্ড  হেয়ার ক্লিপও 
রাজস্ব আদায়ে নজিরবিহীন’ কৃতিত্ব রাজ্যের
 বছরে ১০৩ শতাংশ রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি রাজ্যে  ২০১১ সালের তুলনায় ১০৩ শতাংশ বৃদ্ধি  এঘটনা গোটা দেশে নজিরবিহীন  রাজ্যের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বজায় রাখতে হবে  যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো খর্ব করা যাবে না  GSTতে সাধারণ মানুষের উপকার হবে  GST-তে ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ দেবে কেন্দ্র 
রাজ্যের বাজেটে কৃষি-ক্ষুদ্র শিল্পে বাড়তি গুরুত্ব
কর্মহীন দক্ষ কারিগরদের জন্য বিশেষ সাহায্যের ঘোষণা রাজ্যের  ভিনরাজ্য থেকে দক্ষ কারিগররা নোটবাতিলের জেরে কর্মহীন হয়ে রাজ্যে ফিরছেন  ভিনরাজ্য থেকে দক্ষ কারিগররা কর্মহীন হয়ে রাজ্যে ফিরছেনতাঁদের সরকারি তরফে ৫০ হাজার টাকা করে এককালীন সাহায্য দেওয়া হবে  ক্ষুদ্র ব্যবসা করার জন্য বাড়তি সহায়তাও করা হবে  এরকম ৫০ হাজার কর্মহীন মানুষদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ করা হয়েছে 
এছাড়া কৃষি  সমবায় ক্ষেত্রেও বরাদ্দ বাড়িয়েছে অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন, সমবায় ঋণে ১০০ কোটি টাকার তহবিল গড়ল রাজ্য  ক্ষুদ্র ব্যবসায় সাহায্যের জন্য বরাদ্দ ৫০ কোটি  কৃষকদের সাহায্যের জন্য ১০০ কোটির বিশেষ তহবিল গড়া হল রাজ্যে 
বাজেটে VAT
ক্ষুদ্র শিল্পে VAT-এর প্রাথমিক ধাপ বাড়ল  ১০ লক্ষ থেকে বেড়ে হল ২০ লক্ষ  VAT রেজিস্ট্রেশনও অনলাইন করা হল 
বাজেটে ভাতা বাড়ল আশা-অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের
অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ৫০০ টাকা ভাতা বৃদ্ধি  উপকৃত হবেন  লক্ষের বেশি অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী  আশা কর্মীদের ভাতা বাড়ল ৫০০ টাকামুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এই সিদ্ধান্ত 
অমিত বাজেটে সমালোচিত’ জেটলি বাজেট
কেন্দ্রের বাজেট দিশাহীন ফাঁকা আওয়াজ  দেশের উন্নতিতে বাধা হবে কেন্দ্রের বাজেট  ভারতে জিডিপি বৃদ্ধির হার কমবে 


বাজেট ২০১৪-২০১৫
সোমবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা রাজ্য বাজেট ২০১৪-১৫ পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। বাংলা কীভাবে গত আড়াই বছরে এগিয়েছেতা বারবার হিসাব দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন তিনি।
রাজ্য বাজেট ২০১৪-১৫এক নজরে বাংলার আর্থিক বৃদ্ধির হার এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে বার্ষিক . শতাংশ কৃষিতে সারা দেশের অগ্রগতি . শতাংশ। সেখানে বাংলার হার . শতাংশ শিল্পে সারা দেশের বৃদ্ধির হার . শতাংশঅথচ পশ্চিমবঙ্গে তা .৫৮ শতাংশ পরিষেবা ক্ষেত্রে দেশের অগ্রগতির হার যেখানে . শতাংশসেখানে বাংলার হার . শতাংশ অমিতবাবু সরস মন্তব্য, "বাংলা যা করেছে আজভারত তা করবে কাল।রাজ্য বাজেটের অন্যান্য দিক গত দু'বছরে কেন্দ্রীয় সরকার সুদ বাবদ ৭০ হাজার কোটি টাকা নিয়ে নিয়েছে। এটা মকুব করলেও আরও উন্নয়নমূলক কাজ করা যেত সারদা কেলেঙ্কারিতে ক্ষতিগ্রস্ত  লক্ষ মানুষকে আর্থিক সহায়তা করেছে সরকার। আরও  লক্ষ মানুষকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে  কোটি রেশন কার্ডের 'ডিজিটাইজেশনকরা হয়েছে কলকাতা-সহ বাকি রাজ্যে এক হাজার ঝাঁ-চকচকে নতুন সরকারি বাস নামবে ১০৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সম্পত্তি ক্রয়ে স্ট্যাম্প ডিউটি  শতাংশ থেকে কমে  শতাংশ ১১মেয়েদের চুলের ক্লিপপ্রসাধনের জিনিস সস্তা হল ১২কৃষি বিপণনে বরাদ্দ বেড়ে ২২৫ কোটি টাকা ১৩প্রাণীসম্পদ উন্নয়নে বরাদ্দ ৩৫৬ কোটি টাকা ১৪খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে ১৭৫ কোটি টাকা ১৫৩৩৪৯টি রাস্তা তৈরির পরিকল্পনা ১৬বাংলার ৯৮.২৬ শতাংশ স্কুলে তৈরি হয়েছে শৌচাগার ১৭মৎস্য চাষ  গবেষণায় বরাদ্দ ১৯৬ কোটি টাকা ১৮কৃষিতে বরাদ্দকৃত অর্থ ১১৫৭.৭২ কোটি টাকা ১৯গ্রামোন্নয়নে বরাদ্দ ৭৪০৭ কোটি টাকা ২০১১টি অনুন্নত জেলায় ২১৮৮ কিলোমিটার পাকা রাস্তা তৈরির প্রস্তাব ২১২০১৪-১৫ অর্থবর্ষে ১৬ লক্ষ চাকরির আশ্বাস ২২স্কুল স্তরের শিক্ষায় বরাদ্দ বেড়ে ৬৮৮৪ কোটি টাকা ২৩উচ্চশিক্ষায় বরাদ্দ দাঁড়াল ৩৪২.৯৫ কোটি টাকা ২৪ঝড়খালিগাজলডোবা  ঝাড়গ্রামে পর্যটনের উন্নয়ন ২৫১৩টি নতুন আইটি পার্ক তৈরি হবেএতে অন্তত এক লক্ষ ছেলেমেয়ে কাজ পাবে ২৬সংখ্যালঘু উন্নয়নে বরাদ্দ ১৭৩৭ কোটি টাকা ২৭'গতিধারাপ্রকল্প চালু। এর আওতায় স্বল্প আয়ের মানুষজন গাড়ি কিনতে ঋণ পাবেন এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত ২৮উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে পোশাক তৈরির আলাদা পার্ক ২৯বৃত্তিকর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব ৩০শিশুদের সার্বিক বিকাশে আলাদাভাবে বরাদ্দ ২৪২০ কোটি টাকা ৩১ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশে বরাদ্দ ৫৩৬.২৮ কোটি টাকা ৩২মাঝারি শিল্পের বিকাশে বরাদ্দ ৫৯৪ কোটি টাকা ৩৩উত্তরবঙ্গ এলাকায় পরিকাঠামোপর্যটন ইত্যাদির উন্নয়নে বরাদ্দ ৩৭৫ কোটি ৩৪খেলাধুলোর বিকাশে বরাদ্দ ১৪২ কোটি টাকা ৩৫শহরাঞ্চলে রাস্তাঘাটনিকাশিজল সরবরাহের উন্নয়নে বরাদ্দ হল ১৫৮৫ কোটি টাকা

কলকাতা হোটেল
প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ ছুটিতেব্যবসা  শিক্ষা সংক্রান্ত সফরে দেশের এক ব্যস্ততম শহর কলকাতায়ভ্রমণ করতে আসে। ভারতের এই সাংস্কৃতিক রাজধানীপকেটের রেস্ত অনুযায়ী সমস্ত ধরনের ভ্রমণার্থীদের বিভিন্ন লজের বিকল্পতা নিবেদন করে।
কলকাতায় অবস্হান কালে আপনি এখানকার সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক সমৃদ্ধতার স্বাদ নিতে পারবেন।পুরানো স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত হোটেলগুলি শহরের স্পন্দনশীল জীবনধারার একটি আভাস দেয়। ঔপনিবেশিক আমলের ইংরেজদের দ্বারা নির্মিত  পরিকল্পিত এক কাঠামোয় আপনি বাস করতে পারেন অথবা আপনি আধুনিক পরিকাঠামো যুক্ত কোনও বাসস্থানও বেছে নিতে পারেন।
আপনি কোনও রাজকীয় রিসর্ট বা বাজেট হোটেল যাইই বেছে নিনহোটেলের নিষ্ঠাবান কর্মীদের কারণে কলকাতায় আপনার অবস্হান খুবই মসৃণ হয়ে যায়। এই শহরের অধিকাংশ হোটেলই তাদের খরিদ্দারের জন্য সারাক্ষণ ২৪* পরিষেবা প্রদান করে। এগুলি ছাড়াওপর্যটকদের বিশেষভাবে কিছু প্রয়োজনের ক্ষেত্রে বিশেষ অনুরোধে বিভিন্ন স্থানের বিকল্প রয়েছে। অধিকাংশ বিলাবহুল হোটেলগুলি বুকিং-য়ের সময় একটি পছন্দ’-এর নথি পূরণ করতে দেবে যার মধ্যে বিশেষ বা প্রবেশযোগ্য অনুরোধ’-এর শ্রেণী থাকে।

আপনি কোনও দম্পতি হিসাবে একটি রুম চাইলে কলকাতার কিছু কিছু হোটেলে বুকিং-য়ের সময় একটি স্বতন্ত্র প্রয়োজনীয় হিসাবে বিবাহের প্রমাণ দেখতে চায়। সুতরাংদেশের সবচেয়ে অন্যতম জনবহুল শহরগুলিতে যাওয়ার আগে আপনি আপনার থাকার সময় কোনো অসুবিধা এড়ানোর জন্য তথ্য-সূত্র যথেষ্ট আছে কি নাতা নিশ্চিত করুন। তবেহোটেল বুকিং-য়ের ব্যাপারে কোনও প্রতিনিধি বা ভ্রমণ দালালের সঙ্গে জড়িত না হওয়াটাই বাঞ্ছনীয়।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad