অরিবন্দ ঘোষ ও বারীণ ঘোষে মতো বিপ্লবীদের আদর্শে নিজেকে অনুপ্রানীত করে তুলে ছিলেন সুধাংশু বিশ্বাস। ইংরেজ সরকারের বিরুদ্ধে হাতে তুলে নিয়েছিলেন আগ্নেয় অস্ত্র। ইংরেজ পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার এড়াতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আত্মগোপন করে থেকেছেন। ইংরেজ পুলিসের হাতে ধরাও পড়েছেন। জেল খেটেছেন। প্রায় ৯৮ ছুঁইছুঁই সুধাংশু বিশ্বাসের মনে সেই সব ঘটনার স্মৃতি এখনো উজ্বল। স্বাধীনতার পরে তিনি সমাজ সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেন। তৈরি করেন গরীব ও দুঃস্থ ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া শেখানো ও জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য আবাসিক হোম। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের শ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের সেই কর্ণধারই এবার 'পদ্মশ্রী' সন্মানে ভূষিত হয়েছেন। তবে এই সন্মানকে সুধাংশুবাবু তাঁর কাজের স্বীকৃতি বলেই মনে করছেন। দেশ স্বাধীনের পর সুধাংশুবাবু স্বামী বিবেকানন্দের মানব সেবার আদর্শ নেন। সেই আদর্শেই তৈরি করেন শ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রম। ১৯৭৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর বিষ্ণুপুরে এই আবাসিক হোম প্রতিষ্ঠা হয়। অনাথ, দুঃস্থ ছেলেমেয়েদের শিক্ষিত করে তোলা এবং তাদের জীবনে প্রতিষ্ঠিত করার আদর্শ নিয়েই এই হোম কাজ করতে থাকে। এখানে দুটি ভাগে প্রায় ৫০ জন্য আবাসিক ছেলেমেয়ে থাকে। আর বৃদ্ধাশ্রমে থাকেন অসহায় বৃদ্ধবৃদ্ধারা। বয়েস বাড়লেও সুধাংশুবাবুর মনের জোর একটুও কমে নি। তাই এই বয়েসেও এতবড় কর্মযঞ্জ নিজে হাতে সামলান। এলাকার কচিকাঁচারা 'দাদু'র এই সন্মানে আনন্দিত। তিনিও অবশ্য মনে মনে আপ্লুত। বললেন, এই সন্মান আর কিছুই নয়। এতোদিন ধরে যে কাজ করে এসেছি তারই স্বীকৃতি। শ্রী রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের তরফে এক কর্মী জানালেন, প্রথমে তাঁরা কিছুই জানতে পারেন নি। কয়েকদিন আগে দিল্লি থেকে একটি ফোন আসে। তারপরেই বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমে সুধাংশুবাবুর পদ্মশ্রী পাওয়ার কথা জানতে পারেছেন তাঁরা।
অরিবন্দ ঘোষ ও বারীণ ঘোষে মতো বিপ্লবীদের আদর্শে নিজেকে অনুপ্রানীত করে তুলে ছিলেন সুধাংশু বিশ্বাস। ইংরেজ সরকারের বিরুদ্ধে হাতে তুলে নিয়েছিলেন আগ্নেয় অস্ত্র। ইংরেজ পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার এড়াতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আত্মগোপন করে থেকেছেন। ইংরেজ পুলিসের হাতে ধরাও পড়েছেন। জেল খেটেছেন। প্রায় ৯৮ ছুঁইছুঁই সুধাংশু বিশ্বাসের মনে সেই সব ঘটনার স্মৃতি এখনো উজ্বল। স্বাধীনতার পরে তিনি সমাজ সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেন। তৈরি করেন গরীব ও দুঃস্থ ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া শেখানো ও জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য আবাসিক হোম। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের শ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের সেই কর্ণধারই এবার 'পদ্মশ্রী' সন্মানে ভূষিত হয়েছেন। তবে এই সন্মানকে সুধাংশুবাবু তাঁর কাজের স্বীকৃতি বলেই মনে করছেন। দেশ স্বাধীনের পর সুধাংশুবাবু স্বামী বিবেকানন্দের মানব সেবার আদর্শ নেন। সেই আদর্শেই তৈরি করেন শ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রম। ১৯৭৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর বিষ্ণুপুরে এই আবাসিক হোম প্রতিষ্ঠা হয়। অনাথ, দুঃস্থ ছেলেমেয়েদের শিক্ষিত করে তোলা এবং তাদের জীবনে প্রতিষ্ঠিত করার আদর্শ নিয়েই এই হোম কাজ করতে থাকে। এখানে দুটি ভাগে প্রায় ৫০ জন্য আবাসিক ছেলেমেয়ে থাকে। আর বৃদ্ধাশ্রমে থাকেন অসহায় বৃদ্ধবৃদ্ধারা। বয়েস বাড়লেও সুধাংশুবাবুর মনের জোর একটুও কমে নি। তাই এই বয়েসেও এতবড় কর্মযঞ্জ নিজে হাতে সামলান। এলাকার কচিকাঁচারা 'দাদু'র এই সন্মানে আনন্দিত। তিনিও অবশ্য মনে মনে আপ্লুত। বললেন, এই সন্মান আর কিছুই নয়। এতোদিন ধরে যে কাজ করে এসেছি তারই স্বীকৃতি। শ্রী রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের তরফে এক কর্মী জানালেন, প্রথমে তাঁরা কিছুই জানতে পারেন নি। কয়েকদিন আগে দিল্লি থেকে একটি ফোন আসে। তারপরেই বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমে সুধাংশুবাবুর পদ্মশ্রী পাওয়ার কথা জানতে পারেছেন তাঁরা।

No comments:
Post a Comment