সকাল ৭ টার মধ্যেই হস্টেলে পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বেলা পর্যন্ত মিলছিল না খবর। এদিকে সকালে টিভিতে মিলেছিল দুর্ঘটনার খবর। তবুও আশায় বুক বেঁধেছিলেন পরিবারের লোকেরা। কিন্তু বিকেলের পর আর আশায় বসে থাকতে পারেননি কেউ। মুর্শিদাবাদের ছুটে যান পরিজনরা। মঙ্গলবার সকালে সনাক্ত হল দেহ। আর সে খবর পৌছোতেই স্বজনহারার শোকে কাঁদল পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর থানার নোনানস্করপুর। রবিবার রাতে জঙ্গিপুরে যাওয়ার জন্য ডোমকলে মালদহগামী অভিশপ্ত নর্থবেঙ্গল সার্ভিসের ওই বাসটিতে উঠেছিল জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র নোনানস্করপুরের যুবক সুরজিৎ জানা(২১)।সুরজিৎ গতবারে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছিল। পরীক্ষায় পাস করে কাঁথি প্রভাত কুমার কলেজে কমার্স বিষয়ে ভর্তি হয়েছিল। এর মধ্যেই গত ৪-৫ মাস আগে পলিটেকনিকে ভর্তির সুযোগ হয় তার। জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজে ভর্তি হয়েছিল। সরস্বতী পুজোর ছুটিতে বাড়ি ফিরেছিল। রবিবার বিকেলে বাড়ি থেকে কলেজে যাওয়ার জন্য বেরোয় সে। বাজকুল থেকে দিঘা-ডোমকল বাসে চাপে। রাতে ডোমকলে নর্থবেঙ্গলের বাসে চাপে জঙ্গিপুর যাওয়ার জন্য। বাড়িতে ফোন করে জানিয়েছিল ঠিক সময়ে বাস ছেড়েছে, সকাল ৭ টার মধ্যে সে হস্টেলে ঢুকে যাবে। কিন্তু আর হস্টেলে ফেরা হয়নি তার। দৌলতাবাদের দুর্ঘটনায় থমকে গেল ওই তরতাজা যুবকের পথচলা।সুরজিৎরা দুই ভাই। সুরজিৎ বড়,ছোট রণজিৎ।সে বাড়িতেই থাকে। বাবা হরিপদ জানা মুদি ব্যবসায়ী। ৭ টার পর ছেলেকে ফোনে না পেয়ে চিন্তা করতে শুরু করেন মা রঞ্জু জানা। তারপর দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই বাড়তে থাকে উৎকন্ঠা। রঞ্জুদেবী বাবার চাপ দেওয়া শুরু করেন হরিপদবাবুকে। এরপর বিকেলে পাড়ার কয়েকজন যুবককে নিয়ে মুর্শিদাবাদ বেরিয়ে যান তিনি। ভোররাতে বহরমপুর হাসপাতালে পৌঁছে ছেলের দেহ সনাক্ত করেন হরিপদবাবু। আর সকালে সে খবর আসে বাড়িতে। আর তার পর থেকেই কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা নোনানস্করপুর গ্রাম। ছেলের শোকে কার্যত বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন মা রঞ্জু। সন্ধেয় বহরমপুর থেকে ছেলের মৃতদেহ আগলে বাড়িমুখো হয়েছেন হরিপদবাবু।
সকাল ৭ টার মধ্যেই হস্টেলে পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বেলা পর্যন্ত মিলছিল না খবর। এদিকে সকালে টিভিতে মিলেছিল দুর্ঘটনার খবর। তবুও আশায় বুক বেঁধেছিলেন পরিবারের লোকেরা। কিন্তু বিকেলের পর আর আশায় বসে থাকতে পারেননি কেউ। মুর্শিদাবাদের ছুটে যান পরিজনরা। মঙ্গলবার সকালে সনাক্ত হল দেহ। আর সে খবর পৌছোতেই স্বজনহারার শোকে কাঁদল পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর থানার নোনানস্করপুর। রবিবার রাতে জঙ্গিপুরে যাওয়ার জন্য ডোমকলে মালদহগামী অভিশপ্ত নর্থবেঙ্গল সার্ভিসের ওই বাসটিতে উঠেছিল জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র নোনানস্করপুরের যুবক সুরজিৎ জানা(২১)।সুরজিৎ গতবারে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছিল। পরীক্ষায় পাস করে কাঁথি প্রভাত কুমার কলেজে কমার্স বিষয়ে ভর্তি হয়েছিল। এর মধ্যেই গত ৪-৫ মাস আগে পলিটেকনিকে ভর্তির সুযোগ হয় তার। জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজে ভর্তি হয়েছিল। সরস্বতী পুজোর ছুটিতে বাড়ি ফিরেছিল। রবিবার বিকেলে বাড়ি থেকে কলেজে যাওয়ার জন্য বেরোয় সে। বাজকুল থেকে দিঘা-ডোমকল বাসে চাপে। রাতে ডোমকলে নর্থবেঙ্গলের বাসে চাপে জঙ্গিপুর যাওয়ার জন্য। বাড়িতে ফোন করে জানিয়েছিল ঠিক সময়ে বাস ছেড়েছে, সকাল ৭ টার মধ্যে সে হস্টেলে ঢুকে যাবে। কিন্তু আর হস্টেলে ফেরা হয়নি তার। দৌলতাবাদের দুর্ঘটনায় থমকে গেল ওই তরতাজা যুবকের পথচলা।সুরজিৎরা দুই ভাই। সুরজিৎ বড়,ছোট রণজিৎ।সে বাড়িতেই থাকে। বাবা হরিপদ জানা মুদি ব্যবসায়ী। ৭ টার পর ছেলেকে ফোনে না পেয়ে চিন্তা করতে শুরু করেন মা রঞ্জু জানা। তারপর দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই বাড়তে থাকে উৎকন্ঠা। রঞ্জুদেবী বাবার চাপ দেওয়া শুরু করেন হরিপদবাবুকে। এরপর বিকেলে পাড়ার কয়েকজন যুবককে নিয়ে মুর্শিদাবাদ বেরিয়ে যান তিনি। ভোররাতে বহরমপুর হাসপাতালে পৌঁছে ছেলের দেহ সনাক্ত করেন হরিপদবাবু। আর সকালে সে খবর আসে বাড়িতে। আর তার পর থেকেই কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা নোনানস্করপুর গ্রাম। ছেলের শোকে কার্যত বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন মা রঞ্জু। সন্ধেয় বহরমপুর থেকে ছেলের মৃতদেহ আগলে বাড়িমুখো হয়েছেন হরিপদবাবু।

No comments:
Post a Comment