মৃন্ময় নস্কর, বারুইপুর: বাংলাদেশ ,মনিপুর হয়ে ভারতের হায়দ্রাবাদ আর দিল্লি ঘুরে ৫৩৩০ কিমি পথ অতিক্রম করে এসে মায়ানমারের রোহিঙ্গা জন গোষ্ঠীর ২৯ জন এর এখন ঠিকানা দক্ষিন ২৪ পরগনার বারুইপুরের হারদহ পঞ্চায়েতের পশ্চিম হারদহ এলাকা ,১ বছর ধরে ভারতে থাকলেও বারুইপুরের হারদহ এলাকায় তারা এসেছে ১ মাস ১০ দিন । মায়ানমারের সেনা বাহিনীর নির্মম অত্যাচারে তারা দেশ থেকে বিতাড়িত । চোখের সামনে দেখেছেন তাদের আত্মীয় পরিজনকে একের পর এক হত্যা করা হয়েছে ,কেউ হারিয়েছেন ছেলে কেউ বা নিজের মা । বারুইপুরের পশ্চিম হারদহ এলাকার খাল পাড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে তারা , মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তারা দরবার করে এক চিঠি পাঠিয়েছেন তাদের স্ত্রায়ি বাসস্তানের ব্যবস্থার সুরাহার জন্য ,। খাল পাড়ে ১৫ কাঠা খাস জমিতে রোহিঙ্গাদের জন্য ছোট ছোট এক কামরা ,দুই কামরা টিনের ঘর তৈরি করে দিয়েছেন গ্রাম বাসিরা , রোহিঙ্গাদের ৬ টি পরিবারের ২৯ জন সদস্যর মধ্যে ১১ জন শিশু , ৯ জন মহিলা ,৯ জন পুরুষ আছে । অসহায় রোহিঙ্গাদের জন্য গ্রাম বাসিরাই পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন , গ্রাম বাসীদের তরফ থেকে বা কোন সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের হাতে পরনের জামা কাপড় তুলে দেওয়া হচ্ছে আবার চাঁদা তুলে তাদের জন্য দিন রাত খাওয়ার ব্যবস্থা করছেন এই এলাকার গ্রাম বাসিরাই । আবার তাদের টিনের ঘরের পাশেই পানীয় জলের টিউব কলের ব্যবস্থাও করা হয়েছে । বারুইপুরে নিরাপদ আশ্রয়ে এসে তারা পেয়েছেন নতুন করে বাঁচার স্বাদ ।রহিঙ্গা বছর ৫০ এর জুবেদা বিবি জানায় ,অনেক কষ্টে এসেছি ,আমাদের সব কেড়ে নিয়েছে মায়ানমার ,ওখানে দোতলা বাড়ি ছিল ,আমার মেয়ে জামাই দিল্লিতে থাকে দেখে না তারা । এখানকার গ্রাম বাসিরা আমাদের চাল ,ডাল দিচ্ছে খাওয়ার জন্য ,মাথার উপর ছাদ দিয়েছে । আবার ৫০ বছরের আমিরা বেগম জানায় ,ওখানে গরু ,ছাগল ছিল সব ছিল , সব ছেড়ে বাঁচার জন্য পরিবার নিয়ে চলে এসেছি ,ওখানে ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা করতে দিত না ,তাই কেউ পড়া সোনা করতে পারেনি । আমাদের পাশে এই রাজ্য সরকার দাঁড়ালে আমরা বাসস্থান পাব ,আর ফিরতে চাই না মায়ানমার । ২৯ বছরের যুবক মহম্মদ জয়নাল জানায় ,ওখানে জমি ঘর সব ছিল ,আমাদের মেরে তাড়িয়ে দিয়েছে মায়ানমার সরকার , ওখানে আতপ চাল খেতাম এখন সিদ্ধ ভাত জুটছে ,গ্রাম বাসিরা অনেক সাহায্য করছে । মোহনা আখতার তার মাকে সেনা বাহিনী গুলি করে দিয়েছিল চোখের সামনে , এখন দেওর ,স্বামী ,শাশুড়ি কে নিয়ে পালিয়ে এসেছে বারুইপুরে । গ্রামবাসী তথা এক সংস্থার কর্ণধার হোসেন গাজি জানায় ,আমরা রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়েছি ,তাদের বাসস্থানের জন্য মহকুমা শাসক ,পুলিশ সুপার ,বি ডিও কে লিখিত ভাবে জানিয়েছি । এই রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো গ্রাম বাসি আশরাফ গাজি ,আলতাফ মোল্লা জানায় ,এরা অসহায় ,আমাদের কোন অসুবিধা নেই তাদের থাকতে দিয়ে , চাঁদা তুলে এদের চাল ডাল থেকে শুরু করে পড়নের পোশাক দেওয়া হচ্ছে । আমরা চাই এরা বেঁচে থাকুক । এই বিষয়ে বারুইপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি শ্যাম সুন্দর চক্রবর্তী জানায় ,আমাদের এই বিষয়ে বিরুদ্ধাচরন করিনি ,আমরা দেখবো কি করা যায় । এরা বিতাড়িত ,এদের পাশে গ্রাম বাসিরা দাঁড়িয়েছে ।
মৃন্ময় নস্কর, বারুইপুর: বাংলাদেশ ,মনিপুর হয়ে ভারতের হায়দ্রাবাদ আর দিল্লি ঘুরে ৫৩৩০ কিমি পথ অতিক্রম করে এসে মায়ানমারের রোহিঙ্গা জন গোষ্ঠীর ২৯ জন এর এখন ঠিকানা দক্ষিন ২৪ পরগনার বারুইপুরের হারদহ পঞ্চায়েতের পশ্চিম হারদহ এলাকা ,১ বছর ধরে ভারতে থাকলেও বারুইপুরের হারদহ এলাকায় তারা এসেছে ১ মাস ১০ দিন । মায়ানমারের সেনা বাহিনীর নির্মম অত্যাচারে তারা দেশ থেকে বিতাড়িত । চোখের সামনে দেখেছেন তাদের আত্মীয় পরিজনকে একের পর এক হত্যা করা হয়েছে ,কেউ হারিয়েছেন ছেলে কেউ বা নিজের মা । বারুইপুরের পশ্চিম হারদহ এলাকার খাল পাড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে তারা , মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তারা দরবার করে এক চিঠি পাঠিয়েছেন তাদের স্ত্রায়ি বাসস্তানের ব্যবস্থার সুরাহার জন্য ,। খাল পাড়ে ১৫ কাঠা খাস জমিতে রোহিঙ্গাদের জন্য ছোট ছোট এক কামরা ,দুই কামরা টিনের ঘর তৈরি করে দিয়েছেন গ্রাম বাসিরা , রোহিঙ্গাদের ৬ টি পরিবারের ২৯ জন সদস্যর মধ্যে ১১ জন শিশু , ৯ জন মহিলা ,৯ জন পুরুষ আছে । অসহায় রোহিঙ্গাদের জন্য গ্রাম বাসিরাই পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন , গ্রাম বাসীদের তরফ থেকে বা কোন সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের হাতে পরনের জামা কাপড় তুলে দেওয়া হচ্ছে আবার চাঁদা তুলে তাদের জন্য দিন রাত খাওয়ার ব্যবস্থা করছেন এই এলাকার গ্রাম বাসিরাই । আবার তাদের টিনের ঘরের পাশেই পানীয় জলের টিউব কলের ব্যবস্থাও করা হয়েছে । বারুইপুরে নিরাপদ আশ্রয়ে এসে তারা পেয়েছেন নতুন করে বাঁচার স্বাদ ।রহিঙ্গা বছর ৫০ এর জুবেদা বিবি জানায় ,অনেক কষ্টে এসেছি ,আমাদের সব কেড়ে নিয়েছে মায়ানমার ,ওখানে দোতলা বাড়ি ছিল ,আমার মেয়ে জামাই দিল্লিতে থাকে দেখে না তারা । এখানকার গ্রাম বাসিরা আমাদের চাল ,ডাল দিচ্ছে খাওয়ার জন্য ,মাথার উপর ছাদ দিয়েছে । আবার ৫০ বছরের আমিরা বেগম জানায় ,ওখানে গরু ,ছাগল ছিল সব ছিল , সব ছেড়ে বাঁচার জন্য পরিবার নিয়ে চলে এসেছি ,ওখানে ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা করতে দিত না ,তাই কেউ পড়া সোনা করতে পারেনি । আমাদের পাশে এই রাজ্য সরকার দাঁড়ালে আমরা বাসস্থান পাব ,আর ফিরতে চাই না মায়ানমার । ২৯ বছরের যুবক মহম্মদ জয়নাল জানায় ,ওখানে জমি ঘর সব ছিল ,আমাদের মেরে তাড়িয়ে দিয়েছে মায়ানমার সরকার , ওখানে আতপ চাল খেতাম এখন সিদ্ধ ভাত জুটছে ,গ্রাম বাসিরা অনেক সাহায্য করছে । মোহনা আখতার তার মাকে সেনা বাহিনী গুলি করে দিয়েছিল চোখের সামনে , এখন দেওর ,স্বামী ,শাশুড়ি কে নিয়ে পালিয়ে এসেছে বারুইপুরে । গ্রামবাসী তথা এক সংস্থার কর্ণধার হোসেন গাজি জানায় ,আমরা রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়েছি ,তাদের বাসস্থানের জন্য মহকুমা শাসক ,পুলিশ সুপার ,বি ডিও কে লিখিত ভাবে জানিয়েছি । এই রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো গ্রাম বাসি আশরাফ গাজি ,আলতাফ মোল্লা জানায় ,এরা অসহায় ,আমাদের কোন অসুবিধা নেই তাদের থাকতে দিয়ে , চাঁদা তুলে এদের চাল ডাল থেকে শুরু করে পড়নের পোশাক দেওয়া হচ্ছে । আমরা চাই এরা বেঁচে থাকুক । এই বিষয়ে বারুইপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি শ্যাম সুন্দর চক্রবর্তী জানায় ,আমাদের এই বিষয়ে বিরুদ্ধাচরন করিনি ,আমরা দেখবো কি করা যায় । এরা বিতাড়িত ,এদের পাশে গ্রাম বাসিরা দাঁড়িয়েছে ।

No comments:
Post a Comment