দীর্ঘ দিনের লড়াইয়ের পর এবার পদ্মশ্রীর স্বীকৃতি পাচ্ছেন হিউম্যানিটি হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা সুবাষিণী মিস্ত্রি। কেমন লাগছে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সবাই আনন্দিত। তাই আমিও আনন্দিত। তবে পদ্মশ্রী পেলেও লড়াই থামাচ্ছেন না তিনি। গরিব মানুষকে আরোও বেশি স্বাস্থ্য পরিষেবা দিতে লড়াই চালিয়ে যাব তিনি। এক সময় স্বামী সাধন চন্দ্র মিস্ত্রিকে চোখের সামনে মারা যেতে দেখে ছিলেন। দুই ছেলে এবং মেয়েকে নিয়ে তিনি অথৈ জলে পড়ে ছিলেন। শুরু হয়েছিল লড়াই। দুই ছেলেদের হোমে রেখে লেখাপড়া শিখিয়েছেন। তিনি নিজে ধাপা বাজারে সব্জির দোকানে সব্জি বিক্রি করেছেন। আর তার ফাঁকেই সংসার পতিপালনের পাশাপাশি গরিব মানুষ যাতে স্বাস্থ্য পরিষেবা ঠিক মতো পায়, তার ব্যবস্থা করতে হাসপাতাল গড়ে তুলবেন ঠিক করেছিলেন। অনেকদিন ধরে টাকা জমিয়ে তিনি ১৯ কাটা জমি কিনেছিলেন। সেখানেই ১৯৯৩ সালে প্রথম ছাউনি দিয়ে অস্থায়ী ঘরে প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র গড়ে তোলেন। এরপর ১৯৯৬ সালে ইট দিয়ে পাকা ঘর তৈরি করে শুরু হয় হিউম্যানিটি হাসপাতাল। তদানন্তিন রাজ্যপাল কে ভি রঘুনাথ রেড্ডি সেই হাসপাতালের উদ্ধোধন করেছিলেন। ওই হাসপাতালই সুবাষিণীদেবীর ধ্যানঞ্জান হয়ে ওঠে। ছেলে অজয় মিস্ত্রি ডাক্তারি পাশ করে হাসপাতালের কাজে যোগ দেন। এখন হাসপাতালের দেখভাল করেন। ধাপার বাজারে সেই সব্জির দোকানে তিনি ব্যবসা করতে তিনি যেতে পারেন না। তবে সেই দোকান তিনি ছাড়েন নি। ওটাই হাসপাতাল গড়ে তোলার তাঁকে শক্তি জুগিয়েছিল। তিনি জানান, হাসপাতালের অন্তর্বিভাগে কাজ চলছে। তাই রোগি ভর্তি এখন হচ্ছে না। তবে বহির্বিভাগে প্রতিদিনই চিকিৎসকরা বসছেন। রোগি দেখছেন। ছবি — ঠাকুরপুকুরের হিউম্যানিটি হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা পদ্মশ্রী সুবাষিণী মিস্ত্রি।
দীর্ঘ দিনের লড়াইয়ের পর এবার পদ্মশ্রীর স্বীকৃতি পাচ্ছেন হিউম্যানিটি হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা সুবাষিণী মিস্ত্রি। কেমন লাগছে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সবাই আনন্দিত। তাই আমিও আনন্দিত। তবে পদ্মশ্রী পেলেও লড়াই থামাচ্ছেন না তিনি। গরিব মানুষকে আরোও বেশি স্বাস্থ্য পরিষেবা দিতে লড়াই চালিয়ে যাব তিনি। এক সময় স্বামী সাধন চন্দ্র মিস্ত্রিকে চোখের সামনে মারা যেতে দেখে ছিলেন। দুই ছেলে এবং মেয়েকে নিয়ে তিনি অথৈ জলে পড়ে ছিলেন। শুরু হয়েছিল লড়াই। দুই ছেলেদের হোমে রেখে লেখাপড়া শিখিয়েছেন। তিনি নিজে ধাপা বাজারে সব্জির দোকানে সব্জি বিক্রি করেছেন। আর তার ফাঁকেই সংসার পতিপালনের পাশাপাশি গরিব মানুষ যাতে স্বাস্থ্য পরিষেবা ঠিক মতো পায়, তার ব্যবস্থা করতে হাসপাতাল গড়ে তুলবেন ঠিক করেছিলেন। অনেকদিন ধরে টাকা জমিয়ে তিনি ১৯ কাটা জমি কিনেছিলেন। সেখানেই ১৯৯৩ সালে প্রথম ছাউনি দিয়ে অস্থায়ী ঘরে প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র গড়ে তোলেন। এরপর ১৯৯৬ সালে ইট দিয়ে পাকা ঘর তৈরি করে শুরু হয় হিউম্যানিটি হাসপাতাল। তদানন্তিন রাজ্যপাল কে ভি রঘুনাথ রেড্ডি সেই হাসপাতালের উদ্ধোধন করেছিলেন। ওই হাসপাতালই সুবাষিণীদেবীর ধ্যানঞ্জান হয়ে ওঠে। ছেলে অজয় মিস্ত্রি ডাক্তারি পাশ করে হাসপাতালের কাজে যোগ দেন। এখন হাসপাতালের দেখভাল করেন। ধাপার বাজারে সেই সব্জির দোকানে তিনি ব্যবসা করতে তিনি যেতে পারেন না। তবে সেই দোকান তিনি ছাড়েন নি। ওটাই হাসপাতাল গড়ে তোলার তাঁকে শক্তি জুগিয়েছিল। তিনি জানান, হাসপাতালের অন্তর্বিভাগে কাজ চলছে। তাই রোগি ভর্তি এখন হচ্ছে না। তবে বহির্বিভাগে প্রতিদিনই চিকিৎসকরা বসছেন। রোগি দেখছেন। ছবি — ঠাকুরপুকুরের হিউম্যানিটি হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা পদ্মশ্রী সুবাষিণী মিস্ত্রি।

No comments:
Post a Comment