চাঁদনী,তমলুক: তমলুক রাজবাড়ির "মুখশ্রী" বদলানোর কাজে হাত লাগলো কেন্দ্র সরকার। সংস্কারের প্রথম পর্বের কাজের জন্য শুরু হল মাপঝোঁকের কাজ। সংস্কারের অভাব এতদিন ভগ্নপ্রায় অবস্থায় পড়েছিল রাজপ্রাসাদটি। সম্প্রতি কীভাবে এই সংস্কার কাজ শুরু হবে তা খতিয়ে দেখতে আসেন আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিরা। তমলুক তথা পূর্ব মেদিনীপুরের ইতিহাসের সঙ্গে নাম জড়িয়ে আছে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত রাজবাড়ির। তমলুক রাজপরিবারের জন্ম-বৃত্তান্ত লুকিয়ে রয়েছে এই রাজবাড়ির প্রতিটি ইটের খাঁচে। অতীতের তাম্রলিপ্ত, আজকের তমলুক। বৌদ্ধ বিহার,অশোক স্তম্ভ গড়া হয়েছিল এই নগরীতে।কথিত আছে,হিউয়েন সাঙ্গ বহু দেবমন্দিরও দেখেছিলেন এখানে। এখন সে সবই বিলুপ্ত। স্মৃতি চিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে শুধু জীর্ণ রাজবাড়ি।হারিয়েছে তার সমৃদ্ধি ,প্রাচুর্য্য বিলাস,বৈভব— নেই তাতে প্রাণের স্পন্দন। রাজসিক দাম্ভিকতা আজ শুধুই গূঢ় অভিমান।আর আছে তাতে পুরোনো স্থাপত্যের ঐতিহ্য। বিরাট অট্টালিকার ভগ্নাবশেষ অতীত-বাংলার উন্নত স্থাপত্যশিল্পের উৎকৃষ্ট নিদর্শন। বিরাট বিরাট আর্চের উপরে দাঁড়িয়ে আছে প্রাসাদের অবশিষ্ট।সংস্কারের অভাবে প্রকান্ড এই রাজবাড়ির ভাস্কর্যের বহু নিদর্শন এতদিন নষ্ট হচ্ছিল। তমলুকবাসীর রাজবাড়ি সংস্কারের আবেদন ছিল বহুদিনের। সেই মতো আগেই ইতিহাসের নজির হিসেবে কেন্দ্র সরকার রাজবাড়ি অধিগ্রহণ করে হেরিটেজ তকমাও দিয়েছিল। এবার সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় প্রশাসনিক ভূমিকায় কার্যত খুশি তমলুকের মানুষ।পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক রশ্মি কমল বলেন," কয়েকদিন আগে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার দুই প্রতিনিধিরা এসে গোটা রাজবাড়ি ঘুরে গেছেন। সংস্কারের জন্য নকশা চূড়ান্ত হয়েগেছে।আশা করছি, খুব তাড়াতাড়ি সংস্কার কাজ শুরু হয়ে যাবে।"
চাঁদনী,তমলুক: তমলুক রাজবাড়ির "মুখশ্রী" বদলানোর কাজে হাত লাগলো কেন্দ্র সরকার। সংস্কারের প্রথম পর্বের কাজের জন্য শুরু হল মাপঝোঁকের কাজ। সংস্কারের অভাব এতদিন ভগ্নপ্রায় অবস্থায় পড়েছিল রাজপ্রাসাদটি। সম্প্রতি কীভাবে এই সংস্কার কাজ শুরু হবে তা খতিয়ে দেখতে আসেন আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিরা। তমলুক তথা পূর্ব মেদিনীপুরের ইতিহাসের সঙ্গে নাম জড়িয়ে আছে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত রাজবাড়ির। তমলুক রাজপরিবারের জন্ম-বৃত্তান্ত লুকিয়ে রয়েছে এই রাজবাড়ির প্রতিটি ইটের খাঁচে। অতীতের তাম্রলিপ্ত, আজকের তমলুক। বৌদ্ধ বিহার,অশোক স্তম্ভ গড়া হয়েছিল এই নগরীতে।কথিত আছে,হিউয়েন সাঙ্গ বহু দেবমন্দিরও দেখেছিলেন এখানে। এখন সে সবই বিলুপ্ত। স্মৃতি চিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে শুধু জীর্ণ রাজবাড়ি।হারিয়েছে তার সমৃদ্ধি ,প্রাচুর্য্য বিলাস,বৈভব— নেই তাতে প্রাণের স্পন্দন। রাজসিক দাম্ভিকতা আজ শুধুই গূঢ় অভিমান।আর আছে তাতে পুরোনো স্থাপত্যের ঐতিহ্য। বিরাট অট্টালিকার ভগ্নাবশেষ অতীত-বাংলার উন্নত স্থাপত্যশিল্পের উৎকৃষ্ট নিদর্শন। বিরাট বিরাট আর্চের উপরে দাঁড়িয়ে আছে প্রাসাদের অবশিষ্ট।সংস্কারের অভাবে প্রকান্ড এই রাজবাড়ির ভাস্কর্যের বহু নিদর্শন এতদিন নষ্ট হচ্ছিল। তমলুকবাসীর রাজবাড়ি সংস্কারের আবেদন ছিল বহুদিনের। সেই মতো আগেই ইতিহাসের নজির হিসেবে কেন্দ্র সরকার রাজবাড়ি অধিগ্রহণ করে হেরিটেজ তকমাও দিয়েছিল। এবার সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় প্রশাসনিক ভূমিকায় কার্যত খুশি তমলুকের মানুষ।পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক রশ্মি কমল বলেন," কয়েকদিন আগে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার দুই প্রতিনিধিরা এসে গোটা রাজবাড়ি ঘুরে গেছেন। সংস্কারের জন্য নকশা চূড়ান্ত হয়েগেছে।আশা করছি, খুব তাড়াতাড়ি সংস্কার কাজ শুরু হয়ে যাবে।"

No comments:
Post a Comment