চাঁদনী: কেউ ১০০ দিনের শ্রমিক, কেউ ভ্যান চালক। কেউ আবার স্কুল পড়ুয়া। আগে কারোরই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছিল না। সরকারি নানা সুবিধা পেতে বছরখানেক আগেই তাঁরা খুলে ছিলেন শুন্য রাশির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। তাতে কেউ জমিয়ে ছিলেন ২০-২৫ হাজার। আবার কারও অ্যাকাউন্টে জমাছিল কন্যাশ্রীর টাকা। আর এমনই ৫ হাজার গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে রাতারাতি ঢুকলো লাখ টাকার থেকে এক টাকা কম অর্থাৎ ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা। গত ১২ ডিসেম্বর মোবাইলের মাধ্যমে অ্যাকাউন্টে এই বিপুল অংকের টাকা ঢোকার এসএমএস দেখেই চোখ কপালে উঠেছিল এগরার চিরুলিয়ার একটি রাষ্ট্রায়াত্ব ব্যাঙ্কের কিয়স্ক শাখার ওই সমস্ত গ্রাহকদের। টাকার উৎস্য খুঁজে না পেয়ে তাঁদের অনেকেরই মাথায় এসেছিল মোদির জনধন যোজনার কথা। কারণ, ক্ষমতার আসার আগেই মোদি প্রচার করেছিলেন বিদেশ থেকে কালো টাকা উদ্ধার করে প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ করে দেওয়ার। আর চিরুলিয়ার ব্যাঙ্ক গ্রাহকেরা উত্স্যহীন টাকার হদিশ খুঁজে না পেয়েই কার্যত মোদি সরকারের গুণগান করা শুরুই করেছিলেন। কিন্তু টাকা তুলতে গিয়েই তৈরি হয়েছে বিপত্তি। কারণ, এই বিপুল রাশির টাকা ঢোকার পরেই সেই অ্যাকাউন্টগুলি হোল্ড করে দিয়েছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। যার কারণে ওই ৫ হাজার গ্রাহকের কেউই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে না পারছেন টাকা তুলতে, না পারছেন টাকা জমা করতে। আর এতেই বিপাকে পড়েছেন তাঁরা। এদিকে শুরুতে টাকার উৎস্য অজনা ব্যাঙ্ক জানাতে না পারলেও পরবর্তী সময়ে সার্ভার সমস্যার জন্য এমন ঘটেছে বলে জানিয়েছে। চিরুলিয়ার ওই কিয়স্ক শাখার দায়িত্বে থাকা গুনধর দাস বলেন," ৫ হাজার গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে আচমকা এই বিপুল পরিমান টাকা ঢুকে যাওয়ার কারণে আমরাও প্রথমে ধন্দে পড়ে গেছিলাম। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি গোটা দেশেই ওই দিন সার্ভার সমস্যার কারণে এমন সমস্যা হয়েছে। আর এর জন্য ওই গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট হোল্ড করে দেওয়া হয়েছে। যাতে কেউ টাকা না তুলতে পারেন। এই সমস্যা দূর করতে নতুন করতে কেওয়াইসি জমা করতে বলা হয়েছে প্রত্যেক গ্রাহককে।তার পরেই স্বাভাবিক হবে অ্যাকাউন্ট তেহেক টাকা লেনদেন।'' তবে কত দিনের মধ্যে এ সমস্যা মিটবে তার কোনও সঠিক সময় দিতে পারেনি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। যার কারণে দুর্ভোগও এখন কমছে না গ্রাহকদের। দুর্ভোগের শিকার ওই ব্যাঙ্কের গ্রাহক নারায়ণ করণ বলেন," ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৩০ হাজার টাকা জমা ছিল আমার। ডিসেম্বর মাসে ঘর মেরামত করার জন্য ওই টাকা রেখে ছিলাম। কিন্তু এই ঘটনার জন্য এখনও ঘরের কাজে এগোতে পারিনি।" স্থানীয় স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী অঞ্জলি মুখার্জি বলে," আমরা কন্যাশ্রীর টাকা জমা ছিল ব্যাঙ্কে। ওই টাকা থেকেই লেখাপড়ার খরচ চলে আমার। কিন্তু এখন টাকা থেকেও সমস্যায় পড়তে হয়েছে এই ঘটনার জন্য।"
চাঁদনী: কেউ ১০০ দিনের শ্রমিক, কেউ ভ্যান চালক। কেউ আবার স্কুল পড়ুয়া। আগে কারোরই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছিল না। সরকারি নানা সুবিধা পেতে বছরখানেক আগেই তাঁরা খুলে ছিলেন শুন্য রাশির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। তাতে কেউ জমিয়ে ছিলেন ২০-২৫ হাজার। আবার কারও অ্যাকাউন্টে জমাছিল কন্যাশ্রীর টাকা। আর এমনই ৫ হাজার গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে রাতারাতি ঢুকলো লাখ টাকার থেকে এক টাকা কম অর্থাৎ ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা। গত ১২ ডিসেম্বর মোবাইলের মাধ্যমে অ্যাকাউন্টে এই বিপুল অংকের টাকা ঢোকার এসএমএস দেখেই চোখ কপালে উঠেছিল এগরার চিরুলিয়ার একটি রাষ্ট্রায়াত্ব ব্যাঙ্কের কিয়স্ক শাখার ওই সমস্ত গ্রাহকদের। টাকার উৎস্য খুঁজে না পেয়ে তাঁদের অনেকেরই মাথায় এসেছিল মোদির জনধন যোজনার কথা। কারণ, ক্ষমতার আসার আগেই মোদি প্রচার করেছিলেন বিদেশ থেকে কালো টাকা উদ্ধার করে প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ করে দেওয়ার। আর চিরুলিয়ার ব্যাঙ্ক গ্রাহকেরা উত্স্যহীন টাকার হদিশ খুঁজে না পেয়েই কার্যত মোদি সরকারের গুণগান করা শুরুই করেছিলেন। কিন্তু টাকা তুলতে গিয়েই তৈরি হয়েছে বিপত্তি। কারণ, এই বিপুল রাশির টাকা ঢোকার পরেই সেই অ্যাকাউন্টগুলি হোল্ড করে দিয়েছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। যার কারণে ওই ৫ হাজার গ্রাহকের কেউই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে না পারছেন টাকা তুলতে, না পারছেন টাকা জমা করতে। আর এতেই বিপাকে পড়েছেন তাঁরা। এদিকে শুরুতে টাকার উৎস্য অজনা ব্যাঙ্ক জানাতে না পারলেও পরবর্তী সময়ে সার্ভার সমস্যার জন্য এমন ঘটেছে বলে জানিয়েছে। চিরুলিয়ার ওই কিয়স্ক শাখার দায়িত্বে থাকা গুনধর দাস বলেন," ৫ হাজার গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে আচমকা এই বিপুল পরিমান টাকা ঢুকে যাওয়ার কারণে আমরাও প্রথমে ধন্দে পড়ে গেছিলাম। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি গোটা দেশেই ওই দিন সার্ভার সমস্যার কারণে এমন সমস্যা হয়েছে। আর এর জন্য ওই গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট হোল্ড করে দেওয়া হয়েছে। যাতে কেউ টাকা না তুলতে পারেন। এই সমস্যা দূর করতে নতুন করতে কেওয়াইসি জমা করতে বলা হয়েছে প্রত্যেক গ্রাহককে।তার পরেই স্বাভাবিক হবে অ্যাকাউন্ট তেহেক টাকা লেনদেন।'' তবে কত দিনের মধ্যে এ সমস্যা মিটবে তার কোনও সঠিক সময় দিতে পারেনি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। যার কারণে দুর্ভোগও এখন কমছে না গ্রাহকদের। দুর্ভোগের শিকার ওই ব্যাঙ্কের গ্রাহক নারায়ণ করণ বলেন," ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৩০ হাজার টাকা জমা ছিল আমার। ডিসেম্বর মাসে ঘর মেরামত করার জন্য ওই টাকা রেখে ছিলাম। কিন্তু এই ঘটনার জন্য এখনও ঘরের কাজে এগোতে পারিনি।" স্থানীয় স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী অঞ্জলি মুখার্জি বলে," আমরা কন্যাশ্রীর টাকা জমা ছিল ব্যাঙ্কে। ওই টাকা থেকেই লেখাপড়ার খরচ চলে আমার। কিন্তু এখন টাকা থেকেও সমস্যায় পড়তে হয়েছে এই ঘটনার জন্য।"

No comments:
Post a Comment