চাঁদনী, কাঁথি:ভাইবোনের প্রেম।মানেনি পরিবার।পালিয়ে বিয়ে করেছিল যুগলে। তাতেও বাধ সাধে পরিবার। উভয়কে খুঁজে এনে মারধর করে ঘর থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় ছেলেকে।আর শাঁখা ভেঙে সিঁদুর মুছিয়ে ঘরে নিয়ে যাওয়া হয় ঘরে। যা মেনে নিতে পারেনি নাবালিকা। আর এতেই লজ্জায় অপমানে গলায় ওড়নার ফাঁস জড়িয়ে আত্মঘাতী হল সে। ঘটনা পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি দেশপ্রাণ ব্লকের নামালডিহার। রবিবার সকালে নিজের ঘরের মধ্যে সবার অলক্ষ্যে ফাঁসিতে ঝুলে পড়ে সরস্বতী মান্না (১৪)। জেঠুর ছেলে গৌরাঙ্গের সঙ্গে প্রণয়ের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিল সে। ভাইবোনের এমন সম্পর্ক সমাজ পরিবার কেউ মানবে না জেনেই গত বুধবার তারা বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরদিন একটি মন্দিরে গিয়ে তারা মালাবদল করে। এরপরেই তাদের সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলে শনিবার তাদের ফিরিয়ে আনে পরিবারের লোকেরা। কিন্তু ঘরে ফেরার পর রুদ্রমূর্তি ধারণ করে পরিবারের লোকেরা।গৌরাঙ্গকে মেরে তাড়িয়ে দেয় তারা আর শাঁখা ভেঙে সিঁদুর মুছিয়ে ঘরে নিয়ে যাওয়া হয় সরস্বতী কে। সঙ্গী হারিয়ে লজ্জা, অপমানে এরপর মৃত্যুর পথ বেছে নেয় সে। যাকে ঘিরে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নামালডিহা এলাকায়। ঘটনার পরই মুখে কুলুপ এঁটেছেন পরিবারের লোকেরা।
চাঁদনী, কাঁথি:ভাইবোনের প্রেম।মানেনি পরিবার।পালিয়ে বিয়ে করেছিল যুগলে। তাতেও বাধ সাধে পরিবার। উভয়কে খুঁজে এনে মারধর করে ঘর থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় ছেলেকে।আর শাঁখা ভেঙে সিঁদুর মুছিয়ে ঘরে নিয়ে যাওয়া হয় ঘরে। যা মেনে নিতে পারেনি নাবালিকা। আর এতেই লজ্জায় অপমানে গলায় ওড়নার ফাঁস জড়িয়ে আত্মঘাতী হল সে। ঘটনা পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি দেশপ্রাণ ব্লকের নামালডিহার। রবিবার সকালে নিজের ঘরের মধ্যে সবার অলক্ষ্যে ফাঁসিতে ঝুলে পড়ে সরস্বতী মান্না (১৪)। জেঠুর ছেলে গৌরাঙ্গের সঙ্গে প্রণয়ের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিল সে। ভাইবোনের এমন সম্পর্ক সমাজ পরিবার কেউ মানবে না জেনেই গত বুধবার তারা বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরদিন একটি মন্দিরে গিয়ে তারা মালাবদল করে। এরপরেই তাদের সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলে শনিবার তাদের ফিরিয়ে আনে পরিবারের লোকেরা। কিন্তু ঘরে ফেরার পর রুদ্রমূর্তি ধারণ করে পরিবারের লোকেরা।গৌরাঙ্গকে মেরে তাড়িয়ে দেয় তারা আর শাঁখা ভেঙে সিঁদুর মুছিয়ে ঘরে নিয়ে যাওয়া হয় সরস্বতী কে। সঙ্গী হারিয়ে লজ্জা, অপমানে এরপর মৃত্যুর পথ বেছে নেয় সে। যাকে ঘিরে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নামালডিহা এলাকায়। ঘটনার পরই মুখে কুলুপ এঁটেছেন পরিবারের লোকেরা।

No comments:
Post a Comment