পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় দোষীসাব্যস্ত লালুপ্রসাদ যাদবের সাড়ে তিন বছরের জেল হল। পাশাপাশি পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা হয়েছে। রাঁচির সিবিআই আদালত লালুপ্রসাদের সাজা ঘোষণা করল। পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় বুধবার (৩ জানুয়ারি) লালুপ্রসাদ সহ মোট ১৬ জনের সাজা ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, আইনজীবী বিন্ধেশ্বরী প্রসাদের মৃত্যুর কারণে সাজা ঘোষণা পিছিয়ে যায়। অবশেষে আজ লালুপ্রসাদের সাজার কথা ঘোষণা করলেন বিচারক শিবপাল সিং।
লালুপ্রসাদ ছাড়াও এই মামলায় অন্যতম দোষীরা হলেন, ফুল চাঁদ, মহেশ প্রসাদ, বেক জুলিয়াস, সুনীল কুমার, সুশীল কুমার, সুধীর কুমার এবং রাজা রাম। তাঁদের প্রত্যেকেরই সাড়ে তিন বছরের জেল হয়েছে এবং পাঁচ লাখ টাকা করে জরিমানা হয়েছে।
লালুপ্রসাদের সাজা প্রসঙ্গে তাঁর ছেলে তেজস্বী যাদব বলেন, "আইন আইনের কাজ করেছে। আমরা হাইকোর্টে যাব। সেখানে জামিনের আবেদনও করব।"
২৩ ডিসেম্বর পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলার রায় ঘোষণা হয়। সেখানে দোষীসাব্যস্ত হন লালুপ্রসাদ সহ ১৬ জন। বুধবার সিবিআই এর বিশেষ আদালতে সাজা ঘোষণার কথা ছিল লালুপ্রসাদ যাদব সহ ১৬ জনের। কিন্তু, এক আইনজীবীর মৃত্যুর কারণে তা স্থগিত হয়ে যায়। বৃহস্পতিবারও বিশেষ কারণে সাজা ঘোষণা হয়নি। গতকাল সাজা ঘোষণার কথা থাকলেও তা হয়নি। আজ লালুপ্রসাদের সাজা ঘোষণা হল
১৯৯১ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত পশুখাদ্যর নাম করে কোষাগার থেকে ৮৪.৫ লাখেরও বেশি টাকা তোলার অভিযোগ ওঠে লালুপ্রসাদ যাদব, জগন্নাথ মিশ্র, আরকে রানা, প্রাক্তন আইএএস অফিসার ফুলচাঁদ সিং, বেক জুলিয়াস ও মহেশ প্রসাদ, বিহারের বিদ্যাসাগর নিশাদ, জগদীশ শর্মা ও ধ্রুব ভগতদের মতো সাংসদ, আইএএস অফিসার ও সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে। শুরু হয় মামলা। ঘটনার তদন্তভার সিবিআই এর হাতে দেওয়া হয়। ১৯৯৭ সালের ২৭ অক্টোবর ৩৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। অভিযুক্তদের মধ্যে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তিনজন রাজসাক্ষী হয়েছেন। দু’জন অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন।
সূত্র ইনাডু
লালুপ্রসাদ ছাড়াও এই মামলায় অন্যতম দোষীরা হলেন, ফুল চাঁদ, মহেশ প্রসাদ, বেক জুলিয়াস, সুনীল কুমার, সুশীল কুমার, সুধীর কুমার এবং রাজা রাম। তাঁদের প্রত্যেকেরই সাড়ে তিন বছরের জেল হয়েছে এবং পাঁচ লাখ টাকা করে জরিমানা হয়েছে।
লালুপ্রসাদের সাজা প্রসঙ্গে তাঁর ছেলে তেজস্বী যাদব বলেন, "আইন আইনের কাজ করেছে। আমরা হাইকোর্টে যাব। সেখানে জামিনের আবেদনও করব।"
২৩ ডিসেম্বর পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলার রায় ঘোষণা হয়। সেখানে দোষীসাব্যস্ত হন লালুপ্রসাদ সহ ১৬ জন। বুধবার সিবিআই এর বিশেষ আদালতে সাজা ঘোষণার কথা ছিল লালুপ্রসাদ যাদব সহ ১৬ জনের। কিন্তু, এক আইনজীবীর মৃত্যুর কারণে তা স্থগিত হয়ে যায়। বৃহস্পতিবারও বিশেষ কারণে সাজা ঘোষণা হয়নি। গতকাল সাজা ঘোষণার কথা থাকলেও তা হয়নি। আজ লালুপ্রসাদের সাজা ঘোষণা হল
১৯৯১ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত পশুখাদ্যর নাম করে কোষাগার থেকে ৮৪.৫ লাখেরও বেশি টাকা তোলার অভিযোগ ওঠে লালুপ্রসাদ যাদব, জগন্নাথ মিশ্র, আরকে রানা, প্রাক্তন আইএএস অফিসার ফুলচাঁদ সিং, বেক জুলিয়াস ও মহেশ প্রসাদ, বিহারের বিদ্যাসাগর নিশাদ, জগদীশ শর্মা ও ধ্রুব ভগতদের মতো সাংসদ, আইএএস অফিসার ও সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে। শুরু হয় মামলা। ঘটনার তদন্তভার সিবিআই এর হাতে দেওয়া হয়। ১৯৯৭ সালের ২৭ অক্টোবর ৩৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। অভিযুক্তদের মধ্যে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তিনজন রাজসাক্ষী হয়েছেন। দু’জন অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন।
সূত্র ইনাডু

No comments:
Post a Comment