কুকুরের মুখে সদ্যোজাতের দেহ।একটি শিশুকে কুকুরের মুখে দেখতে পেলেন পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর শহরের বাসিন্দারা। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল শহরজুড়ে। বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতেই এই ঘটনা ঘটে। এদিন সকালে পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর শহরে অবস্থিত সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের বাউন্ডারির পাশে জঙ্গলের ঝোপে একটি কুকুরের মুখে এক সদ্যোজাতের দেহ দেখতে পান স্হানীয়রা। কুকুটি সদ্যোজাত শিশুটির দেহ খুবলে খুবলে খেতে শুরু করে।ঘটনাটির যথেষ্ট প্রতিক্রিয়া হয়। অনেকেই,বিশেষত মহিলারা চোখ ঢেকে ছুটে পালান সেখান থেকে। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা সঙ্গে সঙ্গেই কুকুরটিকে তাড়া করে বাচ্চাটিকে কুকুরের মুখ থেকে ছাড়িয়ে হাসপাতাল কতৃপক্ষকে খবর দিলে হাসপাতালের কর্মীরা শিশুটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
এরপরই হাসপাতালে উপস্থিত লোকজন ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ওই হাসপাতালে বেশ কিছুক্ষণ বিক্ষোভ দেখান স্হানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ,এর আগেও শহরের বুকে এই হাসপাতালে সামনে এই ধরণের ঘটনা ঘটেছে। বারে বারে এই ধরনের ঘটনার জন্য হাসপাতাল কতৃপক্ষকেই দায়ী করেছে স্থানীয়রা।স্হানীয়দের মধ্যে সন্তোষ রায় ,বাবলু দাসরা বলেন এই ধরনের ঘটনা এর আগেও হয়েছিল। ফের সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। তাদের দাবি সম্ভবত এদিন যে সদ্যোজাতের দেহটি কুকুরের মুখে পাওয়া গেছে,সেটা এই হাসপাতালের ।সদ্যোজাতের মৃত্যু হওয়ার পর তার পরিবার সেই শিশুটির দেহ বাড়ি না নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ফেলে চলে যায়। হাসপাতালের কর্মীরা তা দেখতে পেয়ে সেই সদ্যোজাতের দেহ হাসপাতাল থেকে তুলে হাসপাতালের বাউন্ডারির পাশে ঝোপে ফেলে দিয়ে দায় সারেন।হাসপাতালের গাফিলতির জন্যই বারে বারে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে।

No comments:
Post a Comment