উওর চব্বিশ পরগনার হাবড়া থানা এলাকার ফুলতলায় বছর ৮০র সুকুমার দাস নামে বৃদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে ভুগছিল। রোগাক্রান্ত হয়ে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন নিজের বাড়িতে। দুই ছেলে তিন মেয়ে নিয়ে পরিবার। একাধিক বার বিভিন্ন ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা করান কিন্তু তবুও বয়সের কারনে মাঝে মাঝে রোগাক্রান্ত হয়ে পরেন। বুধবার সন্ধ্যো বাড়ির বউমারা যখন টিভি দেখতে ব্যস্ত ঠিক তার মধ্যেই বৃদ্ধা নিজের ঘরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। চা নিয়ে শ্বশুড়কে দিতে গেলে দেখেন ঘড়ের দরজা বন্ধ করা অনেক বার ডাকাডাকি করা সত্বেও কোন সাড়াশব্দ না মেলায় চিৎকার করে দরজা ভেঙ্গে দেখেন গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে আছেন তরিঘরি হাবড়া হাসপাতাল নিয়ে আসলে ডাক্তার মৃত বলে ঘোষনা করেন। ছেলে মহাদেব দাস বলেন বাবার বয়স হয়েছে নানান রোগে ধরেছে আমরা আমাদের সাধ্য মত চেষ্টা করি বাবাকে সুস্থ রাখবার কিন্ত হঠাৎ করে বাবা এমন একটা কাজ করবে আমরা ভাবতেই পারিনী।
অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে রোগের যন্ত্রনা সহ্য করতে না করতে পেরে বাড়ির সামনে কচা গাছের সাথে গলায় দড়ি নিয়ে আত্মহত্যা করলো বৃদ্ধো জীতেন্দ্র বিশ্বাস (৮০) বয়স। হাবরা থানার অন্তর্গত কুমড়া পঞ্চায়েত এলাকায় আনখোলা এলাকায়। আজ সকাল ৬টার সময় একটি বাচছা মেয়ে মহিমা বিশ্বাস দেখে তাঁর মাকে খবর দেয়।তাঁর পর এলাকার বাসিন্দা জোড়া হয়। হাবরা থানার পুলিশ এসে মৃত্যু দেহ নামায়। এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একটি অস্বাভাবিক মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ । হাবড়ায় পৃথক দুটি ঘটনায় দুইজনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া ।

No comments:
Post a Comment