সুদীপ্তা পাল, ঝাড়গ্রাম:বাঘের আতঙ্কে সোমবার থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল লালগড় ব্লকের পড়ডিহা শিশুশিক্ষা কেন্দ্র। কয়েকদিন আগে লালগড় ব্লকের বিভিন্ন জঙ্গল এলাকায় বাঘের থাপার ন্যায় বড় আকারের জন্তুর পায়ের ছাপ দেখে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল এলাকায়।তারপর আটই ফেব্রুয়ারি সেই জন্তুর আক্রমনে জখম হল বেশ কয়েকটি গুরু।এই ঘটনার জেরে লালগড় এলাকায় ব্যাপক ভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে ছিল এলাকার মানুষের মধ্যে। গরুর উপর আক্রমনের ঘটনার পরই বনদফতর আরও বেশি করে এলাকার মানুষদের সতর্ক থাকার বার্তা দিচ্ছিলেন।এলাকায় শুরু হয়েছে মাইকিং প্রাচার।স্থানীয় বাসিন্দারা প্রাথমিক ভাবে অনুমান করছেন বাঘেই এই গুরুর উপর আক্রমন করছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে গত আটই ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা নাগাদ আমলিয়া গ্রামের তিন চারটি গরুকে রাক্তাক্ত অবস্থায় আর্তনাদ করতে করতে গ্রামে ছুটে আসতে দেখা যায়।গরুটির সারা শরীরে বিভিন্ন অংশে কামড়ের খুবলানোর দাগ দেখা গিয়েছে।ঘটনার পর এ দিকে এই ঘটনার পর বনদফতর এক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান. পেয়েছেন যে বাঘকে সামনে থেকে দেখলেন গ্রাম বাসিরা।এর পরেই এলাকায় ছড়ায় আতঙ্ক।দিনিরপর দিন এলাকার মানুষের আতঙ্ক বেড়ে চলেছে।যেহেতু জঙ্গল সংলগ্ন পডিহা শিশুশিক্ষা কেন্দ্র তাই কোনরকম ঝুঁকি না নিয়ে কাল থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বাঘের আতঙ্কে পডিহা শিশু শিহ্মাকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শিক্ষিকা ও কর্মীরা।লালগড়ের পাথরপাড়া এলাকায় একটি বাছুকে আস্ত খেয়েছে বলে দাবী করেছেন এলাকাবাসী । ওই ঘটনার পর থেকে আরো জোরদার তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে লালগড় থানা এলাকার বিভিন্ন জঙ্গলে।উল্লেখ্য, গত আট নয় দিন আগে লালগড়ের রামগড়, ঝিটকা সহ এলাকার বিভিন্ন জঙ্গলে দেখা মিলেছিল বড় আকারের জন্তুর পায়ের ছাপ।
শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষিকা শোভনা রাই জানিয়েছেন, আজও পডিহা গ্রামে বাঘটিকে দেখতে পাওয়া গেছে।যতদিন না পর্যন্ত বনদফতর নিশ্চিত করবেন ততদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।তবে ওই জন্তুটিকে যতক্ষণ না ধরা পড়ছে জন্তুটি যে বাঘ মানতে নারাজ বনদফতর।

No comments:
Post a Comment