ত্রিপুরা ১৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ২০ জন মহিলা সহ মোট ২৯৭ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র পেয়েছেন।
ত্রিপুরা প্রধান নির্বাচন অফিসার (সিইও) শ্রীরাম তরণিকান্তি জানান ৩২০ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন যার মধ্যে ১৩ জন প্রার্থীকে বাতিল করা হয়েছে।
প্রতিনিধিত্বমূলক ইমেজ পিটিআই
শনিবার প্রত্যাহারের শেষ দিনে ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়।
তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সুকুমার চন্দ্র দাস, সাবেক ত্রিপুরা প্রধানমন্ত্রীর সংসদ সদস্য সমির রঞ্জন বর্মন এবং ত্রিপুরার তৃণমূল জাতীয়তাবাদী দল তৃণমোহন জামাতিয়া আদিবাসী জাতীয়তাবাদী দল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কংগ্রেস-শালগড়া বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেসের টিকিটের জন্য দাখিল করেছেন দাউদ, শনিবার রাতে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দেন।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি বিপ্লব কুমার দেব এবং আসামের মন্ত্রী হিমন্ত বিসওয়া শর্মার অনুরোধের পর বারাণস বলেন, ত্রিপুরাতে বিজেপির নির্বাচনী দায়িত্বে আছেন তিনি।
সিইও বলেন, ১২ হাজার ৬৭ হাজার ৮৬ জন নারী ভোটারের মধ্যে ২৫ হাজার ৭৮০৬০ জন ভোটার ১৮ ফেব্রুয়ারির একটি নতুন ৬০ জন সদস্যের বিধানসভা নির্বাচন করার জন্য ভোট দেওয়ার যোগ্য।
ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া-মার্কসবাদী (সিপিএম) তার বামফ্রন্ট অংশীদার কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া, ফরওয়ার্ড ব্লক এবং বিপ্লবী সোশালিস্ট পার্টির কাছে এক আসনে একের পর এক প্রার্থী জিতেছে।
বিজেপি ৫১ টি আসন থেকে প্রার্থী করছে। তার নির্বাচনী সহযোগী, আদিবাসী জনতা ফ্রন্ট অফ ত্রিপুরা (আইপিএফটি) -এর জন্য নয়টি আসন রেখেছে।
কংগ্রেসের প্রার্থীরা ৫৯ টি আসন থেকে দায়ের করেছেন।
তৃণমূল কংগ্রেস ২৪ জন প্রার্থী মনোনীত করেছে।
ত্রিপুরার নির্বাচনের তদারকির জন্য নির্বাচন কমিশন ২৫ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ৮ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং ১৯ জন পর্যবেক্ষকের নিয়োগ দিয়েছে। এক-চতুর্থাংশের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ৩০ হাজারের বেশি সিভিল কর্মকর্তাকে নিযুক্ত করা হবে।
পাশাপাশি, নির্বাচনী প্যানেলের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের অনুরোধে ৩০,০০০ এরও বেশি অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় প্যারামিটারি বাহিনী নির্বাচনের আগেই তলব করবে।

No comments:
Post a Comment