ডাকাতি করতে এসে হাতে নাতে ধরা পড়ে গেল এক ব্যক্তি। গণপ্রহারে মৃত্যু হল ওই ব্যক্তির। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে চুঁচুড়া থানার অন্তর্গত ব্যান্ডেল স্টেশন রোড জলের ট্যাঙ্কের লাগোয়া ব্যান্ডেল মুক্তমঞ্চের পাশে।
প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ভূগর্ভস্থ জলের পাইপলাইন বসানোর কাজ চলছে। এই ঘটনায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ী ক্যাম্প করে রয়েছে পাইপলাইন বসানোর মিস্ত্রিরা । তেমনই মুক্তমঞ্চের পাশে এক ক্যাম্পে এ দিন রাত আড়াইটা নাগাদ তিন দুষ্কৃতী ডাকাতির উদ্দেশ্যে আসে । তখন সকলেই ঘুমিয়ে ছিল। সেই সময়ে পঞ্চাশ হাজার টাকা এবং কয়েকটি মোবাইল হাতিয়ে নেয় দুষ্কৃতীররা। কিন্তু হঠাৎ করেই একজনের ঘুম ভেঙে যাওয়াতে তাঁর চিৎকার চেচামেচিতে সকলে উঠে পড়ে । এর পর ২ দুষ্কৃতী আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে চম্পট দিলেও একজন পালাতে সক্ষম হয়নি । তাঁকে ধরে তার হাত পা দড়ি দিয়ে বেঁধে ক্যাম্পের ভিতরে থাকা গাইতি, কোদাল , কুড়োল দিয়ে বেধড়ক মারতে থাকে তাঁকে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। মিস্ত্রিদের বক্তব্য, তাঁরা মুর্শিদাবাদ থেকে এসেছে তাদের কাছে স্থানীয় পুলিশের ফোন নম্বর না থাকায় তাঁরা স্থানীয় কাউন্সিলরকে ফোন করেছিলেন ।কাউন্সিলর ফোন না ধরার জন্যই তাঁরা পিটিয়ে ওই দুষ্কৃতীকে মেরে দেয় । যদিও আজ সকালেই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চার নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সঞ্জয় পাল । পুলিশ মৃতদেহ নিয়ে গিয়ে ময়না তদন্তে পাঠিয়েছে । মৃত ব্যক্তির এখনো পরিচয় পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ভূগর্ভস্থ জলের পাইপলাইন বসানোর কাজ চলছে। এই ঘটনায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ী ক্যাম্প করে রয়েছে পাইপলাইন বসানোর মিস্ত্রিরা । তেমনই মুক্তমঞ্চের পাশে এক ক্যাম্পে এ দিন রাত আড়াইটা নাগাদ তিন দুষ্কৃতী ডাকাতির উদ্দেশ্যে আসে । তখন সকলেই ঘুমিয়ে ছিল। সেই সময়ে পঞ্চাশ হাজার টাকা এবং কয়েকটি মোবাইল হাতিয়ে নেয় দুষ্কৃতীররা। কিন্তু হঠাৎ করেই একজনের ঘুম ভেঙে যাওয়াতে তাঁর চিৎকার চেচামেচিতে সকলে উঠে পড়ে । এর পর ২ দুষ্কৃতী আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে চম্পট দিলেও একজন পালাতে সক্ষম হয়নি । তাঁকে ধরে তার হাত পা দড়ি দিয়ে বেঁধে ক্যাম্পের ভিতরে থাকা গাইতি, কোদাল , কুড়োল দিয়ে বেধড়ক মারতে থাকে তাঁকে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। মিস্ত্রিদের বক্তব্য, তাঁরা মুর্শিদাবাদ থেকে এসেছে তাদের কাছে স্থানীয় পুলিশের ফোন নম্বর না থাকায় তাঁরা স্থানীয় কাউন্সিলরকে ফোন করেছিলেন ।কাউন্সিলর ফোন না ধরার জন্যই তাঁরা পিটিয়ে ওই দুষ্কৃতীকে মেরে দেয় । যদিও আজ সকালেই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চার নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সঞ্জয় পাল । পুলিশ মৃতদেহ নিয়ে গিয়ে ময়না তদন্তে পাঠিয়েছে । মৃত ব্যক্তির এখনো পরিচয় পাওয়া যায়নি।

No comments:
Post a Comment