মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা: পঞ্চায়েত ভোটে মমতার ছবিই যথেষ্ট , যা উন্নয়ন হয়েছে তাতে পঞ্চায়েত ভোট হয়ে যাবে। পঞ্চায়েত ভোটে নেত্রীর ছবিই যথেষ্ট। বুধবার বিকালে সোনারপুরে পরিবহন শ্রমিক কনভেনশানে এসে একথা বললেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
তিনি নেত্রীকে সর্বভারতীয়স্তরে লড়াই করার জন্য আবেদন করেন। যাতে ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে কেন্দ্র থেকে সাম্প্রকদায়িক, জনবিরোধী, বর্বর বি জে পি সরকারকে উচ্ছেদ করা যায়। সোনারপুরে চাঁদমারি মাঠে জেলা শ্রমিক সংগঠন আই এন টি টি ইউ সির ডাকে এই পরিবহন শ্রমিক কনভেনশান হয়েছে। মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি ছাড়াও এই কনভেনশানে ছিলেন রাজ্যের শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি দোলা সেন, জেলা শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি শক্তিপদ মণ্ডল, সোনারপুরের বিধায়ক জীবন মুখার্জী, ফিরদৌসি বেগম, রাজপুর সোনারপুর পুরসভার চেয়ারম্যান পল্লব দাস, ভাইস চেয়ার ম্যান শান্তা সরকার, যুবনেতা সঞ্জীব সরকার, হকার নেতা জয়ন্ত ভদ্র, বিভাস সর্দার, জয়হিন্দ বাহীনির সভাপতি পল্লব দাস প্রমুখ। মন্ত্রী এদিন তাঁর বক্তব্যে অটো ও টোটো নিয়ে সরকারের ভাবনা চিন্তার কথা বলেন। তিনি জানান, সরকার অটো পলিসি তৈরি করছে। ৩ বছরের বেশি যাদের অটো রয়েছে তাদের রেজিষ্ট্রেশান দেওয়া হবে। নতুন করে কোন রেজিষ্ট্রেশান দেওয়া হবে না। আর টোটকে ধীরে ধীরে ই–রিক্সতে পরিবর্তন করা হবে। তবে এখন তা করা সম্ভব হবে না। আস্তে আস্তে তা করা হবে। মন্ত্রী ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে স্পষ্ট বলেন, গাড়ি চালাতে না পারলে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া হবে না। তিনি চালকদের কানে মোবাইল দিয়ে বা নেশার করে গাড়ি চালাতে মানা করেন। তিনি অটো চালকদের উদ্দেশ্যে বলেন, যদি কেউ খারাপ থাকেন তাকে আপনারা সামলানোর চেষ্টা করুন। না হলে বাদ দিন। তিনি সরকারের জলধারা, জলসাথী প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন। শ্রমিক সংগঠনের রাজ্য সভাপতি দোলা সেন বলেন, অটো চালকদের আরোও সংযত হয়ে অটো চালাতে হবে। কারন তাঁদের ব্যবহারই সরকারের ভাবমূর্তি। যদি কেউ খারাপ ব্যবহার করেন তবে সরকারের দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করবে।
তিনি নেত্রীকে সর্বভারতীয়স্তরে লড়াই করার জন্য আবেদন করেন। যাতে ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে কেন্দ্র থেকে সাম্প্রকদায়িক, জনবিরোধী, বর্বর বি জে পি সরকারকে উচ্ছেদ করা যায়। সোনারপুরে চাঁদমারি মাঠে জেলা শ্রমিক সংগঠন আই এন টি টি ইউ সির ডাকে এই পরিবহন শ্রমিক কনভেনশান হয়েছে। মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি ছাড়াও এই কনভেনশানে ছিলেন রাজ্যের শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি দোলা সেন, জেলা শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি শক্তিপদ মণ্ডল, সোনারপুরের বিধায়ক জীবন মুখার্জী, ফিরদৌসি বেগম, রাজপুর সোনারপুর পুরসভার চেয়ারম্যান পল্লব দাস, ভাইস চেয়ার ম্যান শান্তা সরকার, যুবনেতা সঞ্জীব সরকার, হকার নেতা জয়ন্ত ভদ্র, বিভাস সর্দার, জয়হিন্দ বাহীনির সভাপতি পল্লব দাস প্রমুখ। মন্ত্রী এদিন তাঁর বক্তব্যে অটো ও টোটো নিয়ে সরকারের ভাবনা চিন্তার কথা বলেন। তিনি জানান, সরকার অটো পলিসি তৈরি করছে। ৩ বছরের বেশি যাদের অটো রয়েছে তাদের রেজিষ্ট্রেশান দেওয়া হবে। নতুন করে কোন রেজিষ্ট্রেশান দেওয়া হবে না। আর টোটকে ধীরে ধীরে ই–রিক্সতে পরিবর্তন করা হবে। তবে এখন তা করা সম্ভব হবে না। আস্তে আস্তে তা করা হবে। মন্ত্রী ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে স্পষ্ট বলেন, গাড়ি চালাতে না পারলে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া হবে না। তিনি চালকদের কানে মোবাইল দিয়ে বা নেশার করে গাড়ি চালাতে মানা করেন। তিনি অটো চালকদের উদ্দেশ্যে বলেন, যদি কেউ খারাপ থাকেন তাকে আপনারা সামলানোর চেষ্টা করুন। না হলে বাদ দিন। তিনি সরকারের জলধারা, জলসাথী প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন। শ্রমিক সংগঠনের রাজ্য সভাপতি দোলা সেন বলেন, অটো চালকদের আরোও সংযত হয়ে অটো চালাতে হবে। কারন তাঁদের ব্যবহারই সরকারের ভাবমূর্তি। যদি কেউ খারাপ ব্যবহার করেন তবে সরকারের দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করবে।

No comments:
Post a Comment