রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বিরোধীদলগুলিকে একহাত নিলেন বিজেপি দাপুটে নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল সবাই মোমবাতি নিয়ে আন্দোলন করেছিল। কিন্ত এখন বিশেষ সূত্রের খবর তারা সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে। জম্মু কাশ্মীরে নিহত জওয়ানদের একমাত্র কারণ এই রোহিঙ্গা। আর তাদের নিয়েই মাতামাতি করছিল বিরোধীরা। কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী হলেন হিন্দু বিরোধী। তিনি যে হিন্দুদের বিরোধীতা করতেন তা পরিস্কার প্রণববাবুর বইতেও। তিনি জাতীয়তাবাদী নন, তিনি হলেন বিদেশী। ফলে তিনি চাননা ভারতবর্ষের ভালো হোক। বাঙালীদের ভালো হোক। তিনি সবসময় নিজের আখের গোছাতেই ব্যস্ত। সিপিএম চিনের সঙ্গে সবসময় চান দেশকে ভাগ করতে। আর তৃণমূল মুসলিম তোষণ করে হিন্দুদের বঞ্চিত করতে ব্যস্ত। অথচ এই হিন্দুরাই তৃণমূলে ভোট দিয়ে শাসন ক্ষমতায় এনেছে।
জয় বিজেপির প্রশংসা করে বলেন, রবিবার দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্যালেস্তাইনে গিয়ে যে সম্মান পেয়েছেন তাতেই বোঝা যায় মোদীজি কত বড় মানুষ। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেদের দেশে গিয়ে মোদীজিকে সামনে নিয়ে জয় শ্রী রাম বলে মন্দির উদ্বোধন করেছেন। যা দেশের মানুষের কাছে বিরাট গর্ব। আনন্দের খবর।
মোদীজি ভারতবর্ষকে যেই উঁচু জায়গায় নিয়ে গেছে সেই জায়গায় কংগ্রেস ১০বছর রাজত্ব করেও নিয়ে যেতে পারেনি। কিন্ত তাও একদল দেশদ্রোহীরা বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক দল বলে দায়ী করছেন। যদি তা সত্যিই হত তাহলে আজ বাইরের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দেশে এত বড় সম্মান মোদীজি পেতেন না।আজ নরেন্দ্র মোদীর কথা শুনলে পাকিস্তান কেন চিন পর্যন্ত ভয় পায় বলে দাবী জয়ের!
জয় এদিন সভা থেকে দাঁড়িয়ে বলেন, হিন্দু শরণার্থী বিল বিরোধীরা আটকে রেখেছে। কিন্ত তা পার্লামেন্টে, সংসদে চালু করা হবেই,কেউ আটকে রাখতে পারবে না। হিন্দু শরণার্থী বিলের জন্য তিনি প্রাণপণ চেষ্টা করে চলেছে, এমনটাই জানান মানব দরদী জয় বন্দ্যোপাধ্যায়।
ফের মঙ্গলবার বিজেপির তারকা মুখ তথা রাজ্য নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে শাসক দল ও বিরোধীদলগুলি থেকে ২০০ কর্মী, সমর্থকরা গেরুয়া শিবিরে অংশগ্রহণ করেন।

No comments:
Post a Comment