চাঁদনী: মঙ্গলবার ২৭ তারিখ ৷ আজ মহা শিকার উত্সবের ডাক দেওয়া হয়েছিল আদিবাসীদের তরফ থেকে ৷ জঙ্গলমহলের বিভিন্ন এলাকা যেমন ঝাড়গ্রাম, বেলপাহাড়ী, ভুলাভেদা, বাঁশ পাহাড়ী, শালবণী বাঁকুড়া, সাড়েঙ্গা সহ একাধিক জায়গা থেকে আজ গাড়ি করে লালগড়ে মহা শিকার উত্সবে যোগ দিতে আসেন আদিবাসী লোকজনেরা ৷ বনদপ্তরের কাছে আগের থেকেই এই বিষয়ে খবর ছিল ৷ আর আজকের দিনে তাদেরকে সুরক্ষা দিতে না কি বন্য প্রাণী সংরক্ষণ করতে যে কোনো একটি কারনে প্রশাসনিক তত্পরতা ছিল গুরুতর ৷
ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর পুলিশ সুপারের তরফ থেকে ভোর ৫টা থেকে লালগড়ে ঝিটকার জঙ্গল সহ একাধিক জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় মোতায়েন করা হয় পুলিশ ৷ এছাড়াও বনদপ্তরের তরফ থেকে দুই ADFO উপস্থিত ছিলেন ঝিটকার জঙ্গলে ৷ বিদীশা বসাক এবং পুরবী মাহাত এই দুই ADFO কথা বলেন শিকার করতে আসা শিকারীদের সাথে ৷ তারা তাদের কের বোঝান যে বন্য প্রাণী মারা আইনত অপরাধ ৷ এক সময় দেখা যায় ADFO পুরবী মাহাত এক শিকারীর পা ধরে তাকে অনুরোধ করছেন ৷ এবিষয়ে DFO রবীন্দ্রনাথ সাহার সাথে কথা বলা হলে তিনি জানান বয়স্ক ব্যাক্তির পা ধরে তাদের বুঝাতে চেয়েছিলেন বন্য প্রাণী হত্যা করতে না ৷ কিন্তু অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথবাবু বাঘের প্রসঙ্গকে এড়িয়ে যান ৷ তাঁকে বাঘ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কথার মোড় ঘুরিয়ে দেন ৷ এখন প্রশ্ন উঠছে সত্যিই কি বন্য প্রাণী সংরক্ষণ করার জন্য শিকারীদের শিকারে বাঁধা দিল বনদপ্তর, নাকি বাঘ এর উপস্থিতির আশঙ্কায় এমন কাজ।


No comments:
Post a Comment