প্রসঙ্গত বাঘমামাকে ধরতে নাজেহাল বনদপ্তরসহ গ্রামবাসী। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গুড়গুড়িপাল থানার সিয়ারবনি গ্রাম এখন বাঘ আতংকে কাবু। তাই এলাকার মানুষজন হাতে মশাল নিয়ে গ্রাম পাহারা দিতে ব্যস্ত। রাতে ও দিনে পালা করে করে গ্রামবাসীরা রাত জেগে গ্রাম পাহারা দিচ্ছেন দল বেঁধে। আর বাড়ির মধ্যে ঘর বন্দি মহিলা শিশু ও বয়স্করা।মঙ্গলবার ওই গ্রামে বনদফতর এর লোকজন ঘুরে পায়ের ছাপ দেখে নিশ্চিত যে ওই গ্রাম এ বাঘ এসেছিল এবং এলাকার লোকজন ও বাঘ দেখেছেন। তাই বনদপ্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে ট্রেপ ক্যামেরা বসানোর আর সুন্দরবন থেকে অভিজ্ঞ বনদপ্তরের কর্মীদের নিয়ে আসে বাঘ মামাকে খাঁচা বন্দি করতে।
প্রসঙ্গত বাঘমামাকে ধরতে নাজেহাল বনদপ্তরসহ গ্রামবাসী। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গুড়গুড়িপাল থানার সিয়ারবনি গ্রাম এখন বাঘ আতংকে কাবু। তাই এলাকার মানুষজন হাতে মশাল নিয়ে গ্রাম পাহারা দিতে ব্যস্ত। রাতে ও দিনে পালা করে করে গ্রামবাসীরা রাত জেগে গ্রাম পাহারা দিচ্ছেন দল বেঁধে। আর বাড়ির মধ্যে ঘর বন্দি মহিলা শিশু ও বয়স্করা।মঙ্গলবার ওই গ্রামে বনদফতর এর লোকজন ঘুরে পায়ের ছাপ দেখে নিশ্চিত যে ওই গ্রাম এ বাঘ এসেছিল এবং এলাকার লোকজন ও বাঘ দেখেছেন। তাই বনদপ্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে ট্রেপ ক্যামেরা বসানোর আর সুন্দরবন থেকে অভিজ্ঞ বনদপ্তরের কর্মীদের নিয়ে আসে বাঘ মামাকে খাঁচা বন্দি করতে।

No comments:
Post a Comment