ব্রেকিং: মাথায় পোকা নিয়ে শিশু অবশেষে গ্রামীণ চিকিৎসায় - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 11 March 2018

ব্রেকিং: মাথায় পোকা নিয়ে শিশু অবশেষে গ্রামীণ চিকিৎসায়



মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিন ২৪ পরগনা:  রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য নিয়ে  যখন একের পর এক বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করছেন তখন কতিপয় চিকিৎসকের রেফার করার মানসিকতা কালিমালিপ্ত করছে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কে।আর তার স্বীকার হচ্ছেন আট থেকে আশি সকলেই।যেমন টি ঘটলো ক্যানিং থানার সাতমুখো গ্রামের ক্ষেত্রে।বছর সাতেকের শিশু আনারুল মোল্লা  খেলতে গিয়ে রাস্তায় পড়ে যায় মঙ্গলবার দুপুরে । মাথায় তৈরি হয় ক্ষত। সেই ক্ষত থেকে জন্ম নেয় পোকার। শিশুটির মায়ের দাবি, ঘটনার পর মঙ্গলবার  প্রথমে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতাল, তারপর কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতাল এর পর সোনারপুর তেঘরিয়াতে মাদার এণ্ড চাইল্ড ইনস্টিটিউটে  নিয়ে যাই কিন্তু কোন চিকিৎসক ভালো করে দেখেন নি। বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরতে ঘুরতে ছেলের মাথায় পোকা ভরে যেতে থাকে। উপায়ন্ত না দেখে গ্রামের ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাই।তিনিই মাথা থেকে পোকা বের করে দেন।প্রায় শ দুয়েক পোকা বের করা হয় মাথা থেকে।

    অসুস্থ শিশুটির বাবা আমির আলি শেখ ও মা মিমি শেখ। বাবা দিন মজুরের কাজ করে কোনোও মতে সংসার চালান। দিন আনি দিন খাই পরিবার। প্রথম দিকে ছেলের মাথায় তৈরি হওয়া ক্ষত নিয়ে  গুরুত্ব দেন নি।পরে যত সময় গড়িয়েছে ততই বেড়েছে শিশুটির কান্না কাটি।মাথার মধ্যে জন্ম নিয়েছে সাদা সাদা পোকার।মা মিমি শেখের অভিযোগ বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসক দের বঞ্চনার শিকার হয়েছে। কোনোও ডাক্তার ছেলেটির মাথায় হাত দিয়ে দেখে নি।আমরা দেখতে পেয়েছি পোকা ঘুরছে ক্ষত স্থানে। অথচ ডাক্তার নার্স বলছে কিছু হয় নি।তারপর বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরে এলাকার প্রতিবেশিরা গ্রামের এক জন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। তিনিই সমস্ত পোকা গুলো বের করে দেন। তারপর থেকে ছেলে ভালো আছে।

         এবিষয়ে গ্রামীণ চিকিৎসক কুমুদ রঞ্জন ঘরামী বলেন,আমার কাছে আনার পর প্রথমে আমি রাজি হয়নি।কিন্তু চেম্বারের মধ্যে কান্নাকাটি শুরু করেন বাচ্চাটির মা। বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে মাথায় যে ব্যান্ডেজ করে দিয়েছিল সে গুলো খুলে দেখলাম পোকা ঘুরছে। একের পর এক পোকা বের হচ্ছে মাথা থেকে।সব পোকা বের করার পর শিশুটি এখন ঠিক আছে।

     এবিষয় জেলার মুখ্যস্বাস্থ্য অধিকর্তা সোমনাথ মুখোপাধ্যায় বলেন,বিষয়টি শুনেছি যে যে হাসপাতালে বিরুদ্ধে অভিযোগ তাদের সাথে কথা বলা হবে।

         

         

           

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad