চাঁদনী, পূর্ব মেদিনীপুর: ডিজিটাল গ্রামের স্বীকৃতি পেল পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা মহকুমার কুদি গ্রাম। ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার হাওড়া জোনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সর্বপ্রথম ডিজিটাল গ্রাম হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় যাবতীয় সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতেই ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’প্রকল্প ঘোষণা করেছিল দেশের সরকার।যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল দেশের প্রায় আড়াই লক্ষ গ্রাম পঞ্চায়েতকে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে জুড়ে দেওয়া। তা হলে সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া যাবে। গোটা দেশে ২ লক্ষ ৪৪ হাজার ৭২৯টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে। এর মধ্যে ৯৭ হাজার ৪৮০টি গ্রাম পঞ্চায়েতকে প্রথম দফায় অপটিক্যাল ফাইবার জালে জুড়ে দেওয়ার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। পুরো প্রকল্পের খরচ ১.১৩ লক্ষ কোটি টাকা। যার মধ্যে সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতে অপটিক্যাল ফাইবারের জাল ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ব্যয় হবে ৩০ হাজার কোটি টাকা। রাজ্যের ৩,৩৫৪টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে প্রথম দফায় ২,৬৪২টি গ্রাম পঞ্চায়েতে কাজ হওয়ার কথা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই সংখ্যাটা খুবই কম। তারই মধ্যেই কুদি গ্রামকে ডিজিটাল ঘোষণা করে রীতিমতো চমক দিল ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। গ্রামের শ’খানেক পরিবারের কারও না কারও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে, আধার নম্বর জুড়ে সকলকেই ডেবিট কার্ড দেওয়া হয়েছে এদিন। কয়েকজন ২০ জনকে ব্যবসায়ী নিখরচায় দেওয়া হয়েছে কার্ডে লেনদেনের যন্ত্র। শেখানো হয়েছে, নগদ ছাড়াই স্মার্ট ফোন আর কার্ডেই কী ভাবে লেনদেন করা যায়। নোট বাতিলের পরে সব জায়গাতেই ডিজিটাল লেনদেন বেড়েছিল। কিন্তু এখন আবার ফিরে এসেছে পুরনো ব্যবস্থায়। নোটবন্দি করে নগদ লেনদেন কমাতে বলা হয়েছিল। কিন্তু জিএসটি চালু হতেই ফের নগদে লেনদেন বাড়ে। যার ব্যতিক্রম নয় এগরার কুদি গ্রামও। কুদি ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া শাখার ম্যানেজার অমিত কুমার সিনহা বলেন," প্রধানমন্ত্রীর "ডিজিটাল ইন্ডিয়া" স্বপ্ন পূরণেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্যাঙ্কের উদ্যোগে এই গ্রামের সমস্ত মানুষকে নগদহীন লেনদেনের যাবতীয় তালিম দেওয়া হয়েছে এবং আগামী দিনে দেওয়া হবে।"
চাঁদনী, পূর্ব মেদিনীপুর: ডিজিটাল গ্রামের স্বীকৃতি পেল পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা মহকুমার কুদি গ্রাম। ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার হাওড়া জোনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সর্বপ্রথম ডিজিটাল গ্রাম হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় যাবতীয় সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতেই ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’প্রকল্প ঘোষণা করেছিল দেশের সরকার।যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল দেশের প্রায় আড়াই লক্ষ গ্রাম পঞ্চায়েতকে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে জুড়ে দেওয়া। তা হলে সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া যাবে। গোটা দেশে ২ লক্ষ ৪৪ হাজার ৭২৯টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে। এর মধ্যে ৯৭ হাজার ৪৮০টি গ্রাম পঞ্চায়েতকে প্রথম দফায় অপটিক্যাল ফাইবার জালে জুড়ে দেওয়ার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। পুরো প্রকল্পের খরচ ১.১৩ লক্ষ কোটি টাকা। যার মধ্যে সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতে অপটিক্যাল ফাইবারের জাল ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ব্যয় হবে ৩০ হাজার কোটি টাকা। রাজ্যের ৩,৩৫৪টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে প্রথম দফায় ২,৬৪২টি গ্রাম পঞ্চায়েতে কাজ হওয়ার কথা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই সংখ্যাটা খুবই কম। তারই মধ্যেই কুদি গ্রামকে ডিজিটাল ঘোষণা করে রীতিমতো চমক দিল ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। গ্রামের শ’খানেক পরিবারের কারও না কারও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে, আধার নম্বর জুড়ে সকলকেই ডেবিট কার্ড দেওয়া হয়েছে এদিন। কয়েকজন ২০ জনকে ব্যবসায়ী নিখরচায় দেওয়া হয়েছে কার্ডে লেনদেনের যন্ত্র। শেখানো হয়েছে, নগদ ছাড়াই স্মার্ট ফোন আর কার্ডেই কী ভাবে লেনদেন করা যায়। নোট বাতিলের পরে সব জায়গাতেই ডিজিটাল লেনদেন বেড়েছিল। কিন্তু এখন আবার ফিরে এসেছে পুরনো ব্যবস্থায়। নোটবন্দি করে নগদ লেনদেন কমাতে বলা হয়েছিল। কিন্তু জিএসটি চালু হতেই ফের নগদে লেনদেন বাড়ে। যার ব্যতিক্রম নয় এগরার কুদি গ্রামও। কুদি ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া শাখার ম্যানেজার অমিত কুমার সিনহা বলেন," প্রধানমন্ত্রীর "ডিজিটাল ইন্ডিয়া" স্বপ্ন পূরণেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্যাঙ্কের উদ্যোগে এই গ্রামের সমস্ত মানুষকে নগদহীন লেনদেনের যাবতীয় তালিম দেওয়া হয়েছে এবং আগামী দিনে দেওয়া হবে।"

No comments:
Post a Comment