নিজস্ব প্রতিনিধি: কথায় বলে ওস্তাদের মার শেষ রাতে! আর শেষ রাতেই তাঁর ব্যাট থেকে বেরিয়ে এল অবিশ্বাস্য ইনিংস। এবছর আইপিএলের কলকাতা ক্যাপ্টেন দীনেশ কার্তিকের চওড়া ব্যাটে ভর করে ২০১৮ সালের নিহদাস ট্রফি জিতল রোহিতের ভারত। ৮ বলে ২৯ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা দীনেশ কার্তিক।
এদিন ফাইনালে জয়ের জন্য ভারতের সামনে ১৬৭ রানের লক্ষ্যমাত্রা রাখে বাংলাদেশ। প্রথমদিকে অধিনায়ক রোহিত শর্মার ঝোড়ো ইনিংসে কিছুটা এগিয়ে গেলেও দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে বাংলাদেশ। শেষ দুওভারে ভারতের জয়ের জন্যে দরকার ৩৪ রান। ব্যাট করতে নামে দীনেশ কার্তিক। ম্যাচের ১৯ তম ওভারে রুবেলকে কার্যত তুলোধোনা করে কার্তিকের ব্যাটে আসে ২২ রান।
টানটান উত্তেজনাময় ম্যাচে শেষ ওভারে দরকার ১২। বল হাতে সৌম্য সরকার। সেখানে বিজয় শংকর যখন প্যাভিলিয়নের পথে তখন ভারতের চাই ১ বলে ৫ রান। গ্যালারির বাইরে 'নাগিন' নাচের প্রস্তুতি। আর তখনই সৌম্য সরকারের বল মাঠের বাইরে ছুঁড়ে ফেলে দিল দীনেশ কার্তিকের চওড়া ব্যাট। কার্যত আধাঁর নেমে আসা ম্যাচে সোনালি আলো এনে দিলেন কলকাতা ক্যাপ্টেন।
শারজায় শেষ বলে দরকার ছিল চার । মিয়াঁদাদ মেরেছিলেন ছক্কা। ২০০৭ এ টি টোয়েন্টি ফাইনালে পারেননি মিসবা। কিন্তু এবার সেই শেষ বলে ছয় মেরে ইতিহাস গড়লেন দীনেশ কার্তিক। অধরা থেকে গেল বাংলাদেশের ট্রফির স্বপ্ন।
এদিন ফাইনালে জয়ের জন্য ভারতের সামনে ১৬৭ রানের লক্ষ্যমাত্রা রাখে বাংলাদেশ। প্রথমদিকে অধিনায়ক রোহিত শর্মার ঝোড়ো ইনিংসে কিছুটা এগিয়ে গেলেও দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে বাংলাদেশ। শেষ দুওভারে ভারতের জয়ের জন্যে দরকার ৩৪ রান। ব্যাট করতে নামে দীনেশ কার্তিক। ম্যাচের ১৯ তম ওভারে রুবেলকে কার্যত তুলোধোনা করে কার্তিকের ব্যাটে আসে ২২ রান।
টানটান উত্তেজনাময় ম্যাচে শেষ ওভারে দরকার ১২। বল হাতে সৌম্য সরকার। সেখানে বিজয় শংকর যখন প্যাভিলিয়নের পথে তখন ভারতের চাই ১ বলে ৫ রান। গ্যালারির বাইরে 'নাগিন' নাচের প্রস্তুতি। আর তখনই সৌম্য সরকারের বল মাঠের বাইরে ছুঁড়ে ফেলে দিল দীনেশ কার্তিকের চওড়া ব্যাট। কার্যত আধাঁর নেমে আসা ম্যাচে সোনালি আলো এনে দিলেন কলকাতা ক্যাপ্টেন।
শারজায় শেষ বলে দরকার ছিল চার । মিয়াঁদাদ মেরেছিলেন ছক্কা। ২০০৭ এ টি টোয়েন্টি ফাইনালে পারেননি মিসবা। কিন্তু এবার সেই শেষ বলে ছয় মেরে ইতিহাস গড়লেন দীনেশ কার্তিক। অধরা থেকে গেল বাংলাদেশের ট্রফির স্বপ্ন।

No comments:
Post a Comment