সোমবার পুরুলিয়া জেলার শিমুলিয়াতে পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাসও করেন।
মুখ্যমন্ত্রী যে সকল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন, তার কয়েকটি হল, স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সংস্কার, আঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, নতুন রাস্তা, নলকূপ প্রকল্প, নদী সেচ প্রকল্প, রেশম ভবন ইত্যাদি।
তিনি যে সকল প্রকল্পের শিলান্যাস করেন, তার কয়েকটি হল, গুদাম ঘর, কর্মতীর্থ, প্রশাসনিক ভবন, আলোক স্তম্ভ ইত্যাদি।
এছাড়াও তিনি কন্যাশ্রী, সবুজশ্রী, শিক্ষাশ্রী, সবুজসাথী, সমাজসাথী, গতিধারা, পাট্টা, সয়েল হেলথ কার্ড, পাওয়ার টিলারইত্যাদি পরিষেবা প্রদান করেন।
তাঁর বক্তব্যের কিছু অংশঃ-
তিন মাসে পুরুলিয়ায় এটা আমার দ্বিতীয় বৈঠক। আগে কোন মন্ত্রীকে এখানে দেখা যেত না। আজকের এই প্রশাসনিক বৈঠক নিয়ে সব মিলিয়ে আমি ৩৫৬ টি বৈঠক করলাম।
কুর্মালি, কুরুক, অল চিকি সহ অনেক ভাষাকে আমরা স্বীকৃতি দিয়েছি।
যারা কোন কাজ করে না তারা শুধু রটিয়ে বেড়ায় আর টাকা তুলে বিবৃতি দেয়। আর আমাদের কাজ মানুষের সেবা করা।
আমাদের ৪৫ লক্ষ কন্যাশ্রীর মেয়েদের জন্য আমরা গর্বিত। তারা এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার জন্যও স্কলারশিপ পাবে।
আমরা ৭০ লক্ষ সবুজ সাথী সাইকেল দিয়েছি। ৫৭ লক্ষ SC/ST ছাত্রছাত্রী ও ১.৭১ কোটি সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। প্রায় ২ লক্ষ লোকশিল্পীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
আমরা কৃষিজমির খাজনা মুকুব করে দিয়েছি। কৃষকদের কৃষিজমির জন্য আর মিউটেশন ফি দিতে হয় না।
শুধুমাত্র বাংলায় আমাদের সরকার ২ টাকা কেজি দরে চাল দিচ্ছে। আমরা কয়েক হাজার কোটি টাকা সাবসিডি দিচ্ছি।
একমাত্র বাংলায় বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ওষুধপত্র, রক্ত পরীক্ষা বিনামূল্যে হয়।
বাংলা কখনো কারো কাছে মাথা নত করেনি। বাংলা মানুষকে পথ দেখায়। আগে করে দেখাও তারপর বাংলার দিকে তাকাও।
মানুষকে গড়ে তোলা আমাদের কাজ, দাঙ্গা লাগানো আমাদের কাজ নয়। কেউ তা করার চেষ্টা করলে তা অপরাধ।
বাংলা কখনো দাঙ্গার রাজনীতি বরদাস্ত করে না। আমরা চাই মানুষ ভালো থাকুক।
কেউ কেউ বলে ওদের টার্গেট বাংলা। আমরা বলি, আমাদের টার্গেট দিল্লির ‘লাল কেল্লা’। চলো দিল্লি চলো।
আগামীদিনে বাংলাই সবাইকে পথ দেখাবে। আগামীদিনে বাংলা বিশ্ব জয় করবে, বাংলা যা পারে আর কেউ তা পারে না।
মেয়েদের জন্য আমরা একটি নতুন প্রকল্প চালু করেছি যার নাম ‘রূপশ্রী’। যাদের পরিবারের আয় দেড় লক্ষ টাকা তাদের মেয়েদের বিয়ের জন্য ২৫ হাজার টাকা দেবে সরকার।
আগে একটা সময় ছিল যখন পুরুলিয়ায় এসে আমি মানুষের চোখে শুধু জল দেখতে পেতাম, আর এখন এখানকার মানুষ হাসছে, এতেই আমি খুশি।
মুখ্যমন্ত্রী যে সকল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন, তার কয়েকটি হল, স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সংস্কার, আঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, নতুন রাস্তা, নলকূপ প্রকল্প, নদী সেচ প্রকল্প, রেশম ভবন ইত্যাদি।
তিনি যে সকল প্রকল্পের শিলান্যাস করেন, তার কয়েকটি হল, গুদাম ঘর, কর্মতীর্থ, প্রশাসনিক ভবন, আলোক স্তম্ভ ইত্যাদি।
এছাড়াও তিনি কন্যাশ্রী, সবুজশ্রী, শিক্ষাশ্রী, সবুজসাথী, সমাজসাথী, গতিধারা, পাট্টা, সয়েল হেলথ কার্ড, পাওয়ার টিলারইত্যাদি পরিষেবা প্রদান করেন।
তাঁর বক্তব্যের কিছু অংশঃ-
তিন মাসে পুরুলিয়ায় এটা আমার দ্বিতীয় বৈঠক। আগে কোন মন্ত্রীকে এখানে দেখা যেত না। আজকের এই প্রশাসনিক বৈঠক নিয়ে সব মিলিয়ে আমি ৩৫৬ টি বৈঠক করলাম।
কুর্মালি, কুরুক, অল চিকি সহ অনেক ভাষাকে আমরা স্বীকৃতি দিয়েছি।
যারা কোন কাজ করে না তারা শুধু রটিয়ে বেড়ায় আর টাকা তুলে বিবৃতি দেয়। আর আমাদের কাজ মানুষের সেবা করা।
আমাদের ৪৫ লক্ষ কন্যাশ্রীর মেয়েদের জন্য আমরা গর্বিত। তারা এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার জন্যও স্কলারশিপ পাবে।
আমরা ৭০ লক্ষ সবুজ সাথী সাইকেল দিয়েছি। ৫৭ লক্ষ SC/ST ছাত্রছাত্রী ও ১.৭১ কোটি সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। প্রায় ২ লক্ষ লোকশিল্পীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
আমরা কৃষিজমির খাজনা মুকুব করে দিয়েছি। কৃষকদের কৃষিজমির জন্য আর মিউটেশন ফি দিতে হয় না।
শুধুমাত্র বাংলায় আমাদের সরকার ২ টাকা কেজি দরে চাল দিচ্ছে। আমরা কয়েক হাজার কোটি টাকা সাবসিডি দিচ্ছি।
একমাত্র বাংলায় বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ওষুধপত্র, রক্ত পরীক্ষা বিনামূল্যে হয়।
বাংলা কখনো কারো কাছে মাথা নত করেনি। বাংলা মানুষকে পথ দেখায়। আগে করে দেখাও তারপর বাংলার দিকে তাকাও।
মানুষকে গড়ে তোলা আমাদের কাজ, দাঙ্গা লাগানো আমাদের কাজ নয়। কেউ তা করার চেষ্টা করলে তা অপরাধ।
বাংলা কখনো দাঙ্গার রাজনীতি বরদাস্ত করে না। আমরা চাই মানুষ ভালো থাকুক।
কেউ কেউ বলে ওদের টার্গেট বাংলা। আমরা বলি, আমাদের টার্গেট দিল্লির ‘লাল কেল্লা’। চলো দিল্লি চলো।
আগামীদিনে বাংলাই সবাইকে পথ দেখাবে। আগামীদিনে বাংলা বিশ্ব জয় করবে, বাংলা যা পারে আর কেউ তা পারে না।
মেয়েদের জন্য আমরা একটি নতুন প্রকল্প চালু করেছি যার নাম ‘রূপশ্রী’। যাদের পরিবারের আয় দেড় লক্ষ টাকা তাদের মেয়েদের বিয়ের জন্য ২৫ হাজার টাকা দেবে সরকার।
আগে একটা সময় ছিল যখন পুরুলিয়ায় এসে আমি মানুষের চোখে শুধু জল দেখতে পেতাম, আর এখন এখানকার মানুষ হাসছে, এতেই আমি খুশি।

No comments:
Post a Comment