তৃণমূল ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে রামনবমীর সভা ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন রামনবমীর সমস্ত কমিটিগুলি। বুধবার সন্ধ্যায় চন্দননগর বাগবাজারে একটি লজে চন্দননগর কমিশনারেটের তরফে রামনবমীর কমিটিগুলিকে সভাতে বসার আহ্বান করা হয়। সেই মত বেশ কয়েকটি রামনবমীর কমিটি ওই সভাতে উপস্থিত হয়। পুলিশের পাশাপাশি চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার, চন্দননগরের মেয়র রাম চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন।সভা শুরুর কিছু পরেই চুঁচুড়ার বিধায়ক তার বক্তব্য রাখতে ওঠেন। বক্তব্য দীর্ঘ হতেই জনতার মধ্যে থেকে আওয়াজ ওঠে, "এটা কোনও তৃণমূলের মিটিং নয়। বক্তব্য ছোট করুন।" এই আওয়াজ উঠতেই বিধায়ক মাইক ছেড়ে দেন।
অভিযোগ, আগে থেকেই তৃণমূল প্রভাবিত দুই একটা রামনবমী কমিটির লোকজনও ওই সভাতে তৈরি রাখা হয়েছিল। বিধায়ক কিংবা পুলিশ তাদের কাছে মিছিল নিয়ে একটা করে প্রস্তাব দেবেন। আর তৃণমূল প্রভাবিত রামনবমী কমিটি সেটা মেনে নিয়ে সেই প্রস্তাবে সায় দেবেন। সেই মত পুলিশ বক্তব্য রাখতে উঠে বলেন, মিছিলে অস্ত্র নেওয়া চলবে না। মাইক বাজানো যাবে না। অর্থাৎ পরিকল্পনা মাফিক ওই দিকেই অগ্রসর হচ্ছে বুঝতে পেরেই রামনবমী কমিটিগুলি পুলিশের সহযোগীতা চেয়ে জয়শ্রী রাম শ্লোগান তুলে ওই সভা থেকে বেরিয়ে যান। এই ঘটনায় ওই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় রামনবমীর জন্য রামের অস্ত্র নিয়ে রাস্তায় নেমেছে রাজনৈতিক দলের নেতা নেত্রীরা।
অভিযোগ, আগে থেকেই তৃণমূল প্রভাবিত দুই একটা রামনবমী কমিটির লোকজনও ওই সভাতে তৈরি রাখা হয়েছিল। বিধায়ক কিংবা পুলিশ তাদের কাছে মিছিল নিয়ে একটা করে প্রস্তাব দেবেন। আর তৃণমূল প্রভাবিত রামনবমী কমিটি সেটা মেনে নিয়ে সেই প্রস্তাবে সায় দেবেন। সেই মত পুলিশ বক্তব্য রাখতে উঠে বলেন, মিছিলে অস্ত্র নেওয়া চলবে না। মাইক বাজানো যাবে না। অর্থাৎ পরিকল্পনা মাফিক ওই দিকেই অগ্রসর হচ্ছে বুঝতে পেরেই রামনবমী কমিটিগুলি পুলিশের সহযোগীতা চেয়ে জয়শ্রী রাম শ্লোগান তুলে ওই সভা থেকে বেরিয়ে যান। এই ঘটনায় ওই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় রামনবমীর জন্য রামের অস্ত্র নিয়ে রাস্তায় নেমেছে রাজনৈতিক দলের নেতা নেত্রীরা।


No comments:
Post a Comment